• Home
  • »
  • News
  • »
  • education-career
  • »
  • শিক্ষকদের নিতে হচ্ছে গণ-সৎকারের দায়িত্বও! CBSE বোর্ডের দশম শ্রেণীর ফলপ্রকাশের সময়সীমা পিছিয়ে দেওয়ার অনুরোধ সরকারের

শিক্ষকদের নিতে হচ্ছে গণ-সৎকারের দায়িত্বও! CBSE বোর্ডের দশম শ্রেণীর ফলপ্রকাশের সময়সীমা পিছিয়ে দেওয়ার অনুরোধ সরকারের

সম্প্রতি দিল্লি সরকারের তরফ থেকেও CBSE বোর্ডের কর্মকর্তাদের কাছে একটি লিখিত অনুরোধ জমা দেওয়া হয়েছে।

সম্প্রতি দিল্লি সরকারের তরফ থেকেও CBSE বোর্ডের কর্মকর্তাদের কাছে একটি লিখিত অনুরোধ জমা দেওয়া হয়েছে।

সম্প্রতি দিল্লি সরকারের তরফ থেকেও CBSE বোর্ডের কর্মকর্তাদের কাছে একটি লিখিত অনুরোধ জমা দেওয়া হয়েছে।

  • Share this:

#নয়াদিল্লি: CBSE বোর্ড প্রথমে শিক্ষকদের নির্দেশ দিয়েছিল যে দশম শ্রেণীর ছাত্রছাত্রীদের মূল্যায়ণ সম্পর্কিত ফলাফল চলতি বছরের ১১ জুন জমা করতে হবে এবং ২০ জুনের মধ্যে তা প্রকাশ করতে হবে। কিন্তু আপাতত পরিস্থিতি যে দিকে যাচ্ছে, তাতে এই সময়সীমার মধ্যে শিক্ষকরা কাজ শেষ করে উঠতে পারবেন কি না, সেই নিয়ে সন্দেহের অবকাশ থেকেই যাচ্ছে। তাছাড়া সম্প্রতি দিল্লি সরকারের তরফ থেকেও CBSE বোর্ডের কর্মকর্তাদের কাছে একটি লিখিত অনুরোধ জমা দেওয়া হয়েছে। সেই অনুরোধপত্রের বয়ান বলছে যে CBSE যেন দশম শ্রেণীর ফল প্রকাশের সময়সীমা পিছিয়ে দেওয়ার ব্যাপারটা একটু ভেবে-চিন্তে দেখে!

সরকারের তরফে এই যে অনুরোধ করা হয়েছে, তা নিঃসন্দেহেই শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতের উপরে একটি নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। কিন্তু কার্যত সরকারও অসহায়, দেশের যা পরিস্থিতি, তাতে এই অনুরোধ একরকম বাধ্য হয়েই করতে হয়েছে। সেই বাধ্যবাধকতার কারণটিও অনুরোধপত্রে স্পষ্ট ভাবে উল্লেখ করা হয়েছে সরকারের তরফে। জানা গিয়েছে যে আপাতত এক দিকে স্কুলগুলো জুড়ে যেমন কোভিড ১৯ ভ্যাকসিনেশনের কাজ চলছে, তেমনই শিক্ষকেরাও ব্যস্ত রয়েছেন জরুরি পরিষেবা প্রদানের কাজে। শিক্ষকদের একটি বড় অংশ এখন এই সব ভ্যাকসিনেশন সেন্টার পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছেন, একই সঙ্গে আবার তাঁরা সরকারি নির্দেশে করোনা-বিধ্বস্ত এলাকায় বাড়ি বাড়ি ঘুরে নানা সমীক্ষা পরিচালনা করছেন।

আরও পড়ুন COVID19 India: একা হাতে পুড়িয়েছেন ৫০শের বেশি করোনায় মৃতের দেহ!দিল্লির ASI রাকেশের অভিজ্ঞতা গায়ে কাঁটা দেবে, রইল ভিডিও

এই সমীক্ষার মূল লক্ষ্য একটাই- রোগের যাতে সুচিকিৎসা হয়! এই সব রেড স্পটে এখন শিক্ষকেরা গৃহবন্দী মানুষের মেডিক্যাল টেস্টের ব্যবস্থা করছেন, একই সঙ্গে সমীক্ষা চালাচ্ছেন কনট্যাক্ট ট্রেসিংয়ের বিষয়টিতেও। অর্থাৎ রোগীর সান্নিধ্যে যাঁরা এসেছিলেন, সেই সব লোকজনদের খুঁজে বের করে তাঁদের সচেতন করা এবং মেডিক্যাল টেস্টের বন্দোবস্ত করার দায়িত্ব শিক্ষকদের নিতে হচ্ছে। তাঁরা রোগীর বাড়িতে ওষুধ এবং খাবার পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করছেন। এখানেই শেষ নয়, করোনায় মৃত রোগীর দেহ যাতে শ্মশানে পৌঁছয় এবং নিয়ম মতে দাহ হয়, সেই দিকটাও খেয়াল রাখতে হচ্ছে তাঁদের। শববাহী গাড়ি ডেকে আনা থেকে অন্ত্যেষ্টির সবটুকুই সম্পন্ন হচ্ছে তাঁদের তদারকিতে।

দেশের করোনা পরিস্থিতির কারণে এর আগে CBSE বোর্ড ১৪ এপ্রিল ঘোষণা মারফত দশম শ্রেণীর পরীক্ষা বাতিল করে দিয়েছিল এবং দ্বাদশ শ্রেণীর পরীক্ষা স্থগিত রেখেছিল। দেখা যাক সরকারের অনুরোধে এবার বোর্ড কী পদক্ষেপ করে!

Published by:Pooja Basu
First published: