Rajasthan: সিট বেল্ট দিয়ে মেয়ের দেহ বেঁধে ৮৫ কিমি গাড়ি চালিয়ে শ্মশানে নিয়ে গেলেন বাবা!

এই হৃদয়বিদারক ছবি ভাইরাল হতেই নড়চড়ে বসেছে প্রশাসন। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে।

এই হৃদয়বিদারক ছবি ভাইরাল হতেই নড়চড়ে বসেছে প্রশাসন। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে।

  • Share this:

    #কোটা: করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে টালমাটাল ভারত । চারিদিকে যন্ত্রণা, হাহাকার, বিচ্ছেদ । মানুষ ধুঁকছে, যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছে...ভেঙে পড়েছে স্বাস্থ্য পরিকাঠামো । নেই হাসপাতালে বেড, নেই টিকা, নেই অক্সিজেন, নেই চিকিৎসা পরিষেবাটুকুও । আর তারই মধ্যে দেশের এই দূর্দিনেও নিজেদের আখের গুছিযে নিতে ব্যস্ত একদল অসাধু ব্যবসায়ী ।

    সুযোগ বুঝে কেউ ওষুধের কালোবাজারি করছে, কেউ বা বিপুল দর হাঁকছে নূন্যতম পরিষেবা দিতে । হাসপাতালে চলছে দালাল চক্র, কখনও ভুয়ো টিকা দেওযা অভিযোগ উঠছে, কখনও আবার বিপুল দাম চাইছে অ্যাম্বুলেন্স । শ্মশানেও একই চিত্র । মৃতদেহ বহন করা থেকে শেষকৃত্য করার জন্যও বিরাট টাকা চাওয়া হচ্ছে । সেই টাকা দিতেই অসমর্থ্য হয়ে শেষ পর্যন্ত নিজেই গাড়ি চালিয়ে মেয়ের মৃতদেহ শ্মশানে নিয়ে গেলেন রাজস্থানের এক অসহায় পিতা ।

    গাড়ির সামনের সিটে করোনায় মৃত মেয়ের পলিথিনে জড়ানো মৃতদেহ সিট বেল্ট দিয়ে বেঁধে নিজেই বসলেন চালকের আসনে । কাঁদতে কাঁদতে ৮৫ কিমি রাস্তা গাড়ি চালিয়ে নিয়ে গেলেন শ্মশানে । কারণ ওই রাস্তা যেতে অ্যাম্বুলেন্স চালকরা দর হাঁকছিল প্রায় ৩৫ হাজার টাকা । শেষ পর্যন্ত উপায় না দেখে নিজেই গাড়ি চালিয়ে মেয়েকে শ্মশানে নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন সদ্য সন্তানহারা শোকে কাতর বাবা । ঘটনাটি ঘটেছে রাজস্থানের কোটা শহরে । এই হৃদয়বিদারক ছবি ভাইরাল হতেই নড়চড়ে বসেছে প্রশাসন। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে।

    কোভিড -১৯-এ আক্রান্ত মেয়ে সীমাকে ২৪ এপ্রিল কোটার এক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। রবিবার তিনি মারা যান। এরপর দেহ কোটা থেকে ঝালওয়ার পর্যন্ত নিয়ে যেতে অ্যাম্বুলেন্স ভাড়া করতে যায় পরিবার। কিন্তু বিপুল টাকার অঙ্ক শুনে পিছিয়ে আসেন তাঁরা । শেষ পর্যন্ত বাবা নিজেই মেয়েকে গাড়িতে চড়িয়ে নিয়ে যান শ্মশানে ।

    Published by:Simli Raha
    First published: