Home /News /entertainment /
Bela Shuru: ‘এই বেলা শেষ হওয়ার নয়’...সৌমিত্র ও স্বাতীলেখাকে সম্মান জানিয়ে আমুলের শ্রদ্ধার্ঘ্য

Bela Shuru: ‘এই বেলা শেষ হওয়ার নয়’...সৌমিত্র ও স্বাতীলেখাকে সম্মান জানিয়ে আমুলের শ্রদ্ধার্ঘ্য

Bela Shuru

Bela Shuru

Bela Shuru: নিছক অভিনয় নয়৷ বরং, পারস্পরিক ভালবাসার ও নির্ভরতার আকর৷ সেই ছবি ধরা পড়েছে আমুলের শ্রদ্ধার্ঘ্যে৷

  • Share this:

    কলকাতা : ছবি আছে৷ কিন্তু তাঁরা নেই৷ তাঁরা আছেন৷ দর্শকদের ভাল লাগার বেলা শুরু করিয়ে তাঁরা পাড়ি দিয়েছেন অনন্তের পথে৷ জীবনের বেলা শেষে সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় ও স্বাতীলেখা সেনগপ্তর যুগলবন্দি নিছক অভিনয় নয়৷ বরং, পারস্পরিক ভালবাসার ও নির্ভরতার আকর৷ সেই ছবি ধরা পড়েছে আমুলের শ্রদ্ধার্ঘ্যে৷

    আমুলের বিজ্ঞাপন সব সময়ই অনন্য৷ সেখানে ধরা পড়ে চলমান সময়ের প্রতিচ্ছবি৷ এ বার সেখানে ধরা পড়েছেন সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় এবং স্বাতীলেখা সেনগুপ্ত৷ ‘বেলাশুরু’ ছবির একটি ফ্রেম অবলম্বন করে তৈরি হয়েছে বিজ্ঞাপনের ফ্রেম৷ ছবিতে দেখা যাচ্ছে সত্তরোর্ধ্ব বিশ্বনাথ মজুমদার পরম যত্নে তাঁর অ্যালঝাইমার্স আক্রান্ত স্ত্রী আরতির চুল আঁচড়ে দিচ্ছেন৷ আমুলের বিজ্ঞাপনেও তাঁরা আছেন৷ আরতির সামনে আয়না ধরে আছে আমুল-বালিকা৷ তার পরনে চিরাচরিত পোলকা ডটেট জামা এবং মাথার ঝুঁটিতে পোলকা ডটের রিবন৷

    ছবিতে ইংরেজিতে লেখা শব্দের বাংলা তর্জমা করলে দাঁড়ায় ‘এই বেলা কোনওদিন শেষ হবে না...স্বাদ এখান থেকেই শুরু৷’ সিনেমা ও বিজ্ঞাপনকে এভাবেই এক বিন্দুতে মিলিয়েছেন নির্মাতারা৷ ট্যুইটার হ্যান্ডলে বিজ্ঞাপনের ছবি শেয়ার করে লেখা হয়েছে ‘‘ বেলাশুরুতে ধরা হয়েছে সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় ও স্বাতীলেখা সেনগুপ্তর কামব্যাক৷ ভারতীয় চলচ্চিত্রের ইতিহাসে এই প্রথম যে ছবির মু্ক্তির আগেই প্রয়াত এর দুই প্রধান কুশীলব৷’’

    আরও পড়ুন : ‘আপনার কাঁদিবার জন্য একটি বাটি!’ ‘বেলাশুরু’-র ডাবিং শেষে বলেছিলেন সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়

    ইতিমধ্যেই আমুলের বিজ্ঞাপন জনপ্রিয় হয়েছে নেটমাধ্যমে৷ পাশাপাশি সমাদৃত  শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় ও নন্দিতা রায়ের ‘বেলাশুরু’-ও৷ দর্শকরা মুগ্ধ সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়, স্বাতীলেখা সেনগুপ্ত-সহ অন্যান্যদের অভিনয়ে৷ ‘বেলাশেষে’-এর পরবর্তী পর্ব হিসেবে তৈরি করা হয়েছে এই ছবিকে৷ কিন্তু স্বতন্ত্র ছবি হিসেবেও প্রশংসিত হওয়ার দাবি রাখে ‘বেলাশুরু’৷ স্ত্রী আরতিকে এই ছবিতে আগলে রাখেন তাঁর স্বামী বিশ্বনাথ৷ অ্যালঝাইমার্সে আক্রান্ত আরতির সঙ্গে প্রায়ই বিশ্বাসঘাতকতা করে তাঁর স্মৃতি৷

    আরও পড়ুন : ‘যদি তোমাকে চিনতে না পারি...’, পবিত্রচিত্ত নন্দী জানতেন না একদিন এই পরিহাস দেখা দেবে কর্কশ বাস্তব হয়ে

    স্মৃতির খেলাপে গুলিয়ে যায় বর্তমান ও অতীতের অবস্থান৷ ভুলে যান তাঁর কাছের জনদের মধ্যে কারও কারও নাম এবং পরিচয়ও৷ স্মৃতির কুয়াশা ভেদ করে বাকিরা ঘুরে ফিরে এলেও কিছুতেই তিনি খুঁজে পান না তাঁর স্বামীকে৷ পাশে হাত ধরে থাকা স্বামী বিশ্বনাথকে অনুরোধ করেন তাঁর স্বামীকে খুঁজে এনে দিতে৷ বৃদ্ধ বিশ্বনাথ প্রাণপাত চেষ্টা করে যান স্ত্রীর স্মৃতিশক্তি ফিরিয়ে আনতে৷ তাঁর পাশে দাঁড়ান সন্তানরা৷ শেষ অবধি কি আরতি চিনতে পারবেন তাঁর স্বামী বিশ্বনাথকে? সেই প্রশ্নের উত্তরের সন্ধানেই এগিয়েছে ‘বেলাশুরু’৷

    Published by:Arpita Roy Chowdhury
    First published:

    Tags: Belashuru, Soumitra Chatterjee, Swatilekha Sengupta

    পরবর্তী খবর