লাভ লেটার লিখল শাহিদের ছোট্ট মেয়ে মিশা, সোশ্যাল মিডিয়া ভাসছে আবেগে

লাভ লেটার লিখল শাহিদের ছোট্ট মেয়ে মিশা, সোশ্যাল মিডিয়া ভাসছে আবেগে

লাভ লেটার লিখল শাহিদের ছোট্ট মেয়ে মিশা, সোশ্যাল মিডিয়া ভাসছে আবেগে!

সম্প্রতি একটা আবেগঘন পোস্ট দেখা গিয়েছে তারকা-স্ত্রীর ইনস্টা হ্যান্ডেলে।

  • Share this:

#মুম্বই: শাহিদ কাপুরের (Shahid Kapoor) স্ত্রী মীরা রাজপুত (Mira Rajput) সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ অ্যাক্টিভ। নানা ধরনের পোস্ট করে লাইমলাইটে সব সময় থাকেন। মীরা তাঁর প্রতি দিনের জীবনের নানা মুহূর্তের ছবি এবং ভিডিও পোস্ট করেন তাঁর অনুরাগীদের জন্য। মীরার দুই সন্তান মিশা কাপুর (Misha Kapoor) এবং জাইন কাপুর (Zain Kapoor), তাদের দেখভাল করতে করতে কেটে যায় সারা দিন। সম্প্রতি একটা আবেগঘন পোস্ট দেখা গিয়েছে তারকা-স্ত্রীর ইনস্টা হ্যান্ডেলে। ছবিটিতে ছোট্ট মিশা তার দিদা নীলিমা আজিমকে (Neliima Azeem) একটি চিঠি লিখছে। লকডাউনের সময় শাহিদ এবং মীরা যখন তাঁদের ফার্মহাউসে সন্তানদের নিয়ে সময় কাটাচ্ছিলেন, তখন মিশা হয় তো তার দিদাকে বেশি করে মনে করছিল। কারণ ওই ইনস্টা পোস্টটিতে একটি ডায়রির পাতায় মিশা তাঁর ছোট ছোট আঙুল দিয়ে একটি আন্তরিক নোট লিখেছিল। যাতে লেখা আছে, "প্রিয় দিদা, আমি তোমাকে মিস করছি। তুমি ফ্রি থাকলে ফোন করো, তোমার ভালোবাসার মিশা”। এই ছবিটি Instagram-এ শেয়ার করার সময় মীরা 'লাভ লেটারস' ক্যাপশন দিয়েছেন।

নেটমাধ্যমে এই ছবিটি প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গেই মীরার ফ্যানেরা ভালবাসায় ভরিয়ে দিয়েছেন। নেটিজেনরা হার্ট ইমোজি বন্যা বইয়ে দিয়েছেন। অভিনেত্রী মৃণাল ঠাকুরও (Mrunal Thakur) পোস্টটিতে মন্তব্য করেছেন। মীরার সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টগুলি বারে বারে প্রমাণ করে যে তিনি একজন গর্বিত মা। তিনি প্রায়শই সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁর সন্তানদের প্রতিভা প্রকাশ করেন। সম্প্রতি তিনি নিজের একটি ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেছেন। তার ক্যাপশনে তিনি লিখেছিলেন যে এই সুন্দর স্ন্যাপটি ছোট্ট মিশা ক্লিক করেছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন তাঁর প্রিন্সেস ক্যামেরা দিয়ে কী ভাবে ভালো ছবি তুলতে হয় তা রপ্ত করতে পেরে গিয়েছে, যা তাঁকে মা হিসাবে গর্বিত করে তুলছে। তিনি আরও লিখেছেন যে তিনি সব সময় মিশার পাশে এই ভাবেই থাকবেন।

শাহিদ ও মীরা ২০১৫ সালে গাঁটছড়া বাঁধেন এবং তার ঠিক এক বছর পরে ২০১৬ সালে মিশার জন্ম হয়। এই দম্পতি দ্বিতীয় সন্তান জাইন মিশার থেকে দুই বছরের ছোট।

Published by:Rukmini Mazumder
First published: