অবসরের পরে কীভাবে জীবনের সেরা সময় কাটাবেন

অবসরের পরে কীভাবে জীবনের সেরা সময় কাটাবেন

কর্মজীবন থেকে অবসর সব সময় সিনেমায় দেখানো গল্পের মতো সুখ, রোম্যান্স এবং অ্যাডভেঞ্চারে পরিপূর্ণ হয় না

কর্মজীবন থেকে অবসর সব সময় সিনেমায় দেখানো গল্পের মতো সুখ, রোম্যান্স এবং অ্যাডভেঞ্চারে পরিপূর্ণ হয় না

  • Share this:

    কর্মজীবন থেকে অবসর সব সময় সিনেমায় দেখানো গল্পের মতো সুখ, রোম্যান্স এবং অ্যাডভেঞ্চারে পরিপূর্ণ হয় না। টাকা জমানো এবং একটি দীর্ঘ এবং ক্লান্তিকর যাত্রার শেষে একটি বড় অঙ্কের জ্যাকপট হাতে পাওয়াই অবসরের একমাত্র উদ্দেশ্য নয়।

    যদি আপনি “অবসর-পরবর্তী পরামর্শ” খোঁজেন, তাহলে দেখতে পাবেন যে প্রায় ৯৫% তথ্যই সরাসরি ফাইন্যান্সিয়াল প্ল্যানিং সংক্রান্ত পরামর্শের সাথে যুক্ত। এই বিষয়টি বোঝার সবচেয়ে সহজ উপায় হল, আপনার কাছে সেই পরিমাণ অর্থ থাকা উচিত যা আপনাকে নিরাপত্তা প্রদান করবে এবং জীবনকে অর্থপূর্ণ করে তোলার জন্য আপনার পছন্দসই সমস্ত কাজ করার স্বাধীনতা দেবে।

    এই কথা ভেবেই নিয়ে আসা হয়েছে HDFC Life Click 2 Wealth -এর মতো দারুণ একটি জীবন বীমা প্ল্যান, যা আপনাকে এবং আপনার পরিবারকে জীবনের সুরক্ষা এবং নিশ্চিত রিটার্নের সুবিধা প্রদান করে। এখন আপনি Golden Years Benefit বিকল্পের সাহায্যে আপনার অবসরকালীন জীবনের পরিকল্পনা ও তার জন্য প্রস্তুতি নিতে পারেন। এই প্ল্যানটি কেন আপনার জন্য ভালো, তার কয়েকটি কারণ হল নিম্নরূপ:

    • ন্যূনতম রেটে কম্প্রিহেনসিভ প্ল্যান।

    • ম্যাচিওরিটির সময় আপনার ফান্ডের যে ভ্যালু হবে তা গ্রহণ করতে পারেন অথবা ম্যাচিওরিটির সময় সেটেলমেন্টের অধীনে যা ফান্ড ভ্যালু হবে তা নির্দিষ্ট সময় অন্তর ইনস্টলমেন্ট হিসেবে গ্রহণ করতে পারেন।

    • আপনার সন্তান/জীবনসঙ্গীর ভবিষ্যৎ Premium Waiver বিকল্পের সাথে সুরক্ষিত করুন।

    • আনলিমিটেড স্যুইচিং যা আপনার একত্রিত ফান্ডকে একটি থেকে অপর ফান্ডে যে কোনও সময় সরিয়ে দেওয়ার অনুমোদন প্রদান করে।

    • এর সাথে অন্যান্য রাইডার যোগ করার সুবিধা আপনার প্ল্যানকে আরও মজবুত করে তোলে।

    • কর ছাড়ের সুবিধা।

    এই দিকটি একবার সামলে নিলে, আপনি অন্যান্য দিকে নজর দিতে পারবেন। তার কিছু উদাহরণ তুলে ধরা হল:

    দৈনিক রুটিন তৈরি করুন

    বিশ্বের অধিকাংশ সফল ব্যক্তিদের আত্মজীবনীর মধ্যে বেশ কয়েকটি মিল চোখে পড়ে। তাদের মধ্যে অন্যতম হল, একটি দারুণ দৈনিক রুটিন থাকা। এর মধ্যে থাকতে পারে ভোর চারটেয় ঘুম থেকে ওঠা এবং তারপরে টেনিস খেলতে যাওয়া ও তারপরে কফি পান করা, ঠিক অ্যানা উইনটুরের মতো। কিংবা ভালো করে ঘুমানো, মেডিটেশান করা এবং একটি জার্নাল রাখা, যেখানে চোখ বোলালেই আপনি সহজে বুঝতে পারবেন যে আপনার শিডিউল কোনও দম বন্ধ করা পরিস্থিতি নয়।

    নতুন লক্ষ্যমাত্রা স্থির করুন

    অবসরের পরে আপনি কী করবেন, তার পরিকল্পনা করাটাও ঠিক ততটাই জরুরি যতটা অবসরের পরিকল্পনা করা। সর্বক্ষণ কাজে ব্যস্ত থাকার পরিবর্তে, তখন আপনি যা করতে পছন্দ করেন সেটা করার স্বাধীনতা পাবেন। এই রোডম্যাপ যত বেশি নির্দিষ্ট হবে, আপনার অবসর পরবর্তী জীবন তত বেশি উদ্যমী এবং উদ্দেশ্যপূর্ণ হয়ে উঠবে। কোনও বাদ্যযন্ত্র শিখতে চান? তাহলে ঠিক করে ফেলুন যে কোন যন্ত্র বাজাতে শিখবেন এবং কার কাছ থেকে শিখবেন। কোনও স্মৃতিকথা লেখার ইচ্ছা থাকলে, আগে ভাবুন সেটা নিজে লিখবেন ও সম্পাদনা করবেন, নাকি কোনও ছদ্মবেশী লেখক চাইবেন।

    বৃদ্ধির দিকে নজর দিন

    নিজের সর্বোত্তম ক্ষমতাকে কাজে লাগানোর সেরা উপায় হল শেখার এবং অন্তরের বৃদ্ধির প্রক্রিয়া অবিরাম চালিয়ে যাওয়া। আপনি নতুন কোনও অভিজ্ঞতা খুঁজতে পারেন, আপনার কোনও গুণের বিকাশ ঘটাতে পারেন, কোনও নতুন ও চ্যালেঞ্জিং কাজ করতে পারেন যা আপনাকে নিজের কমফর্ট জোন থেকে বের করে আনবে এবং এমন এক পৃথিবীর সাথে পরিচয় করাবে যেখানে আপনি নতুন স্মৃতি তৈরি ও সম্ভাবনার খোঁজ পাবেন।

    স্কুলে ফেরত যান

    এমন বহু ক্লাস রয়েছে যেখানে শারীরিক ভাবে উপস্থিত থেকে কিংবা অনলাইনে নিজের মনের বিকাশ ঘটাতে পারেন, সম-মনস্ক লোকজনের সংস্পর্শে আসতে পারেন এবং আপনার জীবনের লক্ষ্য পূরণ করার জন্য প্রয়োজনীয় সাহায্য পেতে পারেন। সারা জীবন ধরে শেখার মানসিকতা থাকলে তা আপনাকে অনুপ্রেরণা এবং প্রাসঙ্গিকতা জোগাবে, এমনকী তা জীবনের নতুন উদ্দেশ্য খুঁজে পেতেও সাহায্য করতে পারে।

    কোনও প্রিয় হবি তৈরি করুন

    না, আমরা একদমই চাই না যে আপনি সারা দিন টেলিভিশনের সামনে চুপচাপ বসে থাকুন। বয়সকালে শরীর ভালো রাখার অন্যতম উপায় হল নিজের ব্রেনকে চ্যালেঞ্জ জানানো, শারীরিক ভাবে সক্ষম থাকা এবং গঠনমূলক ভাবনা-চিন্তা করা। যদি আপনার বরাবর তাই-চি শেখার ইচ্ছা বা জুম্বা ক্লাস করার বাসনা থেকে থাকে, তাহলে নির্দ্বিধায় এগিয়ে যান এবং সেটি করে ফেলুন। পুরোনো কোনও হবি নতুন করে শুরু করার বা তাকে অন্য মাত্রায় নিয়ে যাওয়া, শিল্প ও সংস্কৃতির জগতে ফিরে যাওয়া কিংবা স্বাস্থ্য সংক্রান্ত কোনও কার্যক্রমে অংশগ্রহণ মাধ্যমে সুদূরপ্রসারী সুফল পাবেন।

    সবার শেষে বলা যেতে পারে, আপনার অবসর-পরবর্তী জীবন আর্থিক ভাবে সুরক্ষিত করার জন্য পরিকল্পনা করুন কিংবা কোনও বৃষ্টিমুখর দিনে বসে আপনার মূলধন একত্রিত করার কথা ভাবুন, এই প্ল্যান নিশ্চিত করবে যেন আপনার টাকা আপনার চেয়েও বেশি পরিশ্রম করে বেড়ে ওঠে। আপনি যে সম্পদ তিলে তিলে গড়ে তুলছেন তাকে সুরক্ষিত রাখুন এবং আপনার অবর্তমানেও যাতে আপনার প্রিয়জনেরা তাঁদের সমস্ত স্বপ্নপূরণ করতে পারে, সেই সুযোগ তৈরি করুন। তাহলেই তো বলতে পারবেন, জীবনটাকে সবচেয়ে ভালো ভাবে কাজে লাগিয়েছেন!

    HDFC Life Click 2 Wealth প্ল্যান সম্পর্কে বিশদে জানতে এখানে ক্লিক করুন।

    এটি একটি পার্টনার পোস্ট

    Published by:Ananya Chakraborty
    First published:

    লেটেস্ট খবর