• Home
  • »
  • News
  • »
  • entertainment
  • »
  • Birbhum News: করোনায় মৃত মা, ছেলে-বাবা মিলে যা করলেন! গোটা বীরভূম ধন্য-ধন্য করছে

Birbhum News: করোনায় মৃত মা, ছেলে-বাবা মিলে যা করলেন! গোটা বীরভূম ধন্য-ধন্য করছে

অনবদ্য কাজ

অনবদ্য কাজ

Birbhum News: এক দৃষ্টান্ত হলেন বীরভূমের (Birbhum) দুবরাজপুরের স্বাস্থ্যকর্মী পূরবী বন্দ্যোপাধ্যায়।

  • Share this:

#সিউড়ি: করোনায় (Coronavirus) মৃত মায়ের স্মৃতির উদ্দেশ্যে ছেলে ও বাবার AC আম্বুলেন্স দান সিউড়ি সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতালে। গত বছর থেকে করোনার ভয়ঙ্কর ঢেউ আছড়ে পড়ে মানব জাতির ওপর। প্রাণ যায় বহু মানুষের। অনেকেই হারায় তাঁদের প্রিয়জনকে। তার মধ্যেই মানব সেবায় কাজ চালিয়ে যায় বিভিন্ন সমাজ কর্মীরা। পুলিশ, ডাক্তার, নার্স সমস্ত স্তরের মানুষরা নিজের প্রাণের পরোয়া না করে লেগে পড়েন অন্যের প্রাণ বাঁচাতে। তার মধ্যেই অনেকে আবার আক্রান্ত হন করোনাভাইরাসে। তবে তাঁদের প্রাণ হারাতে হলেও ডিউটি থেকে পিছু পা হননি তাঁরা। ঠিক এমনই এক দৃষ্টান্ত হলেন বীরভূমের (Birbhum) দুবরাজপুরের স্বাস্থ্যকর্মী পূরবী বন্দ্যোপাধ্যায়।

তিনি দুবরাজপুরে স্বাস্থ্যকর্মী হিসাবে নিযুক্ত ছিলেন। তবে মানুষ সেবার মাঝেই তিনিও আক্রান্ত হয়ে পড়েন মারণ ভাইরাসে (Coronavirus)। তাকে ভর্তি করা হয় রামপুরহাট মেডিক্যাল কলেজে। মানুষের সেবা করাই তাঁর মূল ইচ্ছে ছিল। তবে তাঁর শেষ রক্ষা আর হয়নি। এবছর ৪ মে মারা যান তিনি। কিন্তু মানুষ মারা গেলেও ইচ্ছেরা থেকে যায়। তাই তাঁর ইচ্ছের কথা মাথায় রেখে , যাতে কোন রুগী চিকিৎসার অভাবে মারা না যায়, সেকথা ভেবেই তাঁর পেনশনের টাকা জমিয়ে তাঁর ছেলে ও স্বামী এয়ার কন্ডিশনার একটি অ্যাম্বুল্যান্স  সিউড়ি সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতালে সুপারের হাতে তুলে দেন। সেই অ্যাম্বুল্যান্সের শুভ উদ্বোধন করেন জেলা শাসক বিধান রায়।

আরও পড়ুন: আজ থেকে নতুন ঠিকানায় প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর শ্যালিকা ইরাদেবী, পথের জীবন রইল পথে পড়ে...

ছেলে অরিত্রিক বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, 'আমার মায়ের প্রথম থেকেই ইচ্ছে ছিল মানুষের জন্য কিছু করার। এছাড়াও তিনি যতটা পারতেন মানুষকে সেবা করার সাথে সাথে সাহায্যও করতেন । তাই মায়ের এই ইচ্ছের কথা মাথায় রেখে ও মায়ের স্মৃতির উদ্দেশ্যে আমরা একটি এয়ার কন্ডিশনার যুক্ত অ্যাম্বুল্যান্স হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের হাতে তুলে দিলাম। যাতে কোনো রুগী ট্রান্সফারের ক্ষেত্রে কোন অসুবিধা না হয়।"

Published by:Suman Biswas
First published: