কোভিড আক্রান্তদের পাশে 'বন্ধু' অনীক, নিখরচায় রোগীর বাড়িতে পৌঁছে যাবে খাবার

অনীক ধর, ছবি-ফেসবুক

পরিষেবা পাওয়ার জন্য একটি নির্দিষ্ট ফোন নাম্বারে যোগাযোগ করতে হবে । হোয়াটসঅ্যাপে পাঠাতে হবে আধারকার্ড এবং কোভিড পজিটিভ রিপোর্টের ছবি ।

  • Share this:

    কলকাতা: করোনাকালে মানবিক মুখ ধরা পড়েছে সমাজের মানবিক মুখ ধরা পড়েছে বিভিন্ন স্তরে । সাধারণ মানুষের পাশাপাশি সেলেবরাও সামিল হয়েছেন সেবার উদ্যোগে । সেই স্রোতে এ বার পাড়ি দিলেন অনীক ধর । ফেসবুক লাইভে সে খবর জানিয়েছেন শিল্পী । উদ্যোগের নাম ‘বন্ধু আছি’ । এই উদ্যোগে অনীকের পাশে আছে শহরের এক নামী ক্লাব ও অন্য একটি সংস্থা ।

    ঠিক করা হযেছে, প্রতিদিন পনেরো জন কোভিড আক্রান্তকে দু বেলা স্বাস্থ্যসম্মত পুষ্টিকর খাবার পৌঁছে দেওযা হবে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে । আপাতত গড়িয়া থেকে পার্ক সার্কাস এবং টালিগঞ্জ থেকে ভবানীপুর এই সেবা দেওয়া হবে । প্রাথমিক ভাবে পনেরো জনের কথা বলা হলেও পরে এই সংখ্যা বাড়ানো হতে পারে পরিস্থিতি বুঝে , জানিয়েছেন গায়ক ।

     পরিষেবা পাওয়ার জন্য একটি নির্দিষ্ট ফোন নাম্বারে যোগাযোগ করতে হবে । হোয়াটসঅ্যাপে পাঠাতে হবে আধারকার্ড এবং কোভিড পজিটিভ রিপোর্টের ছবি । খাবারের প্রয়োজনের কথা জানাতে হবে চব্বিশ ঘণ্টা আগে, বেলা বারোটা থেকে বিকেল পাঁচটার মধ্যে । তার পর স্বেচ্ছাসেবকরা নির্দিষ্ট ঠিকানায পৌঁছে দেবেন খাবারের প্যাকেট ।

    অনীকের কথায়, এই পরিস্থিতিতে অক্সিজেন ও ওষুধের প্রয়োজন তো আছেই । কিন্তু যাঁদের হাসপাতালে যেতে হচ্ছে না, বাড়িতেই নিভৃতবাসে আছেন, তাঁদের ক্ষেত্রে রান্না করা বড় সমস্যা । বিশেষ করে ভাবনাচিন্তা করা হয়েছে প্রবীণ নাগরিকদের কথা । যাঁদের ছেলেমেয়েরা কর্মসূত্রে প্রবাসী । এরকম আর্তদের পাশে দাঁড়াতেই এগিয়ে এসেছে ‘বন্ধু আছি’ . শিল্পীর আর্জি, আরও অনেকে স্বেচ্ছাসেবী হয়ে এগিয়ে আসুন এই উদ্যোগে ।

    অনীকের পরিবারেও হানা দিয়েছে করোনা ভাইরাস । তাঁর দাদু এই রোগে আক্রান্ত । সেই পরিস্থিতিতেও শিল্পী অগ্রণী হয়েছেন অন্যদের দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিতে ।

    ইতিমধ্যেই পরিচালক সৃজিত মুখোপাধ্যায় উদ্যোগ নিয়েছেন কোভিড আক্রান্তদের কাছে খাবার পৌঁছে দেওয়ার । দেবের রেস্তরাঁ থেকেও কোভিড রোগীদের কাছে খাবার পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ শুরু হয়েছে । বিপন্ন সময়ে মানুষের পাশে ভরসা হয়ে দাঁড়াচ্ছে টলিপাড়ার বিনোদনদুনিয়া ।

    Published by:Arpita Roy Chowdhury
    First published: