Viral Video: করোনা থেকে বাঁচতে জ্যান্ত শাঁখামুঠে সাপ কামড়ে-চিবিয়ে খাচ্ছেন ব্যক্তি! তারপর যা হল...

করোনা থেকে বাঁচতে বিষধর সাপ খেয়ে নিয়েছেন ( man ate highly venomous snake for keeping coronavirus at bay) তামিলনাড়ুর মাদুরাইয়ের এক ব্যক্তি। কিন্তু তারপর যা ঘটেছে, তা ভয়ঙ্কর...

করোনা থেকে বাঁচতে বিষধর সাপ খেয়ে নিয়েছেন ( man ate highly venomous snake for keeping coronavirus at bay) তামিলনাড়ুর মাদুরাইয়ের এক ব্যক্তি। কিন্তু তারপর যা ঘটেছে, তা ভয়ঙ্কর...

  • Share this:

    #তামিলনাড়ুঃ প্রাণঘাতী করোনার সংক্রমণ (coronavirus) থেকে নিজেকে এবং পরিবারকে বাঁচাতে কে, কী না করছে। কেউ কাদা বা গোবর মাখার নিদান দিচ্ছে, কেউ যজ্ঞ করছে, কোথাও আবার ডিজে বাজিয়ে গ্রামের মহিলারা পুজো দিচ্ছেন জাগ্রত দেবতাকে। সাধারণ মানুষ যারা কুসংস্কার থেকে কয়েক যোজন দূরে তাঁরা মুঠো মুঠো ভিটামিন সি, লেবু, টক জিনিস খাচ্ছেন। কিন্তু করোনা থেকে বাঁচতে বিষধর সাপ খেয়ে নিয়েছেন ( man ate highly venomous snake for keeping coronavirus at bay) কেউ, আজকের আগে সেই খবর মেলেনি। কিন্তু তারপর যা ঘটেছে, তা ভয়ঙ্কর...

    তামিলনাড়ুর (Tamil Nadu) মাদুরাইয়ের (Madurai) বাসিন্দা ভাদিভেলু নামে এক ব্যক্তি করোনাকে দূরে রাখতে প্রবল বিষধর একটি সাপ খেয়ে ফেলেছেন। ভয়ঙ্কর এবং চাঞ্চল্যকর এই ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল (video went viral) হয়েছে সম্প্রতি। তাতে দেখা গিয়েছে, ওই ব্যক্তি জ্যান্ত একটি বিষধর সাপ (raw poisonous snake) ধরে, না মেরেই তাতে কামড় দিচ্ছেন। তারপর চিবিয়ে গিলে নিচ্ছেন নির্বিকারে। তবে সাপটি খাওয়ার পরেও দিব্যি বেঁচে গিয়েছেন ভাদিভেলু। জানা গিয়েছে, পুরো সাপটি খেলেও ভাদিভেলু বিষের থলিতে কামড় বসাননি। তাই প্রাণে বেঁচে গিয়েছেন।

    জানা গিয়েছে, মাদুরাইয়ের পেরুমালপাত্তির বাসিন্দা বছর পঞ্চাশের ভাদিভেলু কুলির কাজ করেন। তাঁর ধারণা বিষাক্ত সাপ, করোনা সংক্রমণ দূরে রাখতে পারে (antidotes to COVID-19), তাই এ ভাবে কাঁচা সাপ খাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। যে সাপ ভাদিভেলু খেয়েছেন, সেটি শাঁখামুঠে (common krait) প্রজাতির। তবে যে সময়ে ভাদিভেলু সাপটি খেয়েছেন, আসেই সময় তিনি মদ্যপ অবস্থায় ছিলেন। প্রসঙ্গত, ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পরে বনদফতর ভাদিভেলুকে গ্রেফতার করে। এমনকি ৭০০০ হাজার টাকা জরিমানাও করা জয় বন্যপ্রাণ মেরে ফেলার জন্য।

    Published by:Shubhagata Dey
    First published: