অনলাইন আড্ডায় গান শোনাবেন, কথা বলবেন, কোভিড আক্রান্তদের মন ভাল করতে মুশকিল আসান লোপামুদ্রা

লোপামুদ্রা মিত্র, ছবি-ফেসবুক

নির্দিষ্ট সময়ে আপনার ফোনে পৌঁছে যাবে মিটিংয়ের লিঙ্ক ৷ সেখানে ক্লিক করেই পৌঁছে যাবেন শিল্পীর কাছে ৷ আড্ডায় যোগদানের জন্য কোনও প্রবেশমূল্য নেই ৷

  • Share this:
    কোভিড আক্রান্ত হয়ে দিন কাটছে নিভৃতবাসে? বিষণ্ণ প্রাণে গান নাই? আপনার মন কিছুটা হলেও ভাল করার দায়িত্ব নিয়েছেন লোপামুদ্রা মিত্র ৷ শিল্পী এ বার হাজির হবেন কোভিড রোগীদের ভারাক্রান্ত মনের মুশকিল আসান হিসেবে ৷ তাঁর সঙ্গে কথা বলে, তাঁর গান শুনে কাটাতেই পারেন নিভৃতবাসের কিছু মুহূর্ত ৷ ‘‘আমি তো আর মনোবিদ নই৷ মানসিক সমস্যা দূর করতে পারব না৷ কিন্তু মনটা ভাল রাখতে সাহায্য করতে পারি ৷ এই সময়ে মনে হল সকলের পাশে থাকা খুব প্রয়োজন ৷ তাই যেটুকু আমার সাধ্য সেটুকুই করছি৷’’ বললেন শিল্পী ৷ যদি মনে করেন লোপামুদ্রার গানে আপনার ধূসর সময়ে কিছুটা হলেও রং লাগতে পারে, তাহলে ৯৮৩০৯৯৯৩২৪ নম্বরে হোয়াটসঅ্যাপ করে নিজের নাম নথিভুক্ত করুন৷ নির্দিষ্ট সময়ে আপনার ফোনে পৌঁছে যাবে মিটিংয়ের লিঙ্ক ৷ সেখানে ক্লিক করেই পৌঁছে যাবেন শিল্পীর কাছে ৷ আড্ডায় যোগদানের জন্য কোনও প্রবেশমূল্য নেই ৷ লোপামুদ্রা জানালেন, ‘‘এই আড্ডা সীমাবদ্ধ থাকবে শুধু তাঁদের এবং আমার মধ্যে ৷ তাঁদের নিভৃত পরিসরকে আমি সম্মান করি৷’’ বুধবার, ১৯ মে সন্ধে থেকে শুরু হবে লোপামুদ্রার এই প্রয়াস ৷ প্রতি বার দশ থেকে বারো জনের সঙ্গে কথা বলবেন লোপামুদ্রা ৷ ইতিমধ্যে ভাল সাড়া পেয়েছেন প্রয়াসে, জানালেন লোপামুদ্রা ৷ কিন্তু যাঁরা নিভৃতবাসে নেই, কোভিডে আক্রান্ত নন, তাঁদেরও তো এই অতিমারিতে মন খারাপ ৷ তাঁরা কি পারবেন এই আড্ডার শরিক হতে? শিল্পীর উত্তর, ‘‘ তাঁদের জন্য তো মনোবিদরা আছেনই৷ আমার মনে হয় তাঁদের ক্ষেত্রে আমার কাছে না এসে মনোবিদদের কাছে যাওয়াই ভাল৷ বিভিন্ন সংস্থার উদ্যোগে তো কাউন্সেলিং চলছে এখন৷ আমি শুধু কোভিড আক্রান্তদের কথা ভেবেই এই প্রয়াস শুরু করতে চলেছি ৷’’ আপাতত ‘চারণ’-এ লোপামুদ্রা একাই থাকছেন ৷ তবে অন্য কোনও শিল্পী যদি এই প্রয়াসে শরিক হতে চান, স্বচ্ছন্দে আসতে পারেন৷ জানিয়েছেন লোপামুদ্রা ৷ তাই, প্রাণে গান না থাকলে মিছে আর বাঁশিতে সে গান খুঁজে ফিরতে যাবেন না ৷ নিভৃতবাসে আপনার স্মার্টফোনই পৌঁছে দেবে লোপামুদ্রা মিত্রের কণ্ঠে সাত সুরে মন ভাল করার ঠিকানায় ৷
    Published by:Arpita Roy Chowdhury
    First published: