Remdesivir: করোনায় কালোবাজারি! ২৫ হাজার দামে রেমডিসিভির ইঞ্জেকশন বিক্রি করল হাসপাতালের ওয়ার্ড বয়রা!

২৫ হাজার দামে রেমডিসিভির ইঞ্জেকশন বিক্রি করল হাসপাতালের ওয়ার্ড বয়রা!

দেশে ভয়ানক রূপ নিয়েছে করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউ (Coronavirus 2nd Wave)। আর তার জেরে কালোবাজারে বেশি টাকা রোজগারের আশায় নেমে পড়েছেন একদল মানুষ।

  • Share this:

    #মেরঠ: দেশে ভয়ানক রূপ নিয়েছে করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউ (Coronavirus 2nd Wave)। আর তার জেরে কালোবাজারে বেশি টাকা রোজগারের আশায় নেমে পড়েছেন একদল মানুষ। উত্তর প্রদেশের মেরঠের একটি হাসপাতালে দুই ওয়ার্ড বয়ের বিরুদ্ধে করোনা (Coronavirus) চিকিৎসায় ব্যবহৃত রেমডিসিভির (Remdisiver) ইঞ্জেকশন বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগ। একেকটি ইঞ্জেকশন ২৫ হাজার টাকা দামে বিক্রি করা হয়েছে বলে অভিযোগ। এই ঘটনাটি ঘটেছে মেরঠের শুভার্থী মেডিক্যাল কলেজে। হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের জন্যই এই ইঞ্জেকশনগুলি রাখা ছিল।

    জানা গিয়েছে, রেমডিসিভির ইঞ্জেকশনগুলি কালোবাজারে বিক্রি করে তার জায়গায় করোনা রোগীদের জল ভর্তি ইঞ্জেকশন দেওয়া হয়েছে। সাদা পোশাকে ওই হাসপাতালে তদন্ত চালানো একদল পুলিশের হাতে ধরা পড়েছে এই চাঞ্চল্যকর ঘটনা। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ৬ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ওয়ার্ড বয়দের গ্রেফতার করার সময় হাসপাতালের বাউন্সাররা পুিলশের উপর চড়াও হয় বলে অভিযোগ। সেখানে ব্যাপক হাতাহাতি হয় তাদের মধ্যে।

    অন্যদিকে, দিল্লিতেও করোনা চিকিৎসায় ব্যবহৃত রেমডিসিভির কালোবাজারির খোঁজ পাওয়া গিয়েছে। সেখানেও চারটি দলে ভাগ হয়ে বেশি টাকা রোজগারের আশায় রেমডিসিভির বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্তদের কাছ থেকে প্রায় ৮১টি ভায়াল উদ্ধার করেছে পুলিশ।

    দিল্লির ক্রাইম বিভাগের ডেপুটি কমিশনার মনিকা ভরদ্বাজ জানিয়েছেন, 'দেশে করোনার বাড়বাড়ন্ত এবং রেমডিসিভিরের ঘাটতির ব্যাপারে জানত ধৃতরা। এই ওষুধ গোপনে লুকিয়ে রেখে অস্বাভাবিক দামে বাজারে বিক্রি করেছে তারা। এটির একটি বড় চক্র চলছে গোটা এলাকায়। একেকটি ইঞ্জেকশন ২৫ থেকে ৪০ হাজারে বিক্রি হয়েছে। তবে মূল অভিযুক্ত এখনও পলাতক।'

    Published by:Raima Chakraborty
    First published: