Home /News /explained /
Booster Dose: বুস্টার ডোজ হিসেবে দেওয়া হতে পারে কর্বেভ্যাক্স, এই টিকা সম্পর্কে জানুন বিশদে!

Booster Dose: বুস্টার ডোজ হিসেবে দেওয়া হতে পারে কর্বেভ্যাক্স, এই টিকা সম্পর্কে জানুন বিশদে!

করোনা ভ্যাকসিনের বুস্টার ডোজ সংক্রান্ত জরুরি তথ্য

করোনা ভ্যাকসিনের বুস্টার ডোজ সংক্রান্ত জরুরি তথ্য

Booster Dose: এই টিকা ইতিমধ্যেই জরুরি ব্যবহারের জন্য ভারতের ওষুধ নিয়ন্ত্রকের থেকে অনুমোদন পেয়েছে।

  • Share this:

#নয়াদিল্লি: ভারতে কোভিড টিকার বুস্টার (Booster Dose) বা সতর্কতামূলক ডোজ (Precaution Dose) দেওয়া শুরু হয়েছে বেশ কয়েকদিন হয়ে গেল। আগে দুটি ডোজ যে টিকার নেওয়া হয়েছে, সেই একই টিকার তৃতীয় ডোজই দেওয়া হচ্ছে যোগ্য ব্যক্তিদের। যদিও বিশ্বের বেশ কয়েকটি দেশ বুস্টার ডোজের জন্য টিকার মিশ্রণের অনুমতি দিয়েছে। তবে, ভারত শুরুতেই এই জাতীয় নীতির বিরুদ্ধে সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলেছেন যে এই ধরনের পদক্ষেপকে সমর্থন করার জন্য আরও ডেটা প্রয়োজন। এখন একটি ট্রায়াল চলছে, যেখানে কোভিশিল্ড বা কোভ্যাক্সিন পাওয়া স্বেচ্ছাসেবকদের কর্বেভ্যাক্স (Corbevax) টিকার তৃতীয় ডোজ দেওয়া হবে। এই টিকা ইতিমধ্যেই জরুরি ব্যবহারের জন্য ভারতের ওষুধ নিয়ন্ত্রকের থেকে অনুমোদন পেয়েছে।

সতর্কতামূলক' শট কি?

প্রধানমন্ত্রী টিকার তৃতীয় শটকে "সতর্কতামূলক ডোজ" হিসাবে রোল আউট করার জন্য ঘোষণা করেছেন। তিনি তৃতীয় শটকে 'বুস্টার' (Booster) ডোজ বলেননি। যদিও বিশ্বজুড়ে এটি এই নামেই পরিচিত। প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন যে স্বাস্থ্যসেবা, করোনাযোদ্ধা এবং ৬০ বছর বা তার বেশি বয়সি কোমর্বিটিডি থাকা নাগরিকরা তৃতীয় শট পাবে। ধারণাটি হল যে ডোজটি প্রচুর সতর্কতার বিষয় হিসাবে দেওয়া হচ্ছে। কারণ হল যে ভারতীয়দের ইতিমধ্যেই হাইব্রিড অনাক্রম্যতা (Hybrid IImmunity) রয়েছে। একটি সরকারি সূত্র নিউজ ১৮-কে বলেছে, 'সতর্কতামূলক ডোজ' ব্র্যান্ডিং ব্যাখ্যা করে। ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশন (WHO) বুস্টার ডোজ হিসাবে সংজ্ঞায়িত করে। অতিরিক্ত একটি টিকা এমন ব্যক্তিকে দেওয়া হয় যে টিকার প্রাথমিক সিরিজ (Primary Vaccination Series) নিয়েছে। এবং যখন সময়ের সঙ্গে সঙ্গে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এবং সুরক্ষা নিচে নেমে গিয়েছে মনে করা হয়। বুস্টার শটের লক্ষ্য হল টিকার কার্যকারিতা (Vaccine Effectiveness) পুনরুদ্ধার করা।"

আরও পড়ুন :  করোনা টিকা উৎপাদন করে নতুন আলোর দিশা, পদ্মভূষণ পাচ্ছেন সাইরাস পুনাওয়ালা, কৃষ্ণ ও সুচিত্রা এল্লা

কর্বেভ্যাক্স কী ধরনের টিকা?

কর্বেভ্যাক্স টিকা তৈরি করেছে হায়দরাবাদের বায়োলজিক্যাল ই. লিমিটেড (Biological E. Ltd)। এক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানটি টেক্সাসের টেক্সাস চিলড্রেনস হসপিটাল সেন্টার ফর ভ্যাকসিন ডেভেলপমেন্ট (Children’s Hospital Centre for Vaccine Development) এবং টেক্সাসের হিউস্টনে বেলর কলেজ অফ মেডিসিনের (Baylor College of Medicine) সহযোগিতা নেওয়া হয়েছে। কর্বেভ্যাক্স টিকা ভারতের প্রথম দেশীয়ভাবে তৈরি প্রোটিন সাবইউনিট টিকা। গত বছরের ডিসেম্বরের শেষের দিকে এই টিকার জরুরি ব্যবহারের জন্য অনুমোদন পেয়েছে। রিকম্বিন্যান্ট প্রোটিন সাবইউনিট ভ্যাকসিন (Recombinant Protein Subunit Vaccine) লেবেলযুক্ত কর্বেভ্যাক্স হেপাটাইটিস শটের মতো একই প্ল্যাটফর্মে দাঁড়িয়ে আছে, যার অর্থ এটি একটি পরীক্ষিত টিকা ভ্যাকসিন (Booster Dose), এমআরএনএ (ফাইজার-বায়োএনটেক, মডার্না) এবং নন রিপ্লেকেটিং ভাইরাল ভেক্টর (কোভিশিল্ড, স্পুটনিক ভি) টিকার মতো নয়।

গ্যাভির (Gavi) মতে, "সমস্ত ভ্যাকসিন শরীরকে টার্গেট প্যাথোজেন (Pathogen) থেকে অণুতে উন্মুক্ত করে একটি ইমিউন প্রতিক্রিয়া ট্রিগার করে কাজ করে - তবে এক্সপোজারের পদ্ধতি পরিবর্তিত হয়।" সুতরাং, যখন একটি mRNA টিকা একটি ইমিউন প্রতিক্রিয়া ট্রিগার করার জন্য প্যাথোজেন থেকে শুধুমাত্র জেনেটিক কোড ইনসার্ট করায়, একটি সাবইউনিট টিকা শুধুমাত্র ভাইরাসের একটি অংশের উপর নির্ভর করে সেই প্রভাবটি অর্জন করে যা এই ক্ষেত্রে এটির স্পাইক প্রোটিন (Spike protein)।

নোভেল করোনাভাইরাস (Novel Coronovirus) স্পাইক প্রোটিন ব্যবহার করে মানুষের কোষে আটকাতে। করোনাভাইরাস থেকে শুধুমাত্র এই স্পাইক প্রোটিন মানবদেহে ঢোকানোর মাধ্যমে একটি ইমিউন রেসপন্স (Immune Response) আনার লক্ষ্যে কর্বেভ্যাক্স কাজ করে। কেউ যদি এই টিকার সুরক্ষা নিয়ে চিন্তিত থাকে, তবে মনে রাখতে হবে যে এটি শুধুমাত্র স্পাইক প্রোটিনের উপর নির্ভর করে এবং বাকি ভাইরাসের উপর নয়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন যে যেহেতু এই টুকরোগুলি রোগ সৃষ্টি করতে অক্ষম, তাই সাবইউনিট টিকাকে খুব নিরাপদ বলে মনে করা হয়।

আরও পড়ুন :  বাংলায় নিম্মমুখী করোনা-গ্রাফ, কমছে সংক্রমণের হার, চিন্তা বাড়াচ্ছে মৃত্যু!

যেহেতু সাবইউনিট টিকা ভাইরাসের শুধুমাত্র একটি অংশ ব্যবহার করে, সেগুলির ফলে একটি দুর্বল ইমিউন প্রতিক্রিয়া হতে পারে এবং তাই সহায়ক (প্রতিরোধী সিস্টেমকে উদ্দীপিত করে) এবং বুস্টার ডোজ প্রয়োজন হতে পারে। বায়োলজিক্যাল ই. লিমিটেড জানিয়েছে, তৃতীয় পর্যায়ের ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে কর্বেভ্যাক্স কোভিশিল্ডের তুলনায় উচ্চতর প্রতিরোধ ক্ষমতা প্রদর্শন করেছে। উহান স্ট্রেন এবং বিশ্বব্যাপী প্রভাবশালী ডেল্টা প্রজাতির বিরুদ্ধেও এটি কার্যকর বলে প্রমাণিত।

করোনাভাইরাসের মূল উহান স্ট্রেনের (Wuhan Strain) বিরুদ্ধে টিকারটি কার্যকারিতা ৯০ শতাংশের বেশি এবং ডেল্টা প্রজাতির (Delta Variant) বিরুদ্ধে এটি ৮০ শতাংশেরও বেশি কার্যকর ছিল। রিপোর্টে বলা হয়েছে যে ওমিক্রন প্রজাতির (Omicron Variant) বিরুদ্ধে এর কার্যকারিতা মূল্যায়ন করা হচ্ছে।

বায়োলজিক্যাল ই বলেছে যে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলিতে টিকাকরণের জন্য তাদের টিকা খুব কাজে লাগে। এটি ভারতেও খুবই কম দামে পাওয়া যেতে পারে। এই টিকার দু'টি ডোজের দাম ৪০০ টাকা হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। যেখানে কোভিশিল্ডের (Covishield) একটি ডোজ প্রায় ৩০০-৪০০ টাকা দাম। রাশিয়ান স্পুটনিক-ভি (Sputik V)-র দাম প্রায় ১ হাজার টাকা। অন্যদিকে, কোভ্যাক্সিনের দু'টি ডোজের জন্য প্রায় ১ হাজার ৪০০ টাকা খরচ হয়।

কোভিশিল্ড ও কোভ্যাক্সিন কী ধরনের টিকা?

অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি (Oxford University) এবং অ্যাস্ট্রাজেনেকার (AstraZeneca) কোভিশিল্ড টিকা ভারতে সেরাম ইনস্টিটিউট (Serum Institute of India) তৈরি করছে ভাইরাল-ভেক্টর প্ল্যাটফর্মের উপর ভিত্তি করে। এই জাতীয় টিকাগুলি (Vaccine) মানুষের শরীরে ঢোকা ক্ষতিকারক অ্যান্টিজেনক টার্গেট করে। করোনাভাইরাসের ক্ষেত্রে এই অ্যান্টিজেন হল স্পাইক প্রোটিন। মানুষের শরীরের ভাইরাস নয়, তৈরি হচ্ছে শিম্পাঞ্জির শরীর থেকে নেওয়া এক ধরনের ভাইরাসের প্রোটিন স্পাইক থেকে। যেটা ধরে নেওয়া হচ্ছে করোনা ভাইরাসের (Coronavirus) মতো। তাই সেটা শরীরে গেলে অ্যান্টিবডি তৈরি হবে এবং আসল ভাইরাস আক্রমণ করলে আপনার শরীরে সেটার সঙ্গে ল়ড়াই করতে পারবে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ চন্দ্রকান্ত লাহরিয়া বলেছেন যে শিম্পাঞ্জির অ্যাডেনোভাইরাস (Chimpanzee Adenovirus) ব্যবহার করা হয়েছে। কারণ মানুষের শরীরে এই অ্যাডেনোভাইরাসের বিরুদ্ধে অ্যান্টিবডি আগে থেকে থাকবে না। তিনি আরও যোগ করেছেন যে বর্তমানে কোভিড টিকাগুলিতে যে অ্যাডেনোভাইরাসগুলি ব্যবহার করা হচ্ছে, তা নন-রিপ্লিকেটিং, যার অর্থ টিকাতে থাকা ভাইরাস সংখ্যাবৃদ্ধি করে না।

অন্য দিকে, ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিক্যাল রিসার্চের (Indian Council of Medical Research) সহযোগিতায় ভারত বায়োটেক (Bharat Biotech) কোভ্যাক্সিন তৈরি করেছ। এই ধরনের নিষ্ক্রিয় টিকা ভাইরাসের স্ট্রেন থেকে তৈরি হচ্ছে। যেহেতু এই ভাইরাস (Coronavirus) মানুষের শরীরে কী ভাবে প্রভাব ফেলে সেটা জানা হয়ে গিয়েছে, তাই রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতাও সেই অনুযায়ী তৈরি হবে বলে ধরে নেওয়া হচ্ছে। ইউএস-ভিত্তিক থিঙ্ক ট্যাঙ্ক মিলকেন ইনস্টিটিউটের মতে, এই টিকা দিয়ে রোগ সৃষ্টিকারী ভাইরাসকে মেরে ফেলা হয়েছে (তাপ বা রাসায়নিক দিয়ে), তাই এটি আপনাকে অসুস্থ করে তুলবে না। যাদের শরীরে আগেই থেকেই রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম, তাদের এই টিকা দেওয়া সবচেয়ে কাজের। এই ধরনের টিকা অন্য টিকার মতো শক্তিশালী প্রতিরোধ ক্ষমতা প্রদান করে না। তাই অতিরিক্ত ডোজ নেওয়ার প্রয়োজন হয়।

টিকা মিশ্রণ কী?

তৃতীয় ডোজ দেওয়া শুরুর আগে ভারতে বিশেষজ্ঞরা মতামত দিয়েছিলেন যে দু'টি প্রাথমিক ডোজের জন্য ব্যবহৃত টিকা থেকে ভিন্ন একটি টিকা নেওয়া (Booster Dose) উচিত যাতে, আরও শক্তিশালী ইমিউন প্রতিক্রিয়া নিশ্চিত করা যায়। সিএসআইআর ইনস্টিটিউট অফ জিনোমিক্স অ্যান্ড ইন্টিগ্রেটিভ বায়োলজির ডিরেক্টর অনুরাগ আগরওয়াল (Anurag Agrawal) বলেছিলেন যে কোভোভ্যাক্স (Covovax) একটি প্রোটিন সাবইউনিট টিকা, বুস্টার ডোজ হিসাবে এটির আরও বেশি কার্যকারিতা রয়েছে কোভিশিল্ডের চেয়ে। যদিও অনুরাগ স্পষ্ট করেছেন যে তিনি মনে করেন না যে স্পাইক প্রোটিনের উপর ভিত্তি করে তৈরি টিকার অনুমোদিত সংস্করণ নতুন ওমিক্রন প্রজাতির বিরুদ্ধে সরাসরি খুব কার্যকর হবে। ব্রিটেনে হওয়া একটি ট্রায়ালের উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি বলেছিলেন যে কোভিশিল্ডের দু'টি ডোজ নেওয়ার পরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি নিষ্ক্রিয় ভাইরাস টিকার চেয়ে অনেক বেশি ছিল। এছাড়াও, প্রজাতি-নির্দিষ্ট ইমিউন প্রতিক্রিয়ার জন্য প্রোটিনের দ্রুত পরিবর্তন সম্ভব।

আরও পড়ুন : অ্যান্টিবায়োটিক খেয়ে কি কমানো যাবে কোভিডের কাশি? কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা?

নীতি আয়োগের সদস্য (স্বাস্থ্য) ভি কে পল দেশের বুস্টার নীতি ঘোষণা করার সময় বলেছিলেন যে তৃতীয় ডোজটির জন্য একটি পৃথক টিকা নেওয়ার ক্ষেত্রে নীতিগতভাবে কোনও সমস্যা না থাকলেও, এই মুহূর্তে পর্যাপ্ত ডেটা উপলব্ধ নেই। এমন পদ্ধতির কার্যকারিতা নিয়ে ভারত, এমনকি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কাছেও ডেটার অভাব রয়েছে। ইজরায়েল (Israel) এই বছরের জুলাই মাস থেকে বুস্টার ডোজ দিতে শুরু করে। যার অর্থ হল বিশ্বের যে কোনও জায়গায় তৃতীয় ডোজ প্রথম দেওয়া হয়েছিল কমপক্ষে ছয় আগেই। বিশ্ব স্বাস্থ্য সস্থা বলেছে যে প্রাথমিক টিকাকরণের পর তৃতীয় ডোজ বা বুস্টার ডোজ নিলে শরীরে অ্যান্টিবডি স্তরের (Antibody Levels) উন্নতি হয়। তারা আরও বলেছে যে একই টিকার তৃতীয় ডোজ বা অন্য টিকার তৃতীয় ডোজ নেওয়া যেতে পারে। সমজাতীয় (Homologous) এবং ভিন্নধর্মী (Heterologous) বুস্টার, উভয় পদ্ধতিই কার্যকর। সমজাতীয় হল একই টিকার একটি তৃতীয় ডোজ, যা প্রথম দুটি ডোজে ব্যবহার করা হয়েছিল। অন্যদিকে ভিন্নধর্মী বুস্টার প্রাথমিক সিরিজে ব্যবহৃত টিকা না হয়ে অন্য টিকাকে বোঝায়।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট (USA) ১৮ বছর বা তার বেশি জনসংখ্যার জন্য বুস্টার অনুমোদন করেছে। দেশে ব্যবহৃত যে কোনও টিকার তৃতীয় শট (Booster Dose) নেওয়া যায়। ভারতে বুস্টার মিশ্রিত না করার আরেকটি কারণ হতে পারে পর্যাপ্ত পরিমাণে টিকা না থাকা। ভারতে বেশিরভাগ লোককে কোভিশিল্ড টিকা দেওয়া হয়েছে, ১.৩২ বিলিয়নেরও বেশি ডোজ দেওয়া হয়েছে। বুস্টার মিশ্রিত করার অর্থ এই পরিমাণ লোককে তাদের তৃতীয় ডোজের জন্য কোভ্যাক্সিন বা স্পুটনিক-ভি টিকার একটি শট দিতে হবে।

বায়োলজিক্যাল ই গত বছরের ডিসেম্বরে বলেছিল যে তারা নতুন বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে প্রতি মাসে ১০০ মিলিয়নের বেশি ডোজ উৎপাদনের আশা করছে এবং শীঘ্রই বিশ্বব্যাপী এক বিলিয়নেরও বেশি অতিরিক্ত ডোজ সরবরাহ করার পরিকল্পনা করছে। জানা গিয়েছে, কেন্দ্রীয় সরকার ইতিমধ্যেই ৩০ কোটি কর্বেভ্যাক্স টিকার অগ্রিম অর্ডার দিয়েছে।

Published by:Sanjukta Sarkar
First published:

Tags: Corona Booster Dose, Covid vaccine

পরবর্তী খবর