Home /News /explained /
EXPLAINED: আপনি উপসর্গহীন কোভিড ক্যারিয়ার নন তো? বুঝবেন কী করে? পড়ুন--

EXPLAINED: আপনি উপসর্গহীন কোভিড ক্যারিয়ার নন তো? বুঝবেন কী করে? পড়ুন--

দুটি দক্ষিণ আফ্রিকার গবেষণা থেকে দেখা গিয়েছে, আগের প্রজাতিগুলির তুলনায় ওমিক্রন প্রজাতির ক্ষেত্রে বেশি উপসর্গহীন বাহক রয়েছে

  • Share this:

#নয়াদিল্লি: অভিনেতা-কমেডিয়ান সুনীল গ্রোভার (Sunil Grover) সম্প্রতি একটি ছোট হার্ট অ্যাটাকের (Heart Attack) কারণে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। পরে, হার্ট সার্জারি করার সময় দেখা যায় যে অভিনেতা কোভিড পজিটিভ (Covid Positive) ছিলেন। এই ধরনের আনুষঙ্গিক কোভিড কেসগুলি অতিমারীর শুরু থেকে সাম্প্রতিক সময়ে দেখা গিয়েছে, যখন সংক্রমণের হার বেশি, তবে কম গুরুতর। অভিনেতার মতো অনেকেরই কোনও উপসর্গ থাকছে না, তবে পরীক্ষা করালে রিপোর্ট পজিটিভ আসছে। এই ধরনের ব্যক্তিদের উপসর্গহীন বাহক (Asymptomatic Covid Carrier) বলা হয়। এঁদের কোনও উপসর্গ (Symptoms) দেখা দেয় না, কিন্তু উপসর্গ থাকা রোগীদের মতোই এরা সংক্রামক (Infectious)।

কেন কিছু মানুষ উপসর্গ এবং কিছু মানুষ উপসর্গহীন হয়?

করোনাভাইরাসটি অনেক উপায়ে অত্যন্ত অপ্রত্যাশিত এবং রহস্যময় বলে প্রমাণিত হয়েছে। একই ভাইরাস যেটি অনেকের জীবন কেড়ে নিয়েছে, কখনও কখনও এটি কোনও অসুস্থতা তৈরি করে না, যাকে উপসর্গহীন বলা হয়। অনেক তাত্ত্বিক এবং বিশেষজ্ঞদের মতে, কেন কিছু লোকের উপসর্গ দেখা দেয় এবং অন্যদের মধ্যে কেন দেখা যায় না, তার পিছনে কোনও সঠিক কারণ নেই। তবে মনে করা হয় ভাইরাসের প্রতি শরীরের শক্তিশালী সহজাত রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার (Innate Immune Response) কারণে এটি হয়। আবার কিছু মানুষ আগেই ভাইরাসের সংস্পর্শে আসার কারণে উপসর্গ দেখা যায় না। .

সহজাত অনাক্রম্যতা এমন কিছু যা নিয়ে আমরা জন্মেছি। এটি একটি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা যা সমস্ত অ্যান্টিজেন থেকে আমাদের রক্ষা করে। কিছু মানুষের একটি শক্তিশালী সহজাত ইমিউন প্রতিক্রিয়া আছে বলে বিশ্বাস করা হয়, যা প্রতিরক্ষার প্রথম লাইন। এক্ষেত্রে ভাইরাসের নানা প্রজাতিও কিছু করতে পারে না। আর সেটা হয় অভিযোজিত প্রতিরোধ ব্যবস্থার কারণে, যা নির্দিষ্ট লক্ষ্যযুক্ত অ্যান্টিবডি দ্বারা গঠিত। তাই চিকিৎসকরা বলেন যে একটি শক্তিশালী সহজাত ইমিউন সিস্টেম থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শক্তিশালী রোগ প্রতিরোধ না থাকার কারণেই ডায়াবেটিস, স্থূলতা এবং অন্যান্য দীর্ঘস্থায়ী অসুস্থতায় ভোগা লোকজনের কোভিডে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকে। এছাড়াও, কতটা ভাইরাসের সংস্পর্শে আসা হয়েছে, তা উপসর্গের বিকাশ, কতটা বিকাশ হবে তার নির্ধারণে ভূমিকা পালন করতে পারে। গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে যারা উচ্চ ভাইরাল লোডের সংস্পর্শে এসেছে তাদের কম ভাইরাল লোড এক্সপোজারের তুলনায় বেশি কষ্টদায়ক উপসর্গ রয়েছে।

কোভিড উপসর্গহীন বাহক কি সংক্রামক?

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) অনুসারে, উপসর্গহীন বাহক সনাক্ত হয় ল্যাবরেটরি টেস্টের মাধ্যমে। যেখানে করোনাভাইরাস সংক্রমিত একজন ব্যক্তির কোনও উপসর্গ থাকে না। গ্লোবাল হেলথ এজেন্সি নিশ্চিত করেছে যে সংক্রমিত ব্যক্তিরাও সংক্রমণ ছড়াতে পারে, তাতে উপসর্গ থাকুক বা না থাকুক।

ওমিক্রনে কি বেশি উপসর্গহীন বাহক রয়েছে?

দুটি দক্ষিণ আফ্রিকার গবেষণা থেকে দেখা গিয়েছে, আগের প্রজাতিগুলির তুলনায় ওমিক্রন প্রজাতির ক্ষেত্রে বেশি উপসর্গহীন বাহক রয়েছে। এই প্রজাতি কেন সারা বিশ্বে দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়েছে, এটা থেকেই বোঝা যাচ্ছে। দুটি গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে আগের প্রাদুর্ভাবের তুলনায় বর্তমান ঢেউয়ে সংক্রমণের হার অনেক বেশি। অনুপাতের দিক থেকে উপসর্গহীন বাহকের সংখ্যাও বেশি। ওমিক্রনে সাধারণত ঠান্ডা লাগা, সর্দির মতো উপসর্গ দেখা যায়। তবে সাম্প্রতিক গবেষণা অনুসারে, এটি উপসর্গহীন সংক্রমণের কারণ হতে পারে বলে মনে হয়।

উপসর্গহীন কোভিড রোগী হলে কী করে জানা যাবে?

কোভিড টেস্টিং এখন সময়ের প্রয়োজন। উপসর্গ থাকা এবং উপসর্গহীন উভয় ব্যক্তিই ভাইরাস ছড়াতে পারে, এটা বিবেচনা করে বিশেষজ্ঞরা শরীরে ভাইরাসের উপস্থিতি সনাক্ত করতে র‍্যাপিড অ্যান্টিজেন পরীক্ষা (RAT) বা আরটি-পিসিআর (RT PCR) পরীক্ষা করার পরামর্শ দেন। বর্তমানে, আরটিপিসিআর টেস্ট করোনাভাইরাসের সংক্রমণ সনাক্ত করার সর্বোত্তম উপায়। পরীক্ষার পরে রিপোর্ট না আসা পর্যন্ত নিজেকে বিচ্ছিন্ন করা এবং অন্যদের থেকে নিজেকে দূরে রাখা গুরুত্বপূর্ণ। উপসর্গ না থাকলেও যাদের রিপোর্ট পজিটিভ আসবে তাঁদের আইসোলেশন চালিয়ে যাওয়া উচিত। কারণ এটি ভাইরাসের বিস্তার রোধ করে।

উপসর্গহীনদের কখন টেস্ট করা উচিত?

কোভিড আক্রান্ত রোগীর সংস্পর্শে আসার বিষয়টি জানতে পারার পরই টেস্ট করা উচিত, তাতে উপসর্গ থাকুক বা না থাকুক। এটি কেবল সংক্রমণের শৃঙ্খলকে ভেঙে দেয় না, পরিবারের সবচেয়ে শারীরিকভাবে দুর্বলকে মানুষটি নিরাপদ রাখে এবং সম্ভাব্য গুরুতর অসুস্থতা থেকে সুরক্ষিত রাখে। স্বাস্থ্য আধিকারিকরা যে কোনও উপসর্গকে হালকা ভাবে নিতে বারণ করে চলেছেন, পাশাপাশি আইসোলেশনের (Isolation) গুরুত্ব সম্পর্কেও আবেদন করে চলেছেন।

কীভাবে নিজেকে সঠিকভাবে আইসোলেশন করতে হবে?

সেল্ফ আইসোলেশন মানে ঘরে থাকা এবং বিচ্ছিন্ন হওয়া। এর অর্থ বহির্বিশ্বের সঙ্গে বা কোন ব্যক্তির সঙ্গে কোনও যোগাযোগ না করা। অত্যন্ত সংক্রমণযোগ্য করোনাভাইরাসের সংক্রমণের গতি রুখতে হোম কোয়ারান্টিন (Home Quarantine) এবং আইসোলেশন খুবই প্রয়োজনীয় ও গুরুত্বপূর্ণ উপায় হয়ে উঠেছে। কোভিডের উপসর্গ দেখা দিলে বা কোভিড রোগীর সংস্পর্শে আসার বিষয়টি জানতে পারার সঙ্গে সঙ্গেই নিজেকে আইসোলেট করতে হবে। সংক্রমণ আদৌ হয়েছেন কি না তা নিশ্চিত করার সর্বোত্তম উপায় হল টেস্ট করা। তাই নেগেটিভ রিপোর্ট না আসা পর্যন্ত বিচ্ছিন্ন হয়েই থাকতে হবে।

ভারতে কোভিড রোগীদের জন্য হোম আইসোলেশন নির্দেশিকা

সম্প্রতি কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক (Ministry of Health and Family Welfare, Government of India) হালকা (Mild) এবং উপসর্গহীন (Asymptomatic) কোভিড রোগীদের ক্ষেত্রে হোম আইসোলেশন (Home Isolation) সংক্রান্ত নির্দেশিকা সংশোধন করেছে। এক বিবৃতিতে স্বাস্থ্য মন্ত্রক বলেছে, গত দুই বছরে বিশ্বব্যাপী এবং ভারতে বেশিরভাগ কোভিড রোগীদের মধ্যে কোনও উপসর্গ ছিল না বা খুব হালকা উপসর্গ ছিল। এই ধরনের ক্ষেত্রে সাধারণত রোগীরা বাড়িতেই সুস্থ হয়ে ওঠে চিকিৎসকের নির্দেশিকা এবং পর্যবেক্ষণের অধীনে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সরকার আইসোলেশনের সময়কাল ১০ দিন থেকে কমিয়ে ৭ দিন করেছে সেই সমস্ত রোগীদের, যাদের হালকা উপসর্গ রয়েছে বা একেবারেই উপসর্গ নেই বা যাদের শ্বাসকষ্ট ছাড়াই ৯৩ শতাংশের বেশি অক্সিজেন স্যাচুরেশন (Oxygen Saturation) রয়েছে। করোনা ধরা পড়ার পর কমপক্ষে ৭ দিন পার হওয়ার পরে এবং পর পর ৩ দিন জ্বর না এলে হোম আইসোলেশন শেষ করা যাবে। তবে, তাদের মাস্ক পরা চালিয়ে যেতে হবে। তবে, ঝুঁকিপূর্ণ রোগীদের ক্ষেত্রে এই নিয়ম খাটবে না। তাদের কবে ছাড়া হবে, তা নির্ভর করবে শারীরিক অবস্থার ওপর। আর যাদের অক্সিজেনের প্রয়োজন পড়বে, তাদের শারীরিক অবস্থা বিচার করে হাসপাতাল থেকে ছুটি দেওয়া হবে। নির্দেশিকায় বলা হয়েছে টানা ৩ দিন জ্বর, শ্বাসকষ্ট, অক্সিজেন স্যাচুরেশন যদি ৯৩ শতাংশের থেকে কমে যায়, বুকে ব্যথা থাকে, কোনও মানসিক বিভ্রম হয়, অস্বাভাবিক ক্লান্তি থাকে, তাহলে হোম আইসোলেশনে থাকলে হবে না- হাসপাতালে যেতে হবে এবং চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। আক্রান্তের সংস্পর্শে আসা লোকজনের টেস্ট করার প্রয়োজন নেই বরং হোম কোয়ারান্টিনে থাকলেই চলবে।

কাকে টেস্ট করতে হবে, কাকে করতে হবে না?

কেন্দ্রের সংশোধিত নির্দেশিকা অনুসারে, কোভিড পজিটিভ রোগীদের ঘনিষ্ঠ সংস্পর্শে আসা লোকেদের জন্য টেস্ট করা বাধ্যতামূলক নয়, যদি না তারা উচ্চ ঝুঁকি শ্রেণীর লোকেদের মধ্যে পড়ে। তা ছাড়া উপসর্গহীন ব্যক্তি, যাঁরা সবেমাত্র হোম আইসোলেশন সম্পন্ন করেছেন এবং যাঁরা আন্তঃরাজ্য ভ্রমণ করছেন তাঁদের নতুন সরকারি নিয়ম অনুযায়ী আরটি-পিসিআর টেস্টের (RT-PCR Test) প্রয়োজন নেই। যাঁদের জ্বর, কাশি, গলা ব্যথা এবং গন্ধ ও স্বাদের অনুভূতির না থাকার মতো উপসর্গগুলি রয়েছে, যাঁদের পূর্বের রোগ (Comorbidities) রয়েছে এবং যাঁরা আন্তর্জাতিক ভ্রমণ করেছে, তাদের টেস্ট করার প্রয়োজন হতে পারে। এছাড়াও উপসর্গহীন ব্যক্তিদের মধ্যে যাঁরা হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, এমনকী সার্জারির ক্ষেত্রেও যদি না উপসর্গ দেখা যায়, টেস্ট করানোর প্রয়োজন নেই। প্রসবের জন্য হাসপাতালে ভর্তি থাকা গর্ভবতী মহিলাদেরও (Pregnant Women) টেস্ট করার দরকার নেই যদি না উপসর্গ থাকে।

ভারতে কত ধরনের কোভিড টেস্ট করা যায়?

কোভিড টেস্টগুলি আমাদের সিস্টেমে করোনাভাইরাস (Coronaviru) সনাক্ত করার একটি কার্যকর পদ্ধতি। টেস্টগুলি সক্রিয় রোগীর সংখ্যা নিশ্চিত করতে সাহায্য করে, তা সে উপসর্গ থাকুক বা না থাকুক। দুটি প্রাথমিক ধরনের কোভিড টেস্ট রয়েছে, যা ডায়াগনস্টিক টেস্ট এবং অ্যান্টিবডি টেস্ট নামে পরিচিত। ডায়াগনস্টিক টেস্ট মানুষের শ্লেষ্মা এবং লালায় সক্রিয় করোনভাইরাস সংক্রমণ সনাক্ত করে। অন্যদিকে, শরীর ইতিমধ্যেই ভাইরাসের মুখোমুখি হয়েছে কি না তা জানা যায় অ্যান্টিবডি টেস্টের মাধ্যমে।

মলিকিউলার টেস্ট (Molecular Test): মলিকিউলার টেস্ট পিসিআর (পলিমারেজ চেইন রিঅ্যাকশন) নামেও পরিচিত, এটি একটি সক্রিয় করোনভাইরাস সংক্রমণ সনাক্ত করার জন্য সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য এবং সঠিক টেস্ট। এই টেস্টের জন্য সোয়াব ব্যবহার করে নাক এবং গলা থেকে শ্লেষ্মা সংগ্রহ করতে হয়। কোভিড-১৯ সনাক্ত করার জন্য আরটি-পিসিআর টেস্টকে ‘গোল্ড স্ট্যান্ডার্ড’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ওমিক্রনের উত্থানের মধ্যে এই টেস্টের গ্রহণযোগ্যতা আরও বেড়েছে। আরটি-পিসিআর টেস্ট একটি প্যাথোজেনের মধ্যে নির্দিষ্ট জেনেটিক উপাদানের উপস্থিতি সনাক্ত করে। নভেল করোনাভাইরাসের ক্ষেত্রে বেশিরভাগ টেস্টগুলি ভাইরাসের স্পাইক প্রোটিনের জিন খুঁজে বের করে। এই স্পাইক প্রোটিনকেই (Spike Protein) মানুষের কোষকে আক্রমণ করতে ভাইরাস ব্যবহার করে।

র‍্যাপিড অ্যান্টিজেন পরীক্ষা (Rapid Antigen Test): র‍্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্ট, যা অ্যান্টিজেন টেস্ট নামেও পরিচিত। এটি ভাইরাস সনাক্ত করার একটি দ্রুত এবং সস্তা উপায়। মাত্র ১৫-৩০ মিনিটের মধ্যে রিপোর্ট পাওয়া যায়। তবে, এটা বলা যায় না যে সেগুলি ১০০ শতাংশ সঠিক। র‍্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্ট থেকে ভুল ফলাফল পাওয়ার সম্ভাবনা থাকতে পারে। বাড়িতে অ্যান্টিজেন পরীক্ষা যতটা সুবিধাজনক বলে মনে হয়, পিসিআর টেস্টের তুলনায় দ্রুত এটির রিপোর্ট ভুল হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি। কেন এটি ঘটে তার পিছনে একটি বড় কারণ হল অ্যান্টিজেন পরীক্ষা শুধুমাত্র প্রোটিন অংশ দেখে, সম্পূর্ণ ভাইরাস আরএনএ নয়। সুতরাং, কোনও ডায়াগনস্টিক ভুল এড়াতে অন্য পদ্ধতিতে টেস্ট করে নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ, বিশেষ করে একটি আরটি-পিসিআর টেস্ট (RT-PCR)।

অ্যান্টিবডি টেস্ট (Antibody test): অ্যান্টিবডি টেস্ট সক্রিয় করোনভাইরাস সংক্রমণ সনাক্ত করতে পারে এবং অতীতে কেউ ভাইরাসে সংক্রমিত হয়েছে কি না তাও জানাতে পারে। যাই হোক, সংক্রমণ শুরু হওয়ার অন্তত কয়েক দিন পর পর্যন্ত অ্যান্টিবডি সনাক্ত করা সম্ভব নয়। অ্যান্টিবডি টেস্টের রিপোর্ট দ্রুত পাওয়া যায় না।

কোভিড বিধি মেনে চলা জরুরি: টিকা নেওয়া হোক বা না হোক, বর্তমানে সবাই সংক্রমণ প্রবণ। প্রাপ্তবয়স্ক, শিশু এবং বয়স্ক, সবাই করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকিতে রয়েছে। কারণ ভাইরাসটিই অত্যন্ত সংক্রামক। যারা বয়স্ক এবং আগে থেকেই কোনও রোগে আক্রান্ত বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম, তাদের সংক্রমণের ঝুঁকি বেশি। তাই কোভিড বিধি ও অন্য সব সুরক্ষা বিধি মেনে চলতে হবে। নতুন প্রজাতি ওমিক্রনও অত্যন্ত সংক্রমণযোগ্য এবং টিকা প্রতিরোধ ক্ষমতা এড়াতে পারে। এটা বিবেচনা করে অবশ্যই সতর্ক থাকতে হবে, মাস্ক (Mask) পরতে হবে। অন্য লোকেদের থেকে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে। টিকা অবশ্যই নিতে হবে। যারা বুস্টার ডোজ পাওয়ার যোগ্য তাদের এটা অবশ্যই নিতে হবে।

First published:

Tags: Coronavirus

পরবর্তী খবর