Explainer: গাড়ি চুরির পর কী কী পদক্ষেপ নিতে হবে? জেনে নিন বিশদে!

Explainer: গাড়ি চুরির পর কী কী পদক্ষেপ নিতে হবে?  জেনে নিন বিশদে!

Photo-File

এ নিয়ে বিশদে জানাচ্ছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী প্রাচী মিশ্র (Prachi Mishra)।

  • Share this:

#নয়াদিল্লি: গাড়ি চুরি গিয়েছে। প্রাথমিক ভাবে FIR করার পর অনেকেই বিভ্রান্ত হয়ে যান। পরবর্তী পদক্ষেপ না জানার ফলে মাঝপথেই হাল ছেড়ে দেন। কিন্তু কয়েকটি বিষয় মাথায় রাখলেই সঠিক পথে এগোনো যাবে। নিজের চুরি যাওয়া গাড়ি ফেরাতে অনেকদূর পর্যন্ত যাওয়া যাবে। পরিস্থিতি অনুকূলে থাকলে গাড়িটি ফেরতও পাওয়া যায়। কিন্তু কী ভাবে? এ নিয়ে বিশদে জানাচ্ছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী প্রাচী মিশ্র (Prachi Mishra)। আসুন জেনে নেওয়া যাক!

FIR (First Information Report)

গাড়ি চুরি যাওয়ার পর প্রথমেই স্থানীয় পুলিশ স্টেশনে একটি FIR দায়ের করতে হবে। এক্ষেত্রে অভিযোগ সংক্রান্ত নানা তথ্য জানতে চাইবে পুলিশ। FIR দায়ের হওয়ার পর একটি রিসিভ কপি নিয়ে নিতে হবে। পরে ক্লেইম করার কাজে লাগবে এই নথি।

বিমাকারীর সঙ্গে যোগাযোগ

এবার গাড়ির বিমাকারীর সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে। এক্ষেত্রে ইনসিওরেন্স ক্লেইম ফাইল করতে হবে। পুরো ঘটনা সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট বিমাকারীকে বিশদে জানাতে হবে।

RTO-কে জানাতে হবে

মোটর ভেহিকেল অ্যাক্ট (Motor Vehicle Act) অনুযায়ী, গাড়ি চুরি যাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট RTO অর্থাৎ রিজিওনাল ট্রান্সপোর্ট অফিসের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে। গাড়ি চুরি সম্পর্কে বিস্তারিত জানাতে হবে RTO অফিসারকে।

বিমাকারীর কাছে প্রয়োজনীয় নথি জমা করতে হবে

ইনসিওরেন্স ক্লেইম ফাইল করার পর বিমা সংস্থার তরফে গাড়ির মালিকের কাছ থেকে বেশ কয়েকটি প্রয়োজনীয় নথিপত্র চাওয়া হবে। এই নথিগুলি হল-

ইনসিওরেন্সের কাগজ অরিজিনাল FIR কপি ড্রাইভিং লাইসেন্স কপি RC বুক কপি RTO ট্রান্সফারের কাগজপত্র ও RTO ফর্ম

এগুলির সঙ্গে ক্লেইম ফর্ম পূরণ করে জমা দিতে হবে এবং গাড়ির আসল চাবিটিও জমা করতে হবে।

পুলিশের কাছ থেকে নো-ট্রেস রিপোর্ট (No-trace Report) নিতে হবে

যদি কোনও কারণে একটি নির্দিষ্ট সময়কালের মধ্য গাড়িটিকে ট্রেস না করা যায়, তাহলে পুলিশ স্টেশনের তরফে একটি নো-ট্রেস রিপোর্ট দেওয়া হয়। এটি সঙ্গে রাখতে হবে। কারণ বিমা সংস্থার তরফে ক্লেইম স্যাংশনের সময় এই নথি কিন্তু অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়।

ক্লেইম স্যাংশনের সময়কাল

FIR-এর সময়কালের উপরে নির্ভর করে ৩০ দিন বা তার কয়েক দিন পর নো-ট্রেস রিপোর্ট ইস্যু হয়। এর পর গাড়ির জন্য IDV জেনারেট করতে গিয়ে আবার ৬০-৯০ দিন পর্যন্ত সময় নিয়ে নেয় সংশ্লিষ্ট বিমা সংস্থা। সব মিলিয়ে পুরো প্রক্রিয়া শেষ হতে ৩-৪ মাস পর্যন্ত সময় লেগে যায়।

Prachi Mishra

Published by:Debalina Datta
First published: