Home /News /explained /
Explained: ভালবাসার উদযাপন না মুনাফার বাজার? ভ্যালেন্টাইনস ডে নিয়ে চমকে দেবে এই তথ্য

Explained: ভালবাসার উদযাপন না মুনাফার বাজার? ভ্যালেন্টাইনস ডে নিয়ে চমকে দেবে এই তথ্য

Explained: valentine's day celebrations gift

Explained: valentine's day celebrations gift

Valentine's Day 2022: প্রতি বছর ১৪ ফেব্রুয়ারি বিশ্বজুড়ে পালিত হয় ভ্যালেন্টাইনস ডে (Valentine's Day)। এই দিনটিতে প্রত্যেকেই তাঁদের প্রিয়জনের প্রতি ভালবাসা প্রকাশ করেন।

  • Share this:

#নয়াদিল্লি: প্রতি বছর ১৪ ফেব্রুয়ারি বিশ্বজুড়ে পালিত হয় ভ্যালেন্টাইনস ডে (Valentine's Day)। এই দিনটিতে প্রত্যেকেই তাঁদের প্রিয়জনের প্রতি ভালবাসা প্রকাশ করেন। অনেকেই মনে করেন যে, এই দিনটি কেবল মাত্র প্রেমিক-প্রেমিকা (Romance) ও দম্পতিদের (Love) জন। বিষয়টি একদমই সঠিক নয়। যে কেউ এই দিনে তাঁদের প্রিয়জনকে শুভেচ্ছা জানাতে পারেন। সে যে কেউ হতে পারেন, যেমন- পরিবারের সদস্য, বন্ধু, ভাই-বোন এবং অন্যান্য ব্যক্তি, যাঁরা জীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

ফেব্রুয়ারি মাস মানেই যেন প্রেমের মাস। হাতে গোলাপ, মনে বসন্তের ছোঁয়া, এই নিয়েই শুরু হয়ে গেছে এবছরের প্রেম পার্বণ। রোজ ডে দিয়ে শুরু, প্রোপোজ ডে, চকোলেট ডে, টেডি ডে, প্রমিজ ডে, হাগ ডে, কিস ডে এবং সর্বশেষ হল বহু প্রতীক্ষিত ভ্যালেন্টাইনস ডে (Valentine's Day)। টানা এক সপ্তাহের প্রেম পর্ব।

বার্ষিক প্রেম ঋতু এই ১৪ ফেব্রুয়ারির ভ্যালেন্টাইনস ডে (Valentine's Day) পালন করা হয় প্রেমের (Love) বার্তা সহ কার্ড, গোলাপ বা চকোলেট (Gift) পাঠিয়ে।

এই দিনটিতে শহরের বিভিন্ন হোটেল এবং রেস্তোরাঁ রোমান্টিক প্যাকেজের ঘোষণা করে। রেস্তোরাঁ এবং হোটেলগুলি বিজ্ঞাপন দেয় জুটিদের সমস্ত রকম সুযোগ সুবিধাসহ সারা দিন কাটানোর।

আরও পড়ুন - Valentine's Day 2022: রিয়েল-লাইফ দম্পতিদের গল্পে ভরে উঠেছে ট্যুইটার! ট্রেন্ড হচ্ছে WeMetOnTwitter হ্যাশট্যাগ

কিন্তু অনেকেই সত্যিই জানেন না এই দিনটির ইতিহাস। ভ্যালেন্টাইনস ডে কোথা থেকে এসেছে? (History of Valentines Day)

নামকরণের ইতিহাস

দিনটির নামকরণ করা হয়েছে সেন্ট ভ্যালেন্টাইনের নামানুসারে। পঞ্চম শতাব্দীর শেষের দিকে পোপ গেলাসিয়াস ১৪ ফেব্রুয়ারি দিনটিকে ভ্যালেন্টাইনস ডে হিসেবে ঘোষণা করেছিলেন। আমরা যদি ইতিহাসের পাতাগুলি উল্টে দেখি তাহলে তৃতীয় শতাব্দীতে রোমের বাসিন্দা, পুরোহিত ও চিকিৎসক সেন্ট ভ্যালেন্টাইনের আত্মত্যাগের স্মরণে উদযাপিত হয়েছিল এই দিনটি। যিনি ছিলেন একজন ধর্ম প্রচারকও। পাশাপাশি তিনি রোমান সৈন্যদের বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার জন্য বিবাহের অনুষ্ঠানও করতেন। দ্বিতীয় ক্লদিয়াস, একজন রোমান সম্রাট, যিনি বিশ্বাস করতেন যে, অবিবাহিত সৈন্যরা বিবাহিতদের চেয়ে বেশি দক্ষ, তাই তাদের বিয়ে করতে নিষেধ করেছিলেন। তিনি একটি আইন তৈরি করেন যাতে বলা ছিল, সেনাবাহিনীতে চাকরি করা যুবকেরা বিয়ে করতে পারবেনা। ধর্মযাজক সেন্ট ভ্যালেন্টাইন যখন এই আইন সম্পর্কে জানতে পারেন তখন তিনি বুঝতে পেরেছিলেন যে এই আইনটি অন্যায়। তাই যে সকল সৈন্যরা বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে চান তাঁদের জন্য গোপনে বিবাহের কাজ চালিয়ে যান তিনি। পাশাপাশি তিনি অন্যান্য লোকেদের মধ্যেও ভালবাসা জাগিয়ে তুলতে প্রচার শুরু করেন। কিন্তু, খুব তাড়াতাড়িই দ্বিতীয় ক্লদিয়াস সেন্ট ভ্যালেন্টাইনের এই কাজ সম্পর্কে জানতে পারেন এবং ভ্যালেন্টাইনকে মৃত্যুদন্ড দেওয়ার আদেশ দেন। যিনি প্রেমের জন্য নিজের জীবনকে উৎসর্গ করেছিলেন সেই সেন্ট ভ্যালেন্টাইনের (Saint Valentine) আত্মত্যাগকে স্বীকার করে সেখানকার মানুষেরা তাঁকে একটা দিন উৎসর্গ করার কথা ভাবে। আর সেটাই হল আজকের দিনটি।

আরও একটি গল্প আছে যেখানে বলা হয়েছে যে সেন্ট ভ্যালেন্টাইনকে ধর্ম প্রচারের মামলায় অভিযুক্ত করে কারাবাসে পাঠানো হয়। কারাবাসে থাকার সময় তাঁর চিকিৎসার জাদুতে একজন কারারক্ষীর অন্ধ মেয়ের দৃষ্টি তিনি ফিরিয়ে দেন। এরপরেই সেন্ট ভ্যালেন্টাইনের কাজে অনুপ্রাণিত হয়ে মেয়েটির পরিবারসহ অনেকেই খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ করেন এবং মেয়েটির সঙ্গে ভ্যালেন্টাইনের একটি সম্পর্ক তৈরি হয়।

সেখানকার রাজার কানে এই খবর পৌঁছোনো মাত্রই, আইনকে অমান্য করে ধর্ম প্রচারের অপরাধের জন্য ভ্যালেন্টাইনকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়। তাঁর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ার আগে সেন্ট ভ্যালেন্টাইন মেয়েটিকে উদ্দেশ্য করে একটি চিঠি লেখেন, যাতে চিঠির শেষে লেখা ছিল 'লাভ ফ্রম ইওর ভ্যালেন্টাইন' অর্থাৎ "তোমার ভ্যালেন্টাইনের থেকে"। সেই থেকে মানুষ তাঁর এই নামটিকে ভালবাসার প্রতীক হিসেবে বিবেচনা করে। পরে পোপ গেলাসিয়াস প্রথম এই দিনটিকে ভ্যালেন্টাইনস ডে হিসেবে ঘোষণা করেন।

ভালোবাসা দিবসের এই ইতিহাস রোমান সাম্রাজ্যের সময় থেকে পালিত হয়ে আসছে। আজকের দিনটির গুরুত্ব অপরিসীম এবং প্রাসঙ্গিক করার জন্য অনেকেই সরকারি ছুটিরও দাবি জানিয়েছিলেন। যদিও যাঁরা এই দাবি জানিয়েছেন তাঁরা অনেকেই ভ্যালেন্টাইনস ডে-র সঠিক ইতিহাস জানেন না। তবে সবচেয়ে জনপ্রিয় তত্ত্বটি হলএকজন রোমান ধর্মযাজকের সম্মানের জন্য এই দিনটির উদযাপন।

আরও পড়ুন -খেলতে খেলতে ইঁটভাটার চৌবাচ্চায় ৫ ও ৭ বছরের দুই শিশু, মর্মান্তিক মৃত্যু

কাব্যে ভ্যালেনটাইস ডে

পৃথিবীর বিভিন্ন কবিদের কবিতায় আজকের দিনটি স্মরণীয় হয়ে আছে। ভ্যালেন্টাইনস ডে উদযাপনের আরেকটি ব্যাপকভাবে স্বীকৃত তত্ত্ব আছে। কবি জিওফ্রে চসার-ই প্রথম ব্যক্তি যিনি ভ্যালেন্টাইনস ডে-কে রোম্যান্সের সঙ্গে যুক্ত করেছিলেন তাঁর 'দ্য পার্লেমেন্ট অফ ফাউলস' কবিতায়।

১৩৮২ সালে প্রকাশিত হয় চসারের পার্লামেন্ট অব ফাউলাস; যেখানে তিনি লেখেন, "এটা হল সেন্ট ভ্যালেন্টাইনস-ডে, যেদিন প্রতিটি পুরুষ পাখি তার মেয়ে পাখি খুঁজতে আসে।”

মূলত চসার এটি ইংল্যান্ডের দ্বিতীয় রিচার্ড ও বোহেমিয়ার আনার মধ্যেকার বিয়ে উপলক্ষ্যে লিখেছিলেন। ইতিহাসে আছে ১৩৮১ সালে এই বিবাহ সম্পাদিত হয়। যা রোমান্টিকতার প্রতীক হিসেবেই ব্যবহার করা হয়।

আরেকটি সাহিত্যকর্মকে পঞ্চদশ শতাব্দীর শুরুর দিকে ভ্যালেন্টাইনস-ডে এর উৎপত্তি কিংবা জনপ্রিয়তার কারণ হিসেবে ধরা হয়। ১৪১৫ সালে চার্লস, যিনি কি না অর্নলসের রাজকুমার ছিলেন, তিনি এগিনতোনিয়া যুদ্ধে হেরে লন্ডন টাওয়ারে বন্দী থাকা অবস্থায় তাঁর প্রিয়তমাকে এক চিঠি লিখেছিলেন। এর পরবর্তীতে শেক্সপিয়র তাঁর লেখনিতে ভ্যালেন্টাইনস-ডে কে জনপ্রিয় করে তোলেন।

তিনি এই দিনটিকে রোমান্টিক ভালবাসার সঙ্গে যুক্ত করেন। কল্পনা করা হয়, এই সময়টিতে ইউরোপীয় পাখিরা তাদের সঙ্গী বা সঙ্গিনীকে বেছে নেয়। উইলিয়াম শেক্সপিয়র সহ অন্যান্য কবিরা তাঁদের কবিতায় এই কল্পনাকে অনুসরণ করেন। যা থেকে পরবর্তীকালে ইউরোপীয় দেশগুলোতে কার্ডেও পাখিদের সঙ্গী-সঙ্গিনী নির্বাচনের চিত্রটি ফুটে ওঠে। সমগ্র ইংল্যান্ডে উপহার দানের রীতি প্রচলিত হয়।

মুনাফার বাজার

ভ্যালেন্টাইন ডে কে সামনে রেখে বিশ্ব জুড়ে হাজার হাজার কোটি টাকার বাণিজ্য হচ্ছে। অপ্রত্যাশিতভাবে বিভিন্ন রকম উপহার তৈরি করা হচ্ছে এই দিনটিকে সামনে রেখে। সারা পৃথিবীর প্রেমিক-প্রেমিকা এবং প্রিয়জনের জন্য তৈরি করা হচ্ছে নানান উপহার সামগ্রী। চড়া দামে বিশ্বের বাজারে বিক্রি হচ্ছে সেগুলি। কোটি কোটি ডলার পাউন্ড সহ বিশ্বজুড়ে রমরমিয়ে চলছে সেই ব্যবসা।

চলতি মাসের শুরুতে প্রতি পিস ডাচ গোলাপ গড়ে ৩০ টাকা করে বিক্রি হয়। গতকাল বিকেলের পর চাহিদা বেড়ে যায় গোলাপের। সেই সঙ্গে বেড়েছে গোলাপের দাম। দোকানে এক একটি ডাচ গোলাপের দাম ৮০ টাকাও ছুঁয়েছে। তুলনায় অবশ্য লাল মিনি কুইনের দাম কম ছিল। গড়ে ২০-৩০ টাকায় একটি বিকিয়েছে। এক ফুল ব্যবসায়ী বললেন, “ব্যবসা ভাল হয়েছে। তাই ভ্যালেন্টাইনস ডে নিয়ে আশা বেড়েছে। বেঙ্গালুরুর লাল ও হলুদ দুই রঙের গোলাপেরই দারুণ চাহিদা ছিল। গত বারের থেকেই এ বার ভাল বিক্রি হয়েছে। দিনের শেষের দিকে জোগান কমে যাওয়ায় বাড়তি দাম দেন ক্রেতারা। দাম একটু কম হলে ভাল হত।”

ডাচ গোলাপের এমন চাহিদায় উৎসাহ বেড়েছে প্রেম দিবস পালনেরও। জানা গিয়েছে, ফেব্রুয়ারির ৭-১৪, ‘ভালবাসা সপ্তাহে’ কয়েক বছর ধরেই ভিনরাজ্যের ডাচ বাজিমাত করছে। এই রাজ্যের আবহাওয়ায় বিশেষ উন্নত জাতের গোলাপের পরীক্ষামূলক চাষের অনুমোদন চেয়ে তাই উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছিল। তার সবুজ সঙ্কেত মিলেছে। দফতরের জেলা আধিকারিক বলেন, “গ্রিন হাউসে আবহাওয়া নিয়ন্ত্রণ করে ডাচ গোলাপের পরীক্ষামূলক চাষের অনুমোদন মিলেছে। উদ্যোগ সফল হলে আগ্রহীদের উৎসাহিত করা হবে। স্থানীয়ভাবে উৎপাদন শুরু হলে দামও অনেকটাই কমবে।”

মূলত অষ্টাদশ শতাব্দী থেকে ভ্যালেন্টাইনস-ডে তে উপহার দেওয়া নেওয়ার প্রচলন বেড়ে যায়। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, মেক্সিকো,কানাডা ও অস্ট্রেলিয়াতে ব্যাপক আকারে এই উৎসব পালিত হয়। যাই হোক, আধুনিক যুগের অষ্টাদশ শতাব্দীতে ভ্যালেন্টাইনস-ডে তে সীমিত আকারে হলেও কার্ড আদান-প্রদান চলত। কিন্তু ব্যবসায়িকভাবে অতটা জনপ্রিয়তা পায়নি উনবিংশ শতাব্দীর পূর্ব পর্যন্ত। ইংল্যান্ডে এই কার্ড ছাপা বেশ জনপ্রিয়তাও লাভজনক হয়ে উঠে। পেপার কাটিং ও সুন্দর রঙিন কাগজের আদলে বিভিন্ন ছন্দে যুক্ত করে হাতে লিখে তৈরি হত এসব ভ্যালেন্টাইন কার্ড। ইংল্যান্ড ডাক বিভাগের হিসাব মতে, শুধু ১৮৩৫ সালেই ভ্যালেন্টাইনস-ডে উপলক্ষ্যে বিলি হয় ৬০,০০০ হাজার চিঠি। ১৮৪০ সালে ডাক পরিবহণের মূল্য যখন বেশ কমে যায় তখন তা বছরে ৪,০০০০০ তে পৌঁছে যায়। যুক্তরাষ্ট্রেও ঠিক একই সময় ভ্যালেন্টাইনস ডে বেশ জনপ্রিয়তা লাভ করে।

বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকে হাতে লেখার বদলে প্রিন্ট করা কার্ড পাওয়া যেত খুব সস্তায়। আবার ডাক পরিবহণ খরচও কমে যায়। ফলে ভ্যালেন্টাইনস-ডের জনপ্রিয়তা আরও বেড়ে যায়। চকলেট, নানা উপহার ও গোলাপের উপহারও করা হয়। গ্রিটিং কার্ড এসোসিয়েশন এর মতে, বর্তমানে প্রতি বছর প্রায় ১ বিলিয়ন কার্ড বিক্রি করা হয়ে থাকে এবং মোট কেনাকাটায় ৮৫% নারীরাই এগিয়ে থাকেন। ভ্যালেন্টাইনস-ডে বর্তমানে ভালোবাসার চেয়ে কমার্শিয়ালইজেশনই বেশি হয়েছে।

এক কথায় জুটিদের জন্য এই ভ্যালেন্টাইনস ডে। কিন্তু যাঁরা সিঙ্গল তাঁদের জন্য দিনটি বেশ হতাশারই বটে। তবে সিঙ্গলদের জন্য আরেকটি মজার তথ্য দিয়ে শেষ করা যাক। ১৪ ফেব্রুয়ারিতে আরেকটি উৎসবও বিশ্বব্যাপী পালিত হয়,তবে গোপনে। যাঁরা সিঙ্গল তাঁরাও উদযাপন করতে পারেন এই উৎসব। একা একা লাঞ্চ করতে পারেন কিংবা নিরিবিলি পরিবেশে ডিনারও সারতে পারেন। আবার ইচ্ছে করলে নিজের জন্যও দোকান থেকে দামি চকলেট কিনে আনতে পারেন। রোমের সিঙ্গলরাও কিন্তু এমন করতেন!

কেবলমাত্র ভিক্টোরিয়ান যুগের নয়, প্রেমের কবিতা এগিয়ে রয়েছে বর্তমান প্রজন্মও। ভালোবাসার দিনে নতুন নতুন প্রেমের কবিতা মনের ভাব প্রকাশ করতে চেয়েছে এই প্রজন্মের পুরুষ এবং নারী। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে প্রেমের কবিতা থেকে উপাখ্যান। সঙ্গিনী বা সঙ্গিনীকে মনের কথা বলার সেরা মাধ্যম কবিতা। সে কবিতা স্বরচিত হোক বা কোন কবির থেকে ধার করা হোক। এখনো বহু তরুণ প্রজন্মের যুবক-যুবতী কবিতার মাধ্যমে তাঁর মনের মানুষের মনের কাছাকাছি পৌঁছাতে চান। সারাবছরের অনন্ত অপেক্ষা, তারপর আজকের দিনে মনের মানুষকে, ভালোবাসার কথা বলার দিন। বিদ্যালয়ের কিছুটা উঁচু ক্লাস থেকে, কলেজ- বিশ্ববিদ্যালয়, সর্বত্রই প্রেমের সম্মোহন লেগে রয়েছে আজকের দিনে। এই দিনটিকে পালন করবে বলে অনেকেই বছরের শুরু থেকেই অপেক্ষা করে থাকেন। বর্তমান প্রজন্মের ছেলেমেয়েরা সেন্ট ভ্যালেন্টাইন্সের জীবন বৃত্তান্ত জানতে উৎসাহী। অনেকেই মনে করেন প্রেমের নয়, আজকের দিনটি শহিদ দিবস হওয়াই শ্রেয়!

Published by:Debalina Datta
First published:

Tags: Love, Romance, Valentines Day 2022

পরবর্তী খবর