Narendra Modi: করোনায় অনাথ শিশুদের পড়াশোনার ভার নিল কেন্দ্র, ভবিষ্যতে মিলবে ১০ লক্ষ টাকা

নরেন্দ্র মোদি৷ Photo-PTI

করোনার (Coronavirus) ধাক্কায় যারা অনাথ হয়েছে, তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা করতে এ দিন একটি বৈঠকে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)৷

  • Share this:

    #দিল্লি: করোনায় বাবা মাকে হারিয়েছে অনেক শিশু এবং স্কুল পড়ুয়া৷ অনাথ হয়ে অনিশ্চিত ভবিষ্যতের মুখে পড়েছে তারা৷ এবার তাদের ভবিষ্যতের কথা মাথা রেখেই বিশেষ প্রকল্পের কথা ঘোষণা করল কেন্দ্রীয় সরকার৷ কেন্দ্রের ঘোষণা অনুযায়ী, করোনা আক্রান্ত হয়ে যাদের বাবা-মা মারা গিয়েছে, এমন অনাথ শিশু বা স্কুল পড়ুয়ারা যখন ১৮ বছরে পৌঁছবে তখন তাদের জন্য তৈরি থাকবে ১০ লক্ষ টাকার তহবিল৷ সেই টাকা থেকে তাদের উচ্চশিক্ষার জন্য় মাসিক ভাতার ব্যবস্থা করা হবে৷ আর ২৩ বছর বয়স হলে তারা এককালীন টাকা পাবে৷ এ দিন ট্যুইট করে কেন্দ্রের এই উদ্যোগের কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি৷ দ্বিতীয় নরেন্দ্র মোদি সরকারের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তির আগের দিন এই ঘোষণা করা হল৷

    করোনার ধাক্কায় যারা অনাথ হয়েছে, তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা করতে এ দিন একটি বৈঠকে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি৷ সেই বৈঠকেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে৷ সিদ্ধান্ত হয়েছে, অনাথ এই শিশু বা স্কুল পড়ুয়াদের জন্য ফিক্সড ডিপোজিট করা হবে৷ পিএম কেয়ার্স ফান্ড থেকেই এর জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ দেওয়া হবে৷

    ট্যুইটারে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, 'করোনায় অনেক শিশুই তাদের বাবা-মাকে হারিয়েছে৷ সরকার এই শিশুদের খেয়াল রাখবে, তাদের জন্য সম্মানজনক জীবনের পাশাপাশি ভবিষ্যতের জন্য সুযোগ তৈরি করে দেবে৷ পিএম কেয়ার্স তহবিল থেকে এই শিশুদের পড়াশোনা এবং অন্যান্য সুযোগ সুবিধার ব্যবস্থা করা হবে৷'

    প্রধানমন্ত্রীর দফতর থেকে জানানো হয়েছে, পিএম কেয়ার্স ফান্ডের অর্থ দিয়ে এই অনাথ শিশু এবং স্কুল পড়ুয়াদের জন্য বিশেষ একটি প্রকল্প শুরু করা হবে৷ যাতে এই শিশুরা ১৮ বছর বয়স হলেই উচ্চশিক্ষার জন্য প্রতি মাসে তারা ভাতা পাবে৷ আর ২৩ বছর বয়স হলে পেশাদারি প্রয়োজনে কাজে লাগানোর জন্য তারা এককালীন টাকা পাবে৷

    শুধু তাই নয়, এই শিশুদের বিনামূল্যে পড়াশোনার ব্যবস্থাও করা হবে৷ দশ বছরের নীচে যাদের বয়স তাদের কেন্দ্রীয় বিদ্যালয়ে ভর্তি করার ব্যবস্থা করা হবে৷ অথবা বেসরকারি স্কুলে পড়লে যাবতীয় খরচ বহন করা হবে পিএম কেয়ার্স ফান্ড থেকেই৷ ১১ থেকে ১৮ বছর বয়সি যে স্কুল পড়ুয়ারা করোনায় নিজেদের বাবা-মাকে হারিয়েছে, তাদেরকেও কেন্দ্রীয় সরকারি আবাসিক স্কুলে পড়াশোনার ব্যবস্থা করা হবে৷ যদি দেখা যায় তারা পরিবারের অন্য সদস্যদের কাছে থাকতে চায়, সেক্ষেত্রে ওই পড়ুয়াদের বেসরকারি স্কুলে ভর্তির ব্যবস্থাও করা হবে৷

    এ ছাড়াও উচ্চশিক্ষার জন্য অনাথ এই শিশু বা স্কুল পড়ুয়াদের ঋণ পেতে সাহায্য করা হবে৷ ঋণের সুদও কেন্দ্রীয় সরকারই বহন করবে৷ প্রয়োজনে তাদের বৃত্তিও দেওয়া হবে৷ আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পে এই অনাথ শিশু বা কিশোর-কিশোরীদের ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত স্বাস্থ্য বিমার ব্যবস্থাও করবে কেন্দ্র৷

    Published by:Debamoy Ghosh
    First published: