Coronavirus Vaccination: অন্তঃসত্ত্বা, স্তন্যপান করানো মহিলাদের জন্য নিরাপদ চার ভ্যাকসিনই, জানালো কেন্দ্র

প্রতীকী ছবি৷ Photo-PTI

ভারতে এখনও পর্যন্ত কোভিশিল্ড (Covishield), কোভ্যাক্সিন (Covaxin) এবং স্পুটনিক ভি টিকা সাধারণ মানুষকে দেওয়া হচ্ছে (Coronavirus Vaccination)৷ এ দিনই মডার্নার টিকাকেও জরুরি ব্যবহারের জন্য অনুমোদন দেওয়া হয়েছে৷

  • Share this:

    #নয়াদিল্লি: ভারতে এখনও পর্যন্ত যে চারটি করোনার টিকা অনুমোদিত হয়েছে, তার সবকটিই সন্তান সম্ভবা মহিলাদের জন্য নিরাপদ৷ একই ভাবে স্তন্যপান করাচ্ছেন যে মায়েরা, তাঁরাও নিশ্চিন্তে করোনার এই চারটি করোনার টিকা নিতে পারেন৷ এ দিন এমনই দাবি করেছেন কেন্দ্রীয় সরকারের কোভিড টাস্ক ফোর্সের প্রধান এবং নীতি আয়োগের সদস্য ভি কে পাল৷

    ভারতে এখনও পর্যন্ত কোভিশিল্ড, কোভ্যাক্সিন এবং স্পুটনিক ভি টিকা সাধারণ মানুষকে দেওয়া হচ্ছে৷ এ দিনই মডার্নার টিকাকেও জরুরি ব্যবহারের জন্য অনুমোদন দেওয়া হয়েছে৷ একই সঙ্গে ভি কে পাল দাবি করেছেন, করোনার টিকা নেওয়ার সঙ্গে প্রজনন ক্ষমতা হারানো বা কমে যাওয়ার কোনও সম্পর্কই নেই৷ তবে সন্তান সম্ভবা মহিলাদের উপরে ভ্যাকসিনের আদৌ কোনও নেতিবাচক প্রভাব পড়ে কি না, কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক তা এখনও খতিয়ে দেখছে বলে দাবি করেছেন নীতি আয়োগের স্বাস্থ্য বিষয়ক ওই সদস্য৷

    ভি কে পাল বলেন, 'অন্তঃসত্ত্বা মহিলাদের জন্য ভ্যাকসিন সংক্রান্ত একটি নির্দেশিকা খুব শিগগিরই প্রকাশ করা হবে৷ সন্তান সম্ভবা মহিলাদের জন্য সব ভ্যাকসিনই নিরাপদ৷ কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক এই বিষয়টি আরও খতিয়ে দেখছে৷' সন্তান সম্ভবা মহিলাদের ভ্যাকসিনের গুরুত্ব বোঝাতে ইতিমধ্যেই টিকা দানকারী চিকিৎসকক, স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য একটি গাইডলাইন তৈরি করেছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক৷

    সাধারণত করোনা আক্রান্ত ৯০ শতাংশ অন্তঃসত্ত্বাই বাড়িতে সুস্থ হয়ে ওঠেন৷ তবে কিছু ক্ষেত্রে শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটতে পারে৷ এমন কি, গর্ভস্থ ভ্রূণেরও ক্ষতি হতে পারে৷ সেই কারণেই সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে টিকা নিয়ে নেওয়া উচিত বলে কেন্দ্রের ওই গাইডলাইনে বলা হয়েছে৷ আবার অন্তঃসত্ত্বা হলে করোনা আক্রান্ত হওয়ার ঝঁুকি বাড়ে না বলেও আশ্বস্ত করা হয়েছে৷

    তবে পয়ত্রিশোর্ধ্ব সন্তান সম্ভবা মহিলাদের ক্ষেত্রে এবং যাঁদের রক্তচাপ, ওবেসিটির মতো সমস্যা রয়েছে, তাঁরা করোনা আক্রান্ত হলে শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ার আশঙ্কা থাকে বলেও সরকারি ওই নথিতে সতর্ক করা হয়েছে৷

    Published by:Debamoy Ghosh
    First published: