Home /News /business /
এই Father’s Day-তে বাবার জন্য থাক বিশেষ আর্থিক উপহার

এই Father’s Day-তে বাবার জন্য থাক বিশেষ আর্থিক উপহার

প্রতীকী ছবি৷

প্রতীকী ছবি৷

বই সব সময়ই সেরা উপহার। আর তা যদি অর্থনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও শক্তিশালী করতে সাহায্য করে তবে তো কথাই নেই।

  • Share this:

#নয়াদিল্লি: বাবা মানেই দায়িত্ব, বাবা মানেই আর্থিক ভাবনা! সমাজ অনেকখানি বদলালেও ভারতবর্ষ আজও এমন করে ভাবে হয়তো। এমন কি. যে সব একাকী মায়েরা সংসার সামলান, সন্তান মানুষ করেন, তাঁরাও কখন যেন নিজেকে ‘বাবা’ ভেবে ফেলেন, সন্তানের, হয়তো নিজেরও।

আগামী রবিবার ফাদার্স ডে পালন করবে সারা বিশ্ব| সঙ্গে থাকবে ভারতবর্ষও। এ বিশেষ দিনটিতে প্রিয় বাবার কথা ভেবে কিছু না কিছু উপহার প্রায় সকলেই কেনেন। সে উপহার অবশ্যই অমূল্য। তেমনই অমূল্য উপহার হয়ে উঠতে পারে একটি টপ-আপ স্বাস্থ্য বিমা পলিসি কিংবা মিউচুয়াল ফান্ড বিনিয়োগ বা এই সংক্রান্ত পরামর্শ। বাবাদের জন্য উৎসর্গীকৃত দিনটিতে প্রিয় মানুষটির আর্থিক স্থিতিশীলতা এবং তাঁদের স্বাধীনতা বাড়ানোর বিভিন্ন উপায় নিয়ে ভাবনা চিন্তা করা যেতেই পারে। কী কী করা যেতে পারে, এই বিশেষ দিনটিতে? দেখে নেওয়া যাক এক নজরে।

আরও পড়ুন: ব্যাঙ্কের ফিক্সড ডিপোজিটেও রয়েছে রিস্ক! ইনভেস্ট করার আগে এই বিষয়ে অবশ্যই জেনে নিন...

আর্থিক পরিকল্পনাকারীর সঙ্গে আলোচনা বেশিরভাগ মানুষই কখনও না কখনও কোনও না কোনও ক্ষেত্রে বিনিয়োগ করেন। কিন্তু একটা নির্দিষ্ট সময়ের পর তার খেই হারিয়ে যায়। তাই পরিকল্পনা করা উচিত ভেবেচিন্তে। বাবাকে এ বিষয়ে পরামর্শ দেওয়া খুব দরকার। তাঁকে একজন পেশাদার আর্থিক পরিকল্পনাকারীর (financial planner) সঙ্গে দেখা করিয়ে দেওয়া যায়। পেশাদার আর্থিক পরিকল্পনাকারীরা আর্থিক বিষয়গুলিকে উদ্দেশ্যমূলক ভাবে মূল্যায়ন করেন। প্রয়োজনে তিনিই সাহায্য করতে পারে বিনিয়োগে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে।

আর্থিক পরিকল্পনা মানেই কোন স্টক কিনবেন আর কোনটা বিক্রি করবেন—এমনটা নয়। একজন আর্থিক পরিকল্পনাকারী (financial planner) সাহায্য করতে পারেন সামগ্রিক একটি বাজেট তৈরি করতে, উপযুক্ত বিমা প্রস্তাব করতে- জীবন এবং স্বাস্থ্য উভয়ই, বিনিয়োগগুলিকে পুনর্গঠন করতে এবং একটি সুন্দর আর্থিক ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত করতে। বুঝতে হবে যে জীবনের পরিবর্তনের পর্যায়গুলির সঙ্গে সঙ্গেই বিনিয়োগের উদ্দেশ্য এবং কৌশল গত পরিবর্তনও খুব জরুরি হয়ে পড়ে। একজন আর্থিক পরিকল্পনাকারী বা উপদেষ্টা এতে সাহায্য করতে পারেন।

ব্যক্তিগত অর্থের উপর বই, ব্লগ মেম্বারশিপ বই সব সময়ই সেরা উপহার। আর তা যদি অর্থনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও শক্তিশালী করতে সাহায্য করে তবে তো কথাই নেই। এ বছর ফাদার্স ডে-তে বাবার জন্য বেছে নেওয়া যেতেই পারে এ ধরনের একটি বই। অথবা, বইয়ের বিকল্প। Personal Finance-এর উপর নানা ধরনের ব্লগ (Blog)-ও রয়েছে। ওই সব ব্লগ সাবস্ক্রাইব করে দেওয়া যেতে পারে, যাতে বাবা ওই ব্লগের নিবন্ধগুলি পড়তে পারেন নিয়মিত।

আরও পড়ুন: মুদ্রাস্ফীতি সত্ত্বেও সোনায় বিনিয়োগ কি লাভজনক হতে পারে? জেনে নিন বিশদে

অর্থ এমন একটি বিষয় যা নিয়ে বোঝার মতো অনেক কিছু রয়েছে। আবার প্রতিদিনের জীবন তা সহজেই বুঝিয়ে দেয়। আর এই বোঝার কাজেই সাহায্য করতে পারে বিভিন্ন ধরনের নিবন্ধ। বর্তমানে এ ধরনের লেখালিখি নিয়ে একাধিক ওয়েবসাইট রয়েছে। তারা Financial Literacy-তে সাহায্য করে। বিনিয়োগের নতুন নতুন প্রবণতাগুলির উপর নজর রাখে। তারা বিনিয়োগের সুবিধা এবং অসুবিধা বুঝতে সাহায্য করে।

এ রকম একটি উপহার বাবার জন্য আদর্শ হতে পারে। এ ছাড়া নানা ধরনের কোর্সও হয় অর্থ সংক্রান্ত। সেখানেও বাবাকে যুক্ত করে দেওয়া যেতে পারে।

নিরাপদ অবসরে সহায়তা ভারতের তরুণ প্রজন্ম এখনও অবসরকালীন পরিকল্পনায় তেমন আগ্রহী নয়। সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে তরুণ প্রজন্ম তো বটেই এমনকী অবসরের দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে থাকা মানুষও অবসর পরবর্তী জীবনের জন্য প্রস্তুত নন।

অবসরের পরে সবচেয়ে বড় সমস্যা হল চিকিৎসা ব্যয়। হয়তো অফিসের তরফে হেল্থ-কভার পলিসি রয়েছে। কিন্তু চাকরির মেয়াদ শেষ হলে তা আর থাকবে না। তাই দেখে নিতে হবে ওই বিমা আদৌ পর্যাপ্ত কিনা। সময় থাকতে থাকতেই চিকিৎসা বিমা করিয়ে রাখা প্রয়োজন।

স্বাস্থ্য বিমা বাবা-মা দু’জনকেই নিরাপত্তা দেবে এমন বিমা করা যেতে পারে। যদি কোনও বিমা থেকে থাকে তা হলেও একটি টপ-আপ প্ল্যান কেনা যেতে পারে।

উপহার হিসেবে বিনিয়োগ বাবার জন্য মিউচুয়াল ফান্ডের মাধ্যমে একটি সিস্টেমেটিক ইনভেস্টমেন্ট প্ল্যান (SIP) শুরু করা যেতে পারে। বাবার নামে প্রতি মাসে ৫০০ টাকা দিয়েই শুরু করে দেওয়া যেতে পারে বিনিয়োগ।

উপহার হিসেবে বাবার জন্য কেনা যেতে পারে কিছু ইক্যুইটি শেয়ারও। এ জন্য প্রয়োজনে একটি ব্রোকিং অ্যাকাউন্ট খুলে নিতে হবে বাবার নামে। অথবা শুধু মাত্র একটি স্থায়ী আমানত বা একটি সিনিয়র সিটিজেনস সেভিংস স্কিম শুরু করা যেতে পারে বাবার নামে। এ দেশের বাবাদের জন্য একটি ভাল আর্থিক বিকল্প হল ‘প্রধানমন্ত্রী ভাইয়া বন্দনা যোজনা’, যা অবসরপ্রাপ্তদের নিয়মিত আয়ের জন্য তৈরি করা হয়েছে। এই স্কিমের মেয়াদ ১০ বছর এবং মাসিক হিসেবে একটি নিশ্চিত রিটার্ন অফার করে। ১০ বছরের শেষে, মূল অর্থ পলিসিধারককে ফেরত দেওয়া হয়।

Published by:Debamoy Ghosh
First published:

Tags: Fathers Day

পরবর্তী খবর