• Home
  • »
  • News
  • »
  • coronavirus-latest-news
  • »
  • চিনে বাদুড়ের শরীরে করোনা ভাইরাস নিয়ে গবেষণার টাকা দিয়েছিল আমেরিকাই!

চিনে বাদুড়ের শরীরে করোনা ভাইরাস নিয়ে গবেষণার টাকা দিয়েছিল আমেরিকাই!

WHO-র প্রধানের মতে, এখনও বহু দেশে প্রাথমিক পর্যায় আছে করোনা সংক্রমণ প্রাথমিক পর্যায় রয়েছে। সংক্রমণ রোখা না গেলে সেই দেশগুলিতে সংক্রমণ বাড়চে। এমন অনেক দেশ রয়েছে, যেখানে ফিরে আসছে করোনা সংক্রমণ।

WHO-র প্রধানের মতে, এখনও বহু দেশে প্রাথমিক পর্যায় আছে করোনা সংক্রমণ প্রাথমিক পর্যায় রয়েছে। সংক্রমণ রোখা না গেলে সেই দেশগুলিতে সংক্রমণ বাড়চে। এমন অনেক দেশ রয়েছে, যেখানে ফিরে আসছে করোনা সংক্রমণ।

একটি ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম একাধিক নথি প্রকাশ্যে এনে দাবি করেছে মার্কিন স্বাস্থ্য মন্ত্রকের অধীন সংস্থা মার্কিন ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ হেলথের থেকে পাওয়া বিপুল অর্থের সাহায্যে গবেষণা চালাচ্ছিল চিন।

  • Share this:

    #‌নয়া দিল্লি:‌ চিনের ইনস্টিটিউট অফ ভাইরোলজি নিযে এখন বিতর্কের শেষ নেই। অনেকেই বলছেন ইউহানে অবস্থিত চিনের ওই গবেষণাগার থেকেই করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে পৃথিবীতে। আমেরিকা তাই নিয়ে আলাদা করে তদন্তেরও হুমকি দিয়েছে। কিন্তু সম্প্রতি প্রকাশ্যে আসা একটি তথ্যে‌ ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন যথেষ্ট অস্বস্তিতে পড়েছে। সেখানে বলা হয়েছে ইউহানে চিনের ভাইরোলজির গবেষণাগারে বাদুড়ের শরীরের ভাইরাস নিয়ে যে গবেষণা চলছিল তাতে বিপুল পরিমাণ অর্থ সাহায্য করেছিল চিন। আরও স্পষ্ট করে বলতে গেলে, আমেরিকা টাকা দিয়েছিল করোনা ভাইরাস নিয়ে গবেষণা করতেই। সেই টাকার অঙ্ক প্রায় ৩৭ লক্ষ মার্কিন ডলার।

    একটি ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম একাধিক নথি প্রকাশ্যে এনে দাবি করেছে মার্কিন স্বাস্থ্য মন্ত্রকের অধীন সংস্থা মার্কিন ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ হেলথের থেকে পাওয়া বিপুল অর্থের সাহায্যে গবেষণা চালাচ্ছিল চিন।

    এই খবর প্রকাশিত হওয়ার পরেই বিশ্বের রাজনৈতিক মহলের সন্দেহ আরও দৃঢ় হয়েছে যে ইউহানের গবেষণাগার থেকেই করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে। যদিও চিন অনেকদিন আগেই বলেছে, গবেষণাগার নয়, একটি বাজার থেকে প্রথম মানুষের শরীরে প্রবেশ করে করোনা ভাইরাস।

    যদি এই ধরনের মারাত্মক গবেষণায় অর্থ সাহায্য করা নিয়ে মার্কিন সংসদের অন্দরের বিরোধ দেখা দিয়েছে। মার্কিন কংগ্রেস সদস্য ম্যাট গিতাজ জানিয়েছেন, ‘‌আমি অবাক হয়ে যাচ্ছি এই খবর জানতে পেরে যে আমেরিকা ইউহানের এই ধরনের নৃশংস গবেষণায় এতদিন অর্থ যোগান দিয়েছে। হতেও তো পারে ওই গবেষণাগার থেকেই ভাইরাস পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়েছে। যদি তাই হয় তাহলে মার্কিন প্রশাসন সেই ঘটনার দায় এড়াবে কী করে?‌’‌

    Published by:Uddalak Bhattacharya
    First published: