বিনোদন

corona virus btn
corona virus btn
Loading

আমির খানের মেয়ে ইরাকেও ছাড়লেন না কঙ্গনা ! আমির-রিনার বিচ্ছেদ নিয়ে প্রশ্ন তুললেন !

আমির খানের মেয়ে ইরাকেও ছাড়লেন না কঙ্গনা ! আমির-রিনার বিচ্ছেদ নিয়ে প্রশ্ন তুললেন !

আমির খানকেই দুষেছেন তিনি। মেয়ের মানসিক অবসাদের কারণ আসলে বাবা-মা।

  • Share this:

#মুম্বই: মানসিক অবসাদ। গোটা দুনিয়ার কাছে দিন দিন চিন্তার বিষয় হয়ে যাচ্ছে এই ডিপ্রেশন। বহু মানুষ অবসাদের বশে আত্মহত্যাও করে নিচ্ছেন। তাঁর সব থেকে বড় উদাহরণ সুশান্ত সিং রাজপুত। বলিউডে বিগত চার মাস ধরে সুশান্তের মৃত্যুতে হই-চই শুরু হয়েছে। অনেকগুলো কারণের সঙ্গে মাথা চারা দিয়ে উঠেছে অবসাদের মতো কারণ। জানা গিয়েছে অনেকেই আক্রান্ত মানসিক অবসাদে। তাই বলে আমির খানের মেয়ে ইরা ? হ্যাঁ বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবসে ইরা নিজে একটি ভিডিও পোস্ট করে জানিয়েছেন তিনি মানসিক অবসাদে ভুগেছেন চার বছর ধরে। এর পরই ফের ক্ষেপে উঠলেন কঙ্গনা রানাওয়াত।

তিনি ইরার ভিডিওটি নিয়ে রি-ট্যুইট করে লেখেন, "১৬ বছর বয়সে একা লোকজনের সঙ্গে মারপিট করছিলাম। আ্যাসিডে পুরে যাওয়া বোনের জন্য লড়ছিলাম। তাঁর খেয়াল রাখতে হচ্ছিল। এখানে অবসাদের অনেক কারণ আছে। কিন্তু যাদের জীবনে এসব কিছুই নেই, তারাও কি করে অবসাদে ভোগে? আসলে এর জন্য পরিবার দায়ী। বাবা মা সঙ্গ না দিলে এমন হয়। ভাঙা পরিবারে বেড়ে ওঠাটা বাচ্চাদের জন্য মুশকিলের। আমাদের পুরনো পরিবার তন্ত্রই ভালো ছিল"

এই ভিডিও ও লেখার মাধ্যমে অমির খান ও রিনার বিচ্ছেদের কথাই বলতে চেয়েছেন কঙ্গনা। পরোক্ষভাবে আমির খানকেই দুষেছেন তিনি। মেয়ের মানসিক অবসাদের কারণ আসলে বাবা-মা। ওদিকে ইরা তাঁর ভিডিওতে বলেছেন, 'আমি চার বছর ধরে মানসিক অবসাদে ভুগছি। ডাক্তারের কাছে গিয়েছি। ওষুধ খেয়েছি। তার পর অনেক কষ্টে বেরিয়ে এসেছি। আমাকে দেখলে মনেই হতে পারে আমার তো সব আছে? অবসাদ কিসের তাই না? আসলে তা না।" কোথাও এই মেসেজের মধ্যে ইরাও তুলে ধরেছেন অভিযোগের কথা। মা-বাবার বিচ্ছেদ হয়ত তাঁর শিশু মনের ওপর প্রভাব ফেলেছিল। যা এখনও ভুগতে হচ্ছে ইরাকে।

তবে এই প্রথম নয়। এর আগে দীপিকা পাড়ুকোনের ডিপ্রেশন নিয়েও কথা বলেছেন কঙ্গনা। মনখারাপের দোকান বলে অপমানও করেছেন। কঙ্গনা যেন উঠে পড়ে লেগেছেন বলিউডের বাকিদের বিরুদ্ধে। আর এই লড়াইতে বয়সী মেয়ে ইরাকেও তিনি ছাড়ছেন। আমির খানকে দোষারোপ করার সুযোগ হাতছাড়া হয়ে যাবে যে ! যেন তেন প্রকারে খবরে কঙ্গনাকে থাকতেই হবে !

Published by: Piya Banerjee
First published: October 13, 2020, 5:06 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर