Coronavirus Vaccine : ১২ থেকে ১৮ বয়সিদের করোনা টিকাকরণ শীঘ্রই! সুপ্রিমকোর্টে জানাল কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক

এবার টিকাকরণে ১২-১৮ Photo : Collected

শীঘ্রই ১২ থেকে ১৮ বছর বয়সিদের জন্য জাইডাস ক্যাডিলার ( Zydus Cadila vaccine) টিকা (Coronavirus Vaccine) ভারতের বাজারে পাওয়া যাবে। ইতিমধ্যেই এই টিকার ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল (Clinical Trial) হয়ে গিয়েছে।

  • Share this:

#নয়াদিল্লি : কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে সুপ্রিমকোর্টকে জানানো হল, শীঘ্রই ১২ থেকে ১৮ বছর বয়সিদের জন্য  জাইডাস ক্যাডিলার  ( Zydus Cadila vaccine)  টিকা (Coronavirus Vaccine) ভারতের বাজারে পাওয়া যাবে। ইতিমধ্যেই এই টিকার ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল (Clinical Trial) হয়ে গিয়েছে। এই প্রসঙ্গে শনিবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পক্ষ থেকে সুপ্রিমকোর্টকে (Supreme Court) জানানো হয়, ভারতে ১৮ বছরের উপর বয়সিদের জনসংখ্যা ৯৩-৯৪ কোটি। এদের সবাইকে যদি দুটো করে ডোজ  দেওয়া হয় সেক্ষেত্রে ১৮৬ থেকে ১৮৮ কোটি টিকার  প্রয়োজন হবে।

তবে এক্ষেত্রে ভারতীয় ওষুধ প্রস্তুতকারক সংস্থা জাইডাস ক্যাডিলা ( Zydus Cadila vaccine) খুব দ্রুততার সঙ্গে তাদের কাজটি করছে। আর সে ক্ষেত্রে খুব শীঘ্রই তারা  ১২ থেকে ১৮ বছর বয়সিদের জন্য এই টিকা বাজারে নিয়ে আসতে চলেছে। অতএব কেন্দ্রীয় সরকারের টিকাকরণ নিয়ে যে লক্ষ্যমাত্রা, অর্থাৎ ডিসেম্বরের মধ্যে 'ভ্যাকসিন ফর অল', সেটি আরও একধাপ এগিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হল।

প্রসঙ্গত, গত ৩১শে মে তারিখে ভারত সরকারের কোভিড ম্যানেজমেন্ট নীতির (Covid Management Policy) উপর প্রশ্ন তুলে সুপ্রিমকোর্টে (Supreme Court) এই সংক্রান্ত একটি সুয়োমোটো কেসের শুনানি হয়। সেখানে সর্বোচ্চ আদালত ভারত সরকারকে এই সংক্রান্ত কিছু প্রশ্নও করেন। এর পরেই এই প্রশ্নের জবাব হিসাবে ইউনিয়ন মিনিস্টার অফ হেলথ এন্ড ফ্যামিলি ওয়েলফেয়ার এর পক্ষ থেকে ৩৭৫ পাতার একটি এফিডেভিট জমা দেওয়া হয় সর্বোচ্চ আদালতের কাছে। ভারত সরকারের পক্ষ থেকে এও  জানানো হয় যে মে মাসের পর থেকে টিকাকরণ (Corona Vaccination policy) নীতির ক্ষেত্রে আরও নতুন কিছু নিয়ম আনা হয়েছে এবং তাকে নতুনভাবে পর্যালোচনাও করা হয়েছে।

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক জানায় তারা ইতিমধ্যেই চাহিদামত টিকার যোগানের ব্যবস্থা শুরু করে দিয়েছে। সেই অনুযায়ী কোন খাতে কত টাকা ব্যবহার করা হচ্ছে সেটিও ওই এফিডেভিটে উল্লিখিত করা হয়েছে। কেন্দ্রের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ আদালতের কাছে  পেশ করা ওই নথিতে  আরও জানানো হয়েছে, ধনী-দরিদ্র নির্বিশেষে ১৮ বছর বয়সের উপর সবাই যাতে এই সুবিধা বিনামূল্যে পায় তার জন্য যা যা করণীয় সমস্ত সুরক্ষা বিধি বজায় রেখেই তা করছে সরকার। ভারত সরকারের পক্ষ থেকে সুপ্রিমকোর্টের কাছে পেশ করা ওই নথিতে এও  জানানো হয়েছে এই প্রকল্পটির জন্য টিকা কেনা বাবদ ইতিমধ্যেই ১০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ হয়ে গেছে। টিকা কেনার জন্য খরচও হয়েছে।

এর আগে বিচারপতি ডি ওআই চন্দ্রচূড় কেন্দ্রের কোভিড টিকাকরণ নীতিকে ভর্ৎসনা করে বলেছিলেন, প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে এটি একটি হঠকারী এবং যুক্তিহীন পরিকল্পনা। কারণ এক্ষেত্রে রাজ্য সরকার এবং বেসরকারি হাসপাতালগুলির কাছে টাকা চাওয়ার রাস্তা খোলা রাখা হয়েছে। প্রথম দু'দফায় সেটা বিনামূল্যে পাওয়া যেত কিন্তু এখন যারা চাইবে তারা পয়সা দিয়ে  এটা নিতে পারে তাই এটি একটি হঠকারী নীতি এবং এর বিরুদ্ধে পর্যালোচনা করার জন্য তিনি সরকারকে নির্দেশ দিয়েছিলেন। সর্বোচ্চ আদালতের পক্ষ থেকে কেন্দ্রের কাছে তখনই জানতে চাওয়া হয়েছিল এই পরিকল্পনাটি করার জন্য যে ৩৫ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছে তা কোথায় এবং কী ভাবে কেন্দ্রীয় সরকার খরচ করেছে তার উপযুক্ত প্রমাণ-সহ তাঁরা  যেন আদালতের কাছে পেশ করেন।  এরপরই ভারত সরকারের পক্ষ থেকে এই নীতির  পুনর্নবীকরণ করা হয় এবং ২১ শে জুন জানানো হয়, এরপর থেকে ১৮ থেকে ৪৪ বছরের বেশি বয়সীদের টিকা ভারত সরকার কিনে সমস্ত রাজ্যকে সরবরাহ করবে, এবং সেটা বিনামূল্যে সবাই কে দেওয়া হবে।

Published by:Sanjukta Sarkar
First published: