Home /News /education-career /
Common University Entrance Test: উচ্চমাধ্যমিকের নম্বরের ভিত্তিতে আর নয়, দেশ জুড়ে সাধারণ প্রবেশিকা পরীক্ষার মাধ্যমে কলেজে ভর্তির নির্দেশ ইউজিসির

Common University Entrance Test: উচ্চমাধ্যমিকের নম্বরের ভিত্তিতে আর নয়, দেশ জুড়ে সাধারণ প্রবেশিকা পরীক্ষার মাধ্যমে কলেজে ভর্তির নির্দেশ ইউজিসির

CUET Score: দ্বাদশ শ্রেণিতে কে কত নম্বর পেয়েছে তার উপর ভিত্তি করে আর ভর্তি করা যাবে না কলেজে।

  • Share this:

    #নয়াদিল্লি: বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (UGC) আর্থিক নিয়ন্ত্রণে থাকা সমস্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে এবার থেকে কলেজে ভর্তি হতে গেলে দিতে হবে একটিই সাধারণ পরীক্ষা! সোমবার ইউজিসি জানিয়েছে, দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় সহ সমস্ত কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়কে স্নাতকস্তরে পড়ুয়াদের ভর্তির জন্য নতুন কমন ইউনিভার্সিটি এন্ট্রান্স টেস্ট (Common University Entrance Test) বা CUET স্কোর ব্যবহার করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন জানিয়েছে, স্নাতকস্তরে কলেজে ভর্তি হওয়ার বিষয়টি এখন থেকে একটি সাধারণ প্রবেশিকা পরীক্ষার উপর নির্ভর করবে। দ্বাদশ শ্রেণিতে কে কত নম্বর পেয়েছে তার উপর ভিত্তি করে আর ভর্তি করা যাবে না কলেজে। UGC আরও জানিয়েছে, এর ফলে পড়ুয়াদের আর ভর্তির জন্য কাট অফ মার্কসের চাপ নিতে হবে না।

    আরও পড়ুন- ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেটিভ এজেন্সিতে বিপুল নিয়োগ, আজই আবেদন করুন

    বেশিরভাগ বোর্ড পরীক্ষা শেষ হয়ে যাওয়ার পরে কমন এন্ট্রান্স টেস্ট (Common University Entrance Test) বা CUET জুলাইয়ের প্রথম সপ্তাহে অনুষ্ঠিত হবে। আবেদন প্রক্রিয়া হবে অনলাইনে এবং এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহ থেকেই তা শুরু হয়ে যাবে। কম্পিউটার ভিত্তিক পরীক্ষা হবে বলেই জানিয়েছেন ইউজিসি চেয়ারপার্সন জগদেশ কুমার। তিনি বলেন, “পড়ুয়াদের কম্পিউটার ব্যবহারে বিশাল দক্ষতা থাকতে হবে না। আজকাল, প্রায় সব পড়ুয়াই স্মার্টফোন ব্যবহার করতে পারে। পরীক্ষা কেন্দ্রে গিয়ে মাউস ব্যবহার করে মাল্টিপল চয়েস প্রশ্নের উত্তর তারা দিতে পারবে।”

    ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি (এনটিএ) দ্বারা পরিচালিত এই প্রবেশিকা পরীক্ষা (Common University Entrance Test) সমস্ত কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য বাধ্যতামূলক এবং সমস্ত সরকারি, সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা প্রাপ্ত  এবং বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলিকে কলেজে ভর্তির জন্য CUET স্কোর ব্যবহার করতেই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    জগদেশ কুমার বলেন, “এক দেশ, এক প্রবেশিকা পরীক্ষা” সারা দেশের পড়ুয়াদের জন্য বড় ব্যাপার। দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষায় উত্তীর্ণ যে কেউ সাধারণ প্রবেশিকা পরীক্ষা দেওয়ার যোগ্য। তবে, দ্বাদশের পরীক্ষায় কে কত নম্বর পেয়েছে তার ভিত্তিতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলি ভর্তির মানদণ্ড তৈরি করতে পারে।” সুতরাং, যদিও বিশ্ববিদ্যালয়গুলিকে সাধারণ পরীক্ষার ভিত্তিতেই স্নাতকস্তরে পড়ুয়াদের ভর্তি করতে হবে, তবুও তারা নিজেদের মতো যোগ্যতা নির্ধারণে দ্বাদশ শ্রেণির নম্বরের ন্যূনতম মানদণ্ড নির্ধারণ করতে পারে।

    আরও পড়ুন- সরকারি স্কুলে নীল-সাদা পোশাকে ‘বিশ্ব বাংলা’? SSM-এর নয়া নির্দেশিকায় জল্পনা

    “কয়েকটি শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে অনেক স্নাতক বিভাগে ভর্তির জন্য ১০০ শতাংশ কাটঅফ থাকাটা হাস্যকর। CUET সারা দেশের সমস্ত পড়ুয়াদের সমানাধিকার প্রদান করবে,” বলেন জগদেশ কুমার।

    CUET-এর কারণে বিশ্ববিদ্যালয়গুলির সংরক্ষণ নীতি প্রভাবিত হবে না বলেও জানিয়েছেন তিনি। “বিশ্ববিদ্যালয়গুলি CUET স্কোরের ভিত্তিতে সাধারণ আসনের পাশাপাশি সংরক্ষিত আসনের জন্য প্রার্থীদের তালিকাভুক্ত করতে পারে। ভর্তি এবং সংরক্ষণ নীতিকে প্রভাবিত করবে না এই স্কোর,” বলেন তিনি।

    Published by:Madhurima Dutta
    First published:

    Tags: Entrance Examination, UGC

    পরবর্তী খবর