COVID 19 treatment: করোনার ফলে বিকল হচ্ছে কিডনি, ধরা পড়ছে লাস্ট স্টেজে

সে কারণে করোনা থেকে মুক্তি মিললেও পরবর্তীতে চিকিৎসা ভীষণভাবে প্রয়োজন৷

সে কারণে করোনা থেকে মুক্তি মিললেও পরবর্তীতে চিকিৎসা ভীষণভাবে প্রয়োজন৷

  • Share this:

    করোনার দ্বিতায় ঢেউ ধীরেধীরে কাটিয়ে উঠেছে দেশ৷ করোনায় আক্রান্ত রোগীদের শরীরে সুদূর প্রসারী প্রভাব পরীক্ষা করছেন চিকিৎসকরা৷ একে লং কোভিড বা করোনায় দীর্ঘ মেয়াদি সমস্যা আখ্যা দেওয়া হচ্ছে৷ News18-র মাধ্যমে প্রকাশিত হতে চলেছে এমন কিছু তথ্য যেখানে বিভিন্ন চিকিৎসক লং কোভিড নিয়ে নিজেদের মতামত রাখবেন৷ আজ প্রকাশিত এই বিশেষ নিবন্ধে থাকছে ডাঃ অতুল ইঙ্গালের (ফোর্টিস হিরান্দানি, ভাসি, হাসপাতালের সিনিয়র কনস্যালট্যান্ট নেফরোলজিস্ট অ্যান্ড ট্রান্সপ্ল্যান্ট চিকিৎসক) বক্তব্য৷ করোনার জেরে কিডনির সমস্যা, প্রোটিন লিক এবং উচ্চচাপ সংক্রান্ত বিষয়ে তিনি বিস্তারিত জানিয়েছেন৷

    করোনা থেকে সেরে ওঠার ৬ মাসের পরও রোগীর কিডনির সমস্যা হতে পারে৷ এমনকী শরীরে প্রোটিন লিক ও উচ্চ চাপের সমস্যাও দেখা যেতে পারে৷ রোগীদের উপর পরীক্ষায় সেই তথ্য উঠে এসেছে৷ জানিয়েছেন ডাঃ ইঙ্গালে৷ তবে দুর্ভাগ্যবশত করোনা ফলে কিডনিতে যে সমস্যা দেখা দিচ্ছে, তা সেভাবে নজরে আসছে না, যতক্ষণ না পর্যন্ত তা খুবই খারাপ পর্যায়ে পৌঁছে যায়৷

    ডাঃ ইঙ্গালে জানিয়েছেন যে, মে মাসে প্রকাশিত একটি গবেষণায় জানানো হয়েছে যে, করোনা হওয়ার ৬ মাসের মাথায় ধরা পড়ছে এই ধরণের কিডনির সমস্যা৷ ঘনঘন হতে থাকা মূত্রাশয় সম্বন্ধীয় সমস্যা থেকে শেষ পর্যন্ত জখম হওয়া কিডনি সম্পর্কে জানা যায়৷ ততদিনে কিডনির সমস্যা শেষ পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছে৷ এরপর থেকে প্রয়োজন কিডনির ডায়লিসিসের৷

    গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে, ১৩ শতাংশ করোনা রোগী যাদের কিডনি সমস্যা তৈরি হয়নি এবং নর্মাল eGFR বজায় রয়েছে শরীরে, তাদের ধীরেধীরে eGFR আরও কমেছে৷ করোনা থেকে মুক্তির পরও বার বার এই সব রোগীর চেকআপ প্রয়োজন৷ কারণ শুধু করোনা থেকে মুক্তি বা সুস্থ হয়ে ওঠাই মূল বিষয় নয়, শরীর কতটা এবং কীভাবে প্রভাব ফেলছে করোনা, সেটা জানাও বিশেষভাবে প্রয়োজন৷ জানিয়েছেন ডাঃ অতুল ইঙ্গাল৷ ফলে করোনা পরবর্তীতে নিয়মিত সঠিক চিকিৎসা এবং ওষুধের ফলে একেবারে সুস্থ হয়ে ওঠার মূলমন্ত্র৷

    Published by:Pooja Basu
    First published: