COVID19: করোনার কোপ! ফের কি CBSE, CISCE বোর্ডে পাঠ্যক্রমে কাটছাঁট হতে চলেছে?

করোনার কোপ! ফের কি CBSE, CISCE বোর্ডে পাঠ্যক্রমে কাটছাঁট হতে চলেছে?

এবারও যদি অনলাইন পঠনপাঠনের ব্যবস্থা জারি থাকে, তবে কি শিক্ষার্থীদের জন্য এবারও সিলেবাসে কাটছাঁট করা প্রয়োজন?

  • Share this:

#নয়াদিল্লি: গত বছরই অতিমারীর দাপটে সঙ্কটের মুখে পড়েছিল দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা। অনলাইনে ক্লাস হওয়ায় পাঠ্যক্রমে হয়েছিল কাটছাঁট। এরই মধ্যে করোনা মহামারীর দ্বিতীয় ঢেউের চোখরাঙানি অনলাইন ক্লাস চালিয়ে যেতে বাধ্য করেছে প্রশাসনকে। ২০২০-এর অ্যাকাডেমিক সেশন ডিজিটালি অনুষ্ঠিত হওয়ায় নির্দেশনামূলক সময় (Instructional hour) হ্রাস পেয়েছিল। ফলস্বরূপ, সেন্ট্রাল বোর্ড অফ সেকেন্ডারি এডুকেশন(CBSE) ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের নবম শ্রেণির পাঠ্যক্রমকে ৩০ শতাংশ পর্যন্ত কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। অন্যান্য রাজ্যের বোর্ডও খুব শীঘ্রই এই সিদ্ধান্ত অনুসরণ করে। এবারও যদি অনলাইন পঠনপাঠনের ব্যবস্থা জারি থাকে, তবে কিশিক্ষার্থীদের জন্য এবারও সিলেবাসে কাটছাঁট করা প্রয়োজন?

চাপ কমাতে পাঠ্যক্রমের যৌক্তিকরণের (Rationalization) দাবি করে আসছেন অনেক শিক্ষক এবং শিক্ষার্থী। পাঠ্যক্রমকে যুক্তিহয় করার পিছনে মূল উদ্দেশ্য হল, শিক্ষার ক্ষেত্রে যাতে কোনও রকম ফাঁক না থাকে সে বিষয়টি নিশ্চিত করা।

নির্মল ভারতীয় (Nirmal Bhartia) বিদ্যালয়ের প্রিন্সিপাল চারু ওয়াহি (Charu Wahi), যিনি CBSE-র সঙ্গে যুক্ত, তাঁর বিশ্বাস, “সাবধানতার সঙ্গে বিবেচনা এবং অনুধ্যান” পারে "পরীক্ষার সময় শিক্ষার্থীদের চাপ ও উদ্বেগকে হ্রাস করতে", তবে সেই সঙ্গে তিনি শিক্ষার ফাঁকগুলি বন্ধ করার প্রয়োজনীয়তার উপরেও জোর দিয়েছেন তিনি।

অনলাইন পঠনপাঠনের জন্য আরও ভাল প্রস্তুতি

পুরো বছর ধরে অনলাইনে পঠনপাঠন জারি থাকার কারণে স্কুলগুলি এখন অনলাইনে তাদের সিলেবাস সম্পূর্ণ করার জন্য নিজেদের আরও ভালো ভাবে প্রস্তুত বলে বিবেচনা করছে।

CBSE-অনুমোদিত ডিপিএস ইন্দিরাপুরমের (DPS Indirapuram) অধ্যক্ষ সঙ্গীতা হাজেলা (Sangeeta Hajela) বলেন, “মহামারী কালে পূর্ববর্তী অধিবেশনে CBSE কর্তৃক পাঠ্যক্রম হ্রাস করা হয়। দূরবর্তী শিক্ষার পদ্ধতিতে পরিবর্তন আসে। ২০২১-২২ বর্তমান সেশনে, ছাত্র-শিক্ষক সকলেই দূরবর্তী শিক্ষায় আরও ভালো ভাবে প্রস্তুত হয়েছে। তাই পাঠ্যক্রম হ্রাস এই মুহূর্তে দাঁড়িয়ে নিরর্থক বলেই মনে হচ্ছে।”

তিনি আরও বলেন, পাঠ্যক্রম হ্রাসের বিষয়টি নিয়ে পরেও চিন্তাভাবনা করা যেতে পারে। কারণ এর ফলে শিক্ষার ক্ষেত্রে অনেকটা শূন্যস্থান তৈরি হতে পারে। যা কখনওই কাম্য নয।

পাঠ্যক্রম উন্নত করা দরকার:

পাঠ্যক্রম হ্রাস করা ছাড়াও বর্তমান পরিস্থিতির উপের ভিত্তি করে এক্ষেত্রে কিছু পরিবর্তন আনা বাঞ্ছনীয় বলেও মনে করছেন বেশ কিছু শিক্ষানবিশ। গ্লোবাল এডুকেশন অ্যান্ড ট্রেনিং ইনস্টিটিউট (Global Education and Training Institute)-এর প্রতিষ্ঠাতা ড. সুনিতা গান্ধী (Dr. Sunita Gandhi) বলেছেন যে, পাঠ্যক্রম হ্রাস করার পরিবর্তে সর্বাপেক্ষা ভালো পদক্ষেপ হবে সেই পাঠ্যক্রম উন্নত মানের করা!

Published by:Pooja Basu
First published: