Home /News /business /
মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগে আগ্রহী? সবার আগে জানতে হবে আলফা আর বিটা নিয়ে!

মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগে আগ্রহী? সবার আগে জানতে হবে আলফা আর বিটা নিয়ে!

মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগ করার আগে জেনে নেওয়া দরকার এর আলফা (Alpha) এবং বিটা (Beta) সম্বন্ধে।

  • Share this:

#নয়াদিল্লি: মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগ করার প্রক্রিয়া তেজ গতিতে পরিবর্তিত হচ্ছে। যারা শেয়ার বাজারের মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগ করে, তাদের কয়েকটি বেসিক নিয়ম জেনে রাখা খুব জরুরি। মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগ করার আগে জেনে নেওয়া দরকার এর আলফা (Alpha) এবং বিটা (Beta) সম্বন্ধে। এটি অঙ্কের আলফা এবং বিটা নয়। এটি হল মিউচুয়াল ফান্ডের আলফা এবং বিটা, যা জানা খুব প্রয়োজন।

আরও পড়ুন: বীভৎস রীতি! প্রিয়জনদের মৃত্যু হলে কেটে নেওয়া হয় বাড়ির মহিলাদের আঙুল...

মিউচুয়াল ফান্ডের যে কোনও ফান্ড বেছে নেওয়ার জন্য, এর পাঁচটি ইন্ডিকেটর রয়েছে। এগুলো হল আলফা, বিটা, স্কোয়ারড, স্ট্যান্ডার্ড ডেবিয়েশন এবং শার্প রেশিও। মিউচুয়াল ফান্ডের আলফা এবং বিটা সম্পর্কে জেনে একে ক্যালকুলেট করে মিউচুয়াল ফান্ডে কী পরিমাণে রিটার্ন পাওয়া যাবে তা জানা সম্ভব। এক নজরে দেখে নেওয়া যাক মিউচুয়াল ফান্ডের আলফা এবং বিটা নিয়ে।

আরও পড়ুন: বিশ্ব বাজারে তেলের দাম বৃদ্ধির মধ্যে কত হল পেট্রোল-ডিজেলের দাম ....

আলফা -

আলফা কোনও ফান্ডের পারফর্মেন্স সকলের সামনে তুলে ধরতে সাহায্য করে। মিউচুয়াল ফান্ডের আলফা সরাসরি সেই ফান্ডের বেঞ্চমার্ক ইনডেক্স কত বেশি এবং কম রিটার্ন দিয়েছে তা দেখায়। ধরা যাক কেউ কোনও ফান্ডে বিনিয়োগ করেছে এবং সেই ফান্ডের বেঞ্চমার্ক হল ২০ শতাংশ এবং সেই ফান্ড রিটার্ন দিয়েছে ২৫ শতাংশ। সুতরাং সেই ফান্ডের আলফা অর্থাৎ পারফর্মেন্স ৫ শতাংশ বেশি। সেই ফান্ডের থেকে বিনিয়োগকারী ৫ শতাংশ বেশি রিটার্ন পেয়েছে।

ধরা যাক কেউ কোনও ফান্ডে বিনিয়োগ করেছে এবং সেই ফান্ডের বেঞ্চমার্ক হল ২০ শতাংশ এবং সেই ফান্ড রিটার্ন দিয়েছে ১৫ শতাংশ। সুতরাং সেই ফান্ডের আলফা অর্থাৎ পারফর্মেন্স হল ৫ শতাংশ কম। সেই ফান্ডের থেকে বিনিয়োগকারী ৫ শতাংশ কম রিটার্ন পেয়েছে তার বিনিয়োগের তুলনায়। এর ফলে আলফা দেখে ফান্ড বেছে নিলে ভাল রিটার্ন পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। মিউচুয়াল ফান্ডের পজিটিভ আলফা বিনিয়োগকারীদের ভাল রিটার্ন পেতে সাহায্য করে।

আরও পড়ুন: নতুন গাড়ি কিনেছেন? বিমার প্রিমিয়াম কমানোর ১০ কৌশল জেনে নিন!

বিটা -

কোন ফান্ড বাজারে কতটা সেনসিটিভ সেটা বিটার সাহায্যে বোঝা যায়। বাজারে সেই ফান্ড কতটা ওপরে এবং নিচে যেতে পারে সেটি বোঝা যায় বিটার মাধ্যমে। যদি বিটা কম হয় তাহলে সেই ফান্ড নিচে নেমে যেতে পারে এবং যদি বিটা বেশি হয় তাহলে সেই ফান্ড ওপরে উঠতে পারে। সুতরাং কোনও ফান্ডে বিনিয়োগ করার আগে তার বিটা ভ্যালু ভাল করে দেখে নেওয়া প্রয়োজন। বিটার মাধ্যমে ক্ষতির সম্ভাবনা কম হতে পারে। বিটা ভ্যালু দেখে নিয়ে কোনও ফান্ডে বিনিয়োগ করলে ভাল রিটার্ন পাওয়ার সম্ভাবনা অনেকটাই বেড়ে যায়।

Published by:Dolon Chattopadhyay
First published:

Tags: Investment, Mutual Fund

পরবর্তী খবর