192.168.0.1! IP Address-এর এই চমকপ্রদ সংখ্যার নেপথ্যের তথ্য জানেন?

192.168.0.1! IP Address-এর এই চমকপ্রদ সংখ্যার নেপথ্যের তথ্য জানেন?

Photo- Collected

ক্লোজ নেটওয়ার্ক সার্কেলে ব্যবহারের জন্য ইন্টারনেট ইঞ্জিনিয়ারিং টাস্ক ফোর্স ও ইন্টারনেট অ্যাসাইনড নম্বরস অথরিটির তরফে একটি IP অ্যা?

  • Share this:

#নয়াদিল্লি: মেইলে কোনও কিছু পাঠাতে হলে সাধারণত প্রাপক ও প্রেরকের মেইল অ্যাড্রেস লাগে। আর এক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি মাধ্যম হল ইন্টারনেট প্রোটোকল অ্যাড্রেস (Internet Protocol Address)। মূলত এই IP অ্যাড্রেসের সাহায্যেই ইন্টারনেটে তথ্য আদান-প্রদান চলে। এর একটি ভিন্ন ধরনের প্যাটার্নও থাকে। এমনই একটি IP অ্যাড্রেস কোড হল 192.168.0.1। যা প্রায়শই টেক-প্রেমীদের সিস্টেমে ঘোরাফেরা করে। কিন্তু কী এই 192.168.0.1?

১৯৯৬ সালে এক সাধারণ ঘটনার মধ্য দিয়ে এই IP কোডটির জন্ম হয়। সেই সময়, ক্লোজ নেটওয়ার্ক সার্কেলে ব্যবহারের জন্য ইন্টারনেট ইঞ্জিনিয়ারিং টাস্ক ফোর্স ও ইন্টারনেট অ্যাসাইনড নম্বরস অথরিটির তরফে একটি IP অ্যাড্রেস চিহ্নিত করতে হত। এদের মধ্যেই একটি ছিল 192.168.0.1। এই ফর্মটিকে ডাকা হত ডট-ডেসিমেল (dot-decimal)। এটি 11000000.10101000 বাইনারি কোডের ডেসিমেল কনভার্সন। এক্ষেত্রে প্রথম 1 ও 0 গুলি অ্যাড্রেসের সাইজকে সূচিত করে। অর্থাৎ এই কোড কতগুলি ইনডিভিজুয়াল অ্যাড্রেসকে সাপোর্ট করতে পারে, তা বোঝা যায়। প্রথম ডিজিট অর্থাৎ 192.168 সংখ্যাটি কম্পিউটার নেটওয়ার্ক অ্যাড্রেসকে এবং শেষের দু'টি সংখ্যা কম্পিউটার হোস্ট অ্যাড্রেসকে সূচিত করে। এক্ষেত্রে শেষ দু'টি সংখ্যার পরিবর্তন হতে পারে। 0.1-এর জায়গায় অন্য কিছুও ব্যবহার করা যেতে পারে।

192.168.0.1 কোডের অর্থ কী?

আপাতদৃষ্টিতে সংখ্যা মনে হলেও এই কম্পিউটার কোডের একটি আলাদা অর্থ রয়েছে। এক্ষেত্রে 192.168.0.1 কোড টাইপের মাধ্যমে রাউটারের অ্যাডমিনিস্ট্রেটভ ফাংশনের মধ্যে ঢোকা যায়। যদি কোনও নেটওয়ার্কের সমস্যা হয় বা রাউটারের পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করতে হয়, তাহলে এই কোড অত্যন্ত কার্যকরী। উল্লেখ্য, রাউটারের মাধ্যমে কম্পিউটার বা ব্যবহারকারীর ডিভাইজের সঙ্গে ইন্টারনেট যুক্ত করা যায়।

কারা ব্যবহার করেন 192.168.0.1?

যদি কারও কোনও ওয়্যারলেস কানেকশন বা পাসওয়ার্ডে সমস্যা হয়, তাহলে এই নম্বরটি অর্থাৎ 192.168.0.1 ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে দেখতে হবে সংশ্লিষ্ট রাউটারটি এই ধরনের IP অ্যাড্রেস ব্যবহার করে কি না। যদি টেকনোলজি থেকে কয়েক ক্রোশ দূরে থাকতে পছন্দ করেন, তাহলে এই ধরনের কোড নিয়ে খেলা না করাই ভালো। কোডটির নানা ভ্যারিয়েশন অ্যাড্রেশও পাওয়া যায়।

https://twitter.com/nadbmal/status/1360325238953824262?s=20 https://twitter.com/nadbmal/status/1360325763078246401?s=20 https://twitter.com/evilmaverick/status/979124574?s=20 https://twitter.com/Seltaeb9091/status/1361637838735904779?s=20

অনেক সময় দেখা যায়, IT কর্মীদের অনেকেই নানা ধরনের মিমের মধ্যে এই কোডটি ব্যবহার করেন। আর যাঁরা কম্পিউটার ল্যাঙ্গোয়েজ বোঝেন না, তাঁদের নিয়ে বিস্তর মজা চলে। এই কোড ব্যবহার করে অনেক জোকসও রয়েছে। মাঝে মাঝে ট্যুইটে দেখা যায় সেই জোকসগুলি। অনেক সময় তো বড় বড় ভাষাবিদের মাথার উপর দিয়েও বেরিয়ে যায় এই কোডের তর্জমা।

Keywords:

Published by:Debalina Datta
First published: