COVID19: হলিউড অভিনেতা করোনা কবলিত ভারতের পাশে, ধন্যবাদ জানালেন প্রিয়াঙ্কা চোপড়া

করোনা মিলিয়ে দিল দেশি গার্ল আর উলভারিনকে! হিউ জ্যাকম্যানের প্রশংসায় কেন পঞ্চমুখ প্রিয়াঙ্কা?

অভিনেত্রী কেবল করোনা ত্রাণ জোগাড় করছেন, তা নয়। আন্তর্জাতিক স্তরে সকলের কাছে ভারতকে সাহায্যের আবেদন প্রিয়াঙ্কা করছেন।

  • Share this:

#মুম্বই: করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে বদলে গিয়েছে দেশের চেহারা। দেশবাসীকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন অসংখ্য তারকা। প্রিয়াঙ্কা চোপড়া জোনাসও (Priyanka Chopra Jonas ) রয়েছেন সেই তালিকায়। নিজের দেশের বাইরে থেকেও দেশের জন্য নিরলস ভাবে কাজ করে চলেছেন। পাশে পেয়েছেন স্বামী নিক জোনাসকেও (Nick Jonas)। অভিনেত্রী কেবল করোনা ত্রাণ জোগাড় করছেন, তা নয়। আন্তর্জাতিক স্তরে সকলের কাছে ভারতকে সাহায্যের আবেদন প্রিয়াঙ্কা করছেন। দেশি গার্লের এই উদ্যোগকে সমর্থন করেছেন হলিউড তাঁরকা হিউ জ্যাকম্যান (Hugh Jackman)। হলিউড অভিনেতার সমর্থনের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন প্রিায়ঙ্কা চোপড়া জোনাস।

করোনাকালে ভারতকে নিয়ে করা প্রিয়াঙ্কার একটি Instagram স্টোরিকে হলিউড অভিনেতা হিউ জ্যাকম্যান নিজের Instagram স্টোরিতে শেয়ার করেন, যাতে আরও বেশি সংখ্যক মানুষের কাছে ভারতের জন্য সাহায্যের বার্তা পৌঁছে যায়। তিনি লেখেন, ‘ভারতকে সাহায্য করুন’। এর পর প্রিয়ঙ্কাও হিউ জ্যাকম্যানকে লেখেন, 'আপনাকে ধন্যবাদ @thehughjackman।' অভিনেত্রীর করা আবেদন আন্তর্জাতিক স্তরে সাড়া ফেলেছে। ইরিনা শেক (Irina Shayk), জোনাস ব্রাদার্স (Jonas Brothers), Sophie Turner (সোফি টার্নার), রিজ উইথারস্পুন-এর (Reese Witherspoon) মতো বড় সেলিব্রিটিরাও প্রিয়াঙ্কার উদ্যোগকে সমর্থন করেছেন।

কিছু দিন আগে প্রিয়াঙ্কা এবং তাঁর স্বামী নিক জোনাস ভিডিও বার্তায় কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। অভিনেত্রী বলেন, “ভারতে কোভিড-১৯ এর বিরুদ্ধে যে লড়াই চলছে তাতে আপনাদের সকলের অবদান অনস্বীকার্য”।

সম্প্রতি করোনার গ্রাসে যে সমস্ত শিশুরা তাঁদের বাবা-মাকে হারিয়েছে তাঁদের শিক্ষার দায়িত্ব কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারকে নিতে হবে বলে ট্যুইটে আবেদন করেছিলেন সোনু সুদ (Sonu Sood)। তাঁর সেই আবেদনকে সমর্থন করেন অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা এবং একটি Instagram পোস্টও করেন।

গোটা লেখা জুড়ে সোনুর কাজের প্রশংসা করেছেন তিনি। “আমার সহকর্মী @sonu_sood একাধারে দার্শনিক অন্যদিকে সমাজসেবী, তিনি ভাবেন এবং এগিয়ে যাওয়ার ক্ষমতা রাখেন। মহামারীর আমাদের অনেক ভয়াবহ কাহিনি সামনে এনেছে, বহু শিশু তাদের বাবা-মা হারিয়েছে, তাদের পড়াশোনা একেবারে থমকে যাবে এবার, তাদের ভবিষ্যৎ কী হতে পারে? সেই চিন্তা এখন থেকেই সোনু সুদ করছে। আমি অনুপ্রাণিত হয়েছি ওর এই ভাবনাতে। সোনুর পরামর্শ রাজ্য এবং কেন্দ্রীয় সরকার উভয়েরই বিবেচনা করা উচিত, এই বিপুল সংখ্যক শিশুদের ভবিষ্যতের কথা ভেবে তাদের পড়াশোনার দায়িত্ব প্রশাসনকেই নিতে হবে”।

Published by:Pooja Basu
First published: