• Home
  • »
  • News
  • »
  • explained
  • »
  • Hajj 2022: হজযাত্রার জন্য কী ভাবে অনলাইনে আবেদন করবেন, জেনে নিন বিশদে

Hajj 2022: হজযাত্রার জন্য কী ভাবে অনলাইনে আবেদন করবেন, জেনে নিন বিশদে

Saudi police women stand alert in front of the Kaaba, the cubic building at the Grand Mosque, during the annual hajj pilgrimage in the Saudi Arabia's holy city of Mecca. (File photo: AP Photo)

Saudi police women stand alert in front of the Kaaba, the cubic building at the Grand Mosque, during the annual hajj pilgrimage in the Saudi Arabia's holy city of Mecca. (File photo: AP Photo)

Hajj 2022 Online Application: সাধারণ মানুষ কী ভাবে হজের জন্য আবেদন করবেন সেই দিকে এক নজর দেওয়া যাক।

  • Share this:

MIRZA GHANI BAIG

#কলকাতা: শুরু হয়ে গেল হজ যাত্রার (Hajj 2022) প্রস্তুতি। ইতিমধ্যে এগিয়েছে রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া। সোমবার কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে ২০২২ সালের হজের অনলাইন প্রক্রিয়ার ব্যাপারে ঘোষণা করা হয়। এদিন কেন্দ্রীয় সংখ্যালঘু উন্নয়ন বিষয়ক (Minority Affairs) মন্ত্রী মুখতার আব্বাস নকভি (Mukhtar Abbas Naqvi) তীর্থযাত্রার জন্য উল্লেখযোগ্য সংস্কার এবং বর্ধিত সুবিধার বিষয়ে ঘোষণা করেন। তবে এবছর সংশ্লিষ্ট তীর্থযাত্রায় আবেদনের সমগ্র প্রক্রিয়াটি একেবারেই ডিজিটাল মাধ্যমে হবে। এমনটাই দক্ষিণ মুম্বইয়ের হজ হাউজে (Haj House) হজ ২০২২ নিয়ে ঘোষণার সময়ে জানিয়েছেন নকভি। তাই তীর্থযাত্রীদের হজের জন্য এবার পুরোপুরি অনলাইনে আবেদন করতে হবে।

তাহলে সাধারণ মানুষ কী ভাবে হজের জন্য আবেদন করবেন সেই দিকে এক নজর দেওয়া যাক। মনে রাখতে হবে যে রাজ্য হজ কমিটিগুলি (State Hajj Committees) হাতে লেখা বা টাইপ করা আবেদনের হার্ড কপি নেবে না। তাই তীর্থযাত্রীদের এবার শুধুমাত্র www.hajcommittee.gov.in ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অথবা গুগল প্লে স্টোরে (Google Play Store)-এ গিয়ে হজ কমিটি অফ ইন্ডিয়া (HAJ COMMITTEE OF INDIA) নামে তাদের মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড করে অনলাইনে আবেদন জমা দিতে হবে।

আরও পড়ুন- রিলায়েন্সের দীপাবলির উপহার JioPhone Next, এই ফোন সংক্রান্ত যাবতীয় খুঁটিনাটি জেনে নিন

তবে আবেদন প্রক্রিয়া জমা দেওয়ার আগে, এই বছরের হজ যাত্রার জন্য যে নথিগুলির প্রয়োজন রয়েছে তা জেনে নেওয়া দরকার। যেমন-

পাসপোর্ট (Passport) হজযাত্রায় আবেদনের জন্য প্রয়োজনীয় গুরুত্বপূর্ণ নথি হল একটি নির্দিষ্ট তারিখ সহ আবেদনকারীর পাসপোর্ট। শেষ মুহূর্তের ভিড় এড়াতে, সমস্ত ইচ্ছুক তীর্থযাত্রীদের আবেদনের তারিখের আগে জারি করা মেশিন-পাঠযোগ্য বৈধ ভারতীয় আন্তর্জাতিক পাসপোর্ট রাখতে হবে।

ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট (Bank Account) হজে আবেদন করার জন্য কভার হেডের (Cover Head) ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট বাধ্যতামূলক। সকল তীর্থযাত্রীকে ব্যাঙ্কে অ্যাকাউন্ট খুলতে অনুরোধ করা হয়েছে কিংবা যাঁদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট আছে তাঁদের সেগুলি আপডেট করার অনুরোধ করা হয়েছে। কেন না, যদি কোনও কারণে যাত্রা বাতিল হয় সেক্ষেত্রে রিফান্ড সরাসরি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ফেরত দেওয়া যাবে।

আধার কার্ড (Aadhaar Card) ভারতের হজ কমিটি জানিয়েছে যে প্রত্যেক তীর্থযাত্রীর আধার কার্ড থাকতে হবে এবং হজ আবেদনপত্রের নির্দিষ্ট কলামে প্রয়োজনীয় বিবরণ উল্লেখ করতে হবে। তবে হজে আবেদনের জন্য আধার কার্ড বাধ্যতামূলক নয়।

মোবাইল নম্বর (Mobile Number)

সকল তীর্থযাত্রীকে হজ আবেদনপত্রে (Hajj Application) তাঁদের মোবাইল নম্বর উল্লেখ করতে হবে এবং উল্লিখিত মোবাইল নম্বরটিতে যাতে কর্তৃপক্ষ চাইলে যোগাযোগ করতে পারে সেই দিকে খেয়াল রাখতে হবে।

হজ আবেদনপত্র ২০২২-এর জন্য ধাপে ধাপে নির্দেশিকা:

ধাপ ১. হজ আবেদনপত্রের জন্য নতুন রেজিস্ট্রেশন ধাপ ২. হজ আবেদনপত্র পূরণ ধাপ ৩. ফটো ও নথি আপলোড করতে হবে ধাপ ৪. ফি জমা দিতে হবে

বিশদে পদক্ষেপগুলি হল:

ধাপ ১. hajcommittee.gov.in-এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে গিয়ে হজ ফর্মে (HAJ FORM) ক্লিক করতে হবে এবং অ্যাপ্লাই (Apply) নির্বাচন করতে হবে।

এরপর একটি স্ক্রিন আসবে যেখানে নিউ ইউজার রেজিস্ট্রেশন-এ (NEW USER REGISTRATION) ক্লিক করতে হবে। এবার সতর্কভাবে রেজিস্ট্রেশন ফর্ম পূরণ করতে হবে। আবেদনকারীদের মোবাইল নম্বর, ইমেল আইডি, প্রথম নাম এবং শেষ নাম পূরণ করতে হবে। এক্ষেত্রে একটি স্ট্রং পাসওয়ার্ড বাছতে হবে এবং পুনরায় পাসওয়ার্ডটি নিশ্চিত করতে হবে৷ এর পর সিকিউরিটি কোড দিতে হবে। যদি তথ্য সঠিক থাকে তাহলে চেক বক্সে ক্লিক করে সাবমিট ডিটেলস-এ (Submit Details) ক্লিক করতে হবে।

ধাপ ২. এই ধাপে অ্যাকাউন্ট যাচাই করতে হবে। ওটিপি (OTP) ঠিক মতো জমা দেওয়ার পরে, স্ক্রিনে একটি নিশ্চিতকরণ তথ্য আসবে। এই ধাপে এসে আবেদনকারীর অ্যাকাউন্ট চালু হয়ে যাবে। তাই এখন আবেদনকারী লগ ইন করতে পারবেন।

ধাপ ৩. অ্যাকাউন্ট চালু হয়েছে। ফলে, এবার রেজিস্টার্ড ব্যবহারকারী অ্যাকাউন্টে ঢুকে আবেদনপত্র পূরণ করবেন। এক্ষেত্রে অনলাইনে ২০২২ সালের হজের আবেদনপত্র পূরণের জন্য রেজিস্টার্ড মোবাইল নম্বর ও পাসওয়ার্ড দিতে হবে।

ধাপ ৪. এই ধাপে আবেদনকারীকে সাইন-ইন করার পরে, একটা স্ক্রিন খুলে যাবে। সংশ্লিষ্ট স্ক্রিনে সঠিক আবেদনপত্রের বিভাগে ক্লিক করতে হবে৷ এবার নেক্সট (NEXT) বটন ক্লিক করে ড্রপডাউন থেকে কতজন প্রাপ্তবয়স্ক যাত্রা করতে চান তা নির্বাচন করতে হবে।

আরও পড়ুন-ডেঙ্গুর উপসর্গ হয়ে উঠছে মারাত্মক, বুঝবেন কী ভাবে? জেনে নিন বিস্তারিত!

ধাপ ৫. আবেদনকারীর বিভাগ

আবেদনকারীকে যে যে বিবরণী পূরণ করতে হবে-

ভারতীয় আন্তর্জাতিক পাসপোর্ট অনুযায়ী আবেদনকারীর বিবরণীতে সব তথ্য পূরণ করতে হবে, কোভিড-১৯ টিকাকরণের বিবরণী, ব্যক্তিগত বিবরণী, বর্তমান ঠিকানা, মনোনয়নকারীর বিবরণী, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের বিবরণী ইত্যাদি দিতে হবে। সমস্ত নথি দেওয়ার পরে, ডিক্লেয়ারেশনে ক্লিক করতে হবে এবং সেভ অ্যান্ড নেক্সট (SAVE & NEXT) বটনে ক্লিক করে তা জমা দিতে হবে।

ধাপ ৬. আবেদনকারীকে যা আপলোড করতে হবে-

প্রথমে ফটো ও নথি আপলোড করতে হবে। তার পর ড্রপডাউন থেকে তীর্থযাত্রা নির্বাচন করে ফটো ও নথি আপলোডের জন্য ব্রাউজে (Browse) ক্লিক করতে হবে। সমস্ত নথি শুধুমাত্র জেপিজি/জেপিইজি (JPG/JPEG) ফরম্যাটে থাকতে হবে৷ আবেদনকারীর ছবি পাসপোর্ট মাপের অর্থাৎ দৈর্ঘ্যে ১০ কেবি থেকে ১০০ কেবি এবং চওড়ায় ১০০ পিক্সেল থেকে ১৪৮ পিক্সেলের মধ্যে হবে৷ নথিগুলি ১০০ কেবি থেকে ৫০০ কেবি এবং ৫৭০ পিক্সেল থেকে ৭৯৫ পিক্সেলের মধ্যে হতে হবে।

ধাপ ৭. নথি আপলোড

সকল তীর্থযাত্রীর ছবি ও নথি আপলোডের পরে, আপলোড (Upload) বটনে ক্লিক করতে হবে। উপরোক্ত পদক্ষেপগুলি প্রত্যেক সহ-তীর্থযাত্রীর জন্য পুনরায় করতে হবে।

ধাপ ৮. ফি-এর টাকা জমা করা

ছবি আপলোডের পরে, আবেদনকারী ফি পেমেন্টের জন্য স্বয়ংক্রিয় ভাবে লিঙ্কে যেতে পারবেন। আবেদনকারী ডেবিট কার্ড অথবা ক্রেডিট কার্ড কিংবা নেট ব্যাঙ্কিং-এর মাধ্যমে তাঁদের ফি দিতে পারবেন। এক্ষেত্রে অনলাইন পেমেন্ট (Online Payment) নির্বাচন করে ক্লিক হেয়ার টু পে অনলাইন-এ (Click here to Pay Online) ক্লিক করতে হবে। পে অনলাইনে ক্লিক করার পরে, তীর্থযাত্রীদের পেমেন্ট গেটওয়েতে পেমেন্ট করতে পুনরায় নির্দেশ দেওয়া হবে। লেনদেন সঠিকভাবে শেষ করার পরে, একটি লেনদেনের রিসিপ্ট তৈরি হবে। সফলভাবে টাকা দেওয়ার পরে, চূড়ান্তভাবে আবেদনপত্র জমা দেওয়ার জন্য অনলাইন হাফে (Online HAF) পুনরায় লগ ইন করতে হবে। এবার ফাইনাল সাবমিশন-এ (Final Submission) ক্লিক করলে আবেদনকারী অ্যালার্ট মেসেজ পাবেন। যেখানে ওকে (Ok) বটনে ক্লিক করতে হবে।

ধাপ ৯. আবেদন জমা দেওয়ার চূড়ান্ত ধাপ

আবেদনকারীকে হজের আবেদনপত্রের একটি প্রিন্ট রাখতে হবে।

একটি অন্য রকমের সিস্টেম থেকে তৈরি গ্রুপ আইডি দেখা যাবে যা সফলভাবে অনলাইনে আবেদনপত্র জমা দেওয়াকে চিহ্নিত করবে। অনলাইনে হজের আবেদনপত্র দেখতে কিংবা প্রিন্ট নিতে ডাউনলোড পিডিএফ-এ (Download PDF) ক্লিক করতে হবে।

আরও পড়ুন- এস-৪০০ কিনলেও নিষেধাজ্ঞা নয় ভারতের উপর, কেন এই সওয়াল করছেন ২ মার্কিন সেনেটর

এই বিষয়ে হজ কমিটির আধিকারিকরা জানিয়েছেন যে যদি নথিপত্র আপলোড করা হয়ে থাকে, তাহলে এই পর্যায়ে আবেদনকারীদের নিজ নিজ রাজ্য হজ কমিটিতে প্রিন্টেট এইচএএফ এবং নথি জমা দেওয়ার কোনও প্রয়োজন নেই। তবে যদি আবেদনকারীরা নথি আপলোড না করেন, সেক্ষেত্রে হজে আবেদন প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করতে ৩১.০১.২০২২ তারিখের পূর্বে আবেদনকারীদের সংশ্লিষ্ট রাজ্য হজ কমিটিতে নথি সহ একটি প্রিন্টেট হজ আবেদনপত্রের কপি জমা দিতে হবে।

হজ আবেদনপত্রের সঙ্গে যা যা আপলোড করতে হবে:

ইচ্ছুক তীর্থযাত্রীদের এনক্লোজার হিসাবে নিম্নলিখিত বিষয়ে খেয়াল রাখতে হবে-

১) প্রতিটির জন্য নন-রিফান্ডেবেল প্রসেসিং ফি ৩০০ টাকার পেমেন্ট জমা করা ২) অনলাইনে হজ আবেদনপত্র পূরণ এবং জমা দেওয়া ৩) মেশিন পঠনযোগ্য বৈধ ভারতীয় আন্তর্জাতিক পাসপোর্টের প্রথম ও শেষ পৃষ্ঠা আপলোড করা ৪) সাম্প্রতিক পাসপোর্ট মাপের ছবি আপলোড করা ৫) কভার হেডের ক্যানসেল চেকের কপি আপলোড করা ৬) আধার প্রমাণপত্রের কপি আপলোড করা- যদি বর্তমান ঠিকানা পাসপোর্টে নথিভুক্ত অনুযায়ী একই হয়, তাহলে পাসপোর্টের একটি কপিই যথেষ্ট এবং সেক্ষেত্রে অন্য কোনও নথি লাগবে না। অন্য ক্ষেত্রে, যথাযথ ভাবে পূরণ করা হজ আবেদনপত্রের ডাউনলোড করা কপির সঙ্গে নিম্নলিখিতগুলির মধ্যে যে কোনও একটি যুক্ত করতে হবে- আধার কার্ড ব্যাঙ্কের পাস বই নির্বাচন কমিশনের ফটো পরিচয় প্রমাণপত্র; অথবা নিম্নোক্তগুলির শেষ তিন মাসের বিল- বিদ্যুতের বিল টেলিফোন বিল (ল্যান্ড-লাইন)

কভার নম্বর (Cover Number) কি?

কভার নম্বর হল রাজ্য অথবা ইউটি হজ কমিটির (UT Hajj Committees) তীর্থযাত্রীদের ডেটা এন্ট্রি এবং প্রাসঙ্গিক নথি যাচাইয়ের পরে ভারতের হজ কমিটির আইএইপিএমএস থেকে নেওয়া একটি অন্য রকমের কম্পিউটার থেকে তৈরি নম্বর। রাজ্য/ইউটি হজ কমিটিগুলির তরফে জানানো হয়েছে যে কভার হেডই হল কভার নম্বর। আবেদনকারীদের অবশ্যই এই কভার নম্বরটি ভবিষ্যতের সমস্ত চিঠিপত্রের রেফারেন্স হিসাবে ব্যবহার করতে হবে। একই সঙ্গে, তীর্থযাত্রীদের রাজ্য/ইউটি হজ কমিটি থেকে একটি কভার নম্বর নিতে হবে কারণ কভার নম্বর ছাড়া কুরাহ (লটারি)-এর জন্য কোনও হজ আবেদন করা হবে না।

আসলে কভার হল আবেদনকারীদের একটি দল হিসেবে একসঙ্গে আবেদন করা এবং শুধুমাত্র পরিবারের সদস্য বা নিকটাত্মীয়দের একটি কভারে রাখা যাবে। কভারের প্রধান শুধুমাত্র একজন প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষকে হতে হবে যিনি কভারের সমস্ত আবেদনকারীদের টাকা দেওয়ার জন্য দায়ী থাকবেন।

একটি কভারে আবেদন করা সমস্ত আবেদনকারীকে একই বাড়ি থেকে হতে হবে। একটি কভারে থাকা সমস্ত তীর্থযাত্রীকে একসঙ্গে যাত্রা করতে হবে।

কোনও অবস্থাতেই, প্রয়োজনীয় ইউনিট বা জায়গা না থাকায় কেএসএ (KSA)-তে বাসস্থান দেওয়া সম্পর্কিত বিষয়গুলি ছাড়া একটি কভার ভাগ হবে না।

কুরাহ (Qurrah) লটারি কী?

রাজ্য কিংবা কেন্দ্রীয় অঞ্চলে যেখানে হজের আবেদনগুলি তাদের কোটা ছাড়িয়ে যাবে, সেখানে তীর্থযাত্রীদের কভার অনুযায়ী কুরাহ অস্থায়ী ভাবে নির্বাচন করবে। কুরাহ ভারতের হজ কমিটির সার্ভারে থাকা আইএইচপিএমএসে (IHPMS) যথাক্রমে রাজ্য অথবা কেন্দ্রীয় হজ কমিটি দ্বারা পরিচালিত হবে। কুরাহর পর পরই, রাজ্য/ইউটি হজ কমিটি অস্থায়ী ভাবে নির্বাচিত হজযাত্রীদের তাঁদের নির্বাচনের স্টেটাস সম্পর্কে জানিয়ে দেবে। সকল নির্বাচিত তীর্থযাত্রীদের তাঁদের রেজিস্টার্ড মোবাইল নম্বরে এসএমএসের মাধ্যমেও জানিয়ে দেওয়া হবে। তীর্থযাত্রীরা হজ কমিটির ওয়েবসাইটেও তাঁদের স্টেস্টাস দেখতে পাবেন।

Published by:Siddhartha Sarkar
First published: