Digha Holi 2026: দোলে দিঘায় এবার ডবল ধামাকা! আলবাৎ এমন দোল কখনও দেখেননি, গেলে আর ফিরতেই ইচ্ছে করবে না! দোলে কী হবে দিঘায়!
- Reported by:Madan Maity
- Published by:Shubhagata Dey
Last Updated:
Digha Holi 2026: ৩ ও ৪ মার্চ সরকারি ছুটি থাকায় দীর্ঘ অবকাশ কাটানোর সুযোগ পাচ্ছেন পর্যটকেরা। ফেব্রুয়ারি শেষ হওয়ার আগেই অধিকাংশ হোটেল বুক হয়ে গেছে। দোল উৎসব ও বসন্তের মনোরম সমুদ্র উপভোগ দুই মিলিয়ে দিঘায় উৎসবমুখর পরিবেশ।
*এবার দোল উৎসবে দিঘা ভ্রমণে বড় ধামাকা। বসন্তের সমুদ্র সৈকত উপভোগের পাশাপাশি জগন্নাথ মন্দিরে বিরাট আয়োজন। জগন্নাথ মন্দির উদ্বোধনের পর এবার প্রথম দোল উৎসব। তাই উৎসব ঘিরে পর্যটকদের আগ্রহ তুঙ্গে। মন্দিরের বিশেষ পুজো ও বসন্তের সৈকত—দু’য়ের আকর্ষণ একসঙ্গে উপভোগের সুযোগ মিলছে। প্রশাসন ও মন্দির কর্তৃপক্ষ ইতিমধ্যেই প্রস্তুতি শুরু করেছে। রঙিন আলো, সাজসজ্জা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে উৎসবকে রঙিন করে তোলার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে
advertisement
*৩ মার্চ দোল পূর্ণিমার দিন সকাল থেকেই মন্দিরে বিশেষ ধর্মীয় আচার পালিত হবে। নতুন পোশাকে জগন্নাথদেবের অভিষেক অনুষ্ঠিত হবে ভক্তদের উপস্থিতিতে। দিনভর ভজন ও কীর্তনের আয়োজন রাখা হয়েছে। বিকেল গড়াতেই শুরু হবে সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। বিকেল তিনটে থেকে রাত আটটা পর্যন্ত নৃত্যানুষ্ঠান চলবে। মন্দির প্রাঙ্গণ আলো ও ফুলে সাজানো হবে। ভক্তদের জন্য আলাদা প্রবেশ ও বেরোনোর ব্যবস্থাও রাখা হচ্ছে।
advertisement
*দোল উপলক্ষে দিঘার সৈকত শহর রঙিন আবিরে মাততে প্রস্তুত। সমুদ্রের হাওয়ার সঙ্গে উৎসবের আবহ উপভোগ করতে পর্যটকদের আগ্রহ বাড়ছে। ফলে হোটেলগুলিতে বুকিংয়ের চাপও দ্রুত বেড়েছে। মন্দিরের প্রধান পুরোহিত রাধারমণ দাস জানিয়েছেন, বিশেষ পুজো ও প্রভুর অভিষেকের পাশাপাশি সন্ধ্যায় সকলের জন্য প্রসাদ বিতরণের ব্যবস্থা থাকবে। ভক্তদের নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে স্বেচ্ছাসেবকরাও দায়িত্ব পালন করবেন।
advertisement
*ফাল্গুন মাসের পূর্ণিমা তিথিতে ঐতিহ্যগতভাবে দোল উৎসব পালিত হয়। এই শুভ লগ্নেই জন্মগ্রহণ করেছিলেন মহাপ্রভু চৈতন্যদেব। তাই বিশেষ পুজোর আয়োজন করা হচ্ছে মন্দিরে। রাজ্যের বিভিন্ন জেলা থেকে বৈষ্ণব সম্প্রদায়ের মানুষ উপস্থিত থাকবেন বলে আশা করা হচ্ছে। মন্দিরজুড়ে ইতিমধ্যেই সাজসজ্জার কাজ শুরু হয়েছে। রঙিন আলোর নকশায় পুরো প্রাঙ্গণ আলোকিত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে কর্তৃপক্ষের তরফে।
advertisement
*উৎসবের সময়ে অতিরিক্ত ভিড় সামলাতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হচ্ছে। পুলিশ ও সিভিক ভলান্টিয়ারদের মোতায়েন রাখা হবে মন্দির এলাকা ও আশপাশে। জগন্নাথ মন্দির উদ্বোধনের পর এটিই প্রথম বসন্ত উৎসব হওয়ায় দর্শনার্থীদের সংখ্যা বেশি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। অনেকেই প্রথম দোল পূর্ণিমায় মন্দির দর্শনের পরিকল্পনা করছেন। বিশেষ ধর্মীয় অনুষ্ঠানের সাক্ষী থাকতে পর্যটকদের মধ্যে আলাদা উৎসাহ দেখা যাচ্ছে।
advertisement
*দিঘা-শঙ্করপুর হোটেলিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনের যুগ্ম সম্পাদক বিপ্রদাস চক্রবর্তী জানিয়েছেন, দোল ও হোলি উপলক্ষে বুকিংয়ের হার ইতিমধ্যেই সন্তোষজনক। ৩ ও ৪ মার্চ সরকারি ছুটি থাকায় দীর্ঘ অবকাশ কাটানোর সুযোগ পাচ্ছেন পর্যটকেরা। ফেব্রুয়ারি শেষ হওয়ার আগেই অধিকাংশ হোটেল বুক হয়ে গেছে। দোল উৎসব ও বসন্তের মনোরম সমুদ্র উপভোগ দুই মিলিয়ে দিঘায় উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়েছে। পর্যটকদের সুবিধার্থে অতিরিক্ত ব্যবস্থাও নেওয়া হচ্ছে।







