Mimi Chakraborty : 'আমি সুস্থ আছি, প্যানিক করবেন না!' ভিডিও বার্তায় আস্বস্ত করলেন সাংসদ মিমি চক্রবর্তী

কেমন আছেন মিমি? Photo : File Photo

অভিনেত্রীর স্বাস্থ্য নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অনুরাগীরা (Mimi Chakraborty Followers)। মানুষের মধ্যে প্যানিক কমাতে এবার দায়িত্বশীল নাগরিক, সর্বোপরি দেশের একজন সাংসদ (TMC MP) হিসেবে নিজেই ভিডিয়ো বার্তা দিলেন মিমি চক্রবর্তী (Mimi Chakraborty)।

  • Share this:

    #কলকাতা : ভুয়ো ভ্যাকসিন (Fake Vaccination) কাণ্ডের অন্যতম শিকার খোদ সাংসদ মিমি চক্রবর্তী (TMC MP Mimi Chakraborty)। ইতিমধ্যে তাঁরই উদ্যোগে গ্রেফতার হয়েছেন ভ্যাকসিন ক্যাম্পের (Kasba fake vaccine centre) আয়োজক দেবাঞ্জন দেব। এদিকে জালিয়াতির খবর ছড়িয়ে পড়তেই চাউর হয়ে যায় কসবার ভুয়ো টিকা কেন্দ্রে (Kasba fake vaccine centre) আদতে দেওয়াই হয়নি করোনা ভ্যাকসিন। এরপরই ওই টিকা কেন্দ্র থেকে ভ্যাকসিন নেওয়া মানুষদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পরে। টিকাকেন্দ্র থেকে ভ্যাকসিন নিয়েছিলেন খোদ সাংসদ অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তীও (Mimi Chakraborty)। অভিনেত্রীর স্বাস্থ্য নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অনুরাগীরা (Mimi Chakraborty Followers)। মানুষের মধ্যে প্যানিক কমাতে এবার দায়িত্বশীল নাগরিক, সর্বোপরি দেশের একজন সাংসদ (TMC MP) হিসেবে নিজেই ভিডিয়ো বার্তা দিলেন মিমি চক্রবর্তী (Mimi Chakraborty)।

    বৃহস্পতিবার সোশ্যাল মিডিয়ায় ফের একবার ওই ভুয়ো ভ্যাকসিন ক্যাম্প নিয়ে মুখ খুললেন মিমি (Mimi Chakraborty)। মূলত যাঁরা ওই ক্যাম্প থেকে ভ্যাকসিন নিয়েছেন, তাঁদের সকলের উদ্দেশ্যে এই বার্তা দিয়েছেন সাংসদ, অভিনেত্রী। ভিডিয়ো বার্তায় মিমি (Mimi Chakraborty) বলেন, ''গতকালের ঘটনার পর আমার কাছে অনেক ফোন, মেসেজ এসেছে? আমি কেমন আছি, অনেকেই খোঁজ নিচ্ছেন। তাঁদেরকে জানাতে চাই আমি ভালো আছি। ভয় পাবেন না, আশা করি আপনারাও সুস্থ আছেন। ওই ভ্যাকসিনের নমুনা ল্যাবে পাঠানো হয়েছে। ৪-৫ দিনের মধ্যেই জেনে যাব, ওতে ঠিক কী ছিল? তবে যতটুকু কথা বলে জেনেছি ওতে ক্ষতিকারক কিছু ছিল না, তবে হ্যাঁ, ওতে ভ্যাকসিনও ছিল না।''

    অন্যদিকে, পুরসভার প্রাথমিক রিপোর্টে সামনে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য। কসবা সেন্টার থেকে দেওয়াই হয়নি কোনও কোভিশিল্ড। পুরসভার প্রাথমিক তদন্তে অনুমান, কোনও হাম বা বিসিজি জাতীয় ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে। পাউডার ও লিকুইড মিশিয়ে তৈরি ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছিল ওই সেন্টারে।টিকার কোনও ভায়ালেই ছিল না ম্যানুফ্যাকচারিং ডেট, এক্সপায়ারি ডেট। ছিল না ব্যাচ নম্বরও। পাউডারের সঙ্গে জল মিশিয়ে সেই তরলই টিকার নাম করে দেওয়া হয়েছিল সাংসদ মিমি চক্রবর্তী এবং বহু মানুষকে, প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে এমনটাই।

    Published by:Sanjukta Sarkar
    First published: