Birbhum News: রবীন্দ্রনাথ এসেছিলেন সুরুল রাজবাড়ির পুজোয়, ইংরেজের হাত ধরে 'ঘোষ'রা হন 'সরকার'

Last Updated:

শান্তিনিকেতনের অন্যতম প্রধান বনেদি বাড়ির পুজো সুরুল সরকার বাড়ির পুজো। যদিও তাঁদের আসল পদবী ঘোষ, ইংরেজের হাত ধরে হয়েছেন সরকার

+
title=

বীরভূম: শান্তিনিকেতনের সুরুল জমিদার বাড়ির পুজো আজ‌ও সবার নজর কাড়ে। এই বনেদি বাড়ির পুজো শতাব্দী প্রাচীন। পুজোর সময় আজ‌ও ঠাকুরদালানের শোভা বাড়িয়ে তোলে বহুমূল্য বেলজিয়াম কাচের ঝাড়বাতি। কথিত আছে, ঠাকুর পরিবারের সঙ্গে সুরুলের সরকার জমিদার বাড়ির সু-সম্পর্ক ছিল। এক সময় কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরও সুরুল জমিদার বাড়ির এই পুজোয় শামিল হতেন। কালের নিয়মে বনেদি বাড়ির এই পুজো সর্বজনীন রূপ নিয়েছে।
বর্ধমানের নীলপুর গ্রাম থেকে বীরভূমের শান্তিনিকেতন লাগোয়া সুরুল গ্রামে এসে বসবাস শুরু করেছিলেন ভরতচন্দ্র ঘোষ (ইংরেজরা তাঁকে ‘সরকার’ পদবি দেয়)। তাঁকে সরকার বাড়ির প্রাণপুরুষ বলা হয়। তাঁরই পুত্র কৃষ্ণহরি সরকার জমিদার বাড়িতে আনুমানিক ২৮৮ বছর আগে প্রথম এই দুর্গাপুজোর সূচনা করেছিলেন।
advertisement
advertisement
সেই থেকেই প্রথা মেনে শান্তিনিকেতনের সুরুলের সরকার বাড়ির দুর্গাপুজো হয়ে আসছে। এই পুজোর বিশেষত্ব হল গ্রামের সবাই মিলে সপ্তমীর দিন নবপত্রিকা স্নান করাতে যান। এছাড়াও পুরনো রীতি অনুযায়ী সপ্তমীতে চালকুমড়ো, অষ্টমীতে ছাগল ও নবমীতে আখ বলি দেওয়া হয়।
সুরুলের সরকার বাড়ির দুর্গা প্রতিমা নির্মাণের ক্ষেত্রে কোনওরকম ছাঁচ ব্যবহার করা হয় না। মাটি দিয়ে হাতে তৈরি প্রতিমাকে ডাকের সাজে সাজানো হয়। এখনও পুজোর দিন নাটমন্দির সাজানো হয় প্রাচীন বহুমূল্যের বেলজিয়াম কাচের তৈরি ঝাড়বাতি দিয়ে। যার অপরূপ দৃশ্য নজর কাড়ে। ঐতিহ্যবাহী সুরুল জমিদার বাড়ির পুজো দেখতে বাইরে থেকে বহু মানুষ পুজোর চারদিন ভিড় করেন। সঠিকভাবে রক্ষণাবেক্ষণ করার জন্য বিশাল বাড়িটি মানুষকে আজও আকৃষ্ট করে। এই বাড়ির জৌলুশ আগের মতই আছে।
advertisement
সৌভিক রায়
view comments
বাংলা খবর/ খবর/বীরভূম/
Birbhum News: রবীন্দ্রনাথ এসেছিলেন সুরুল রাজবাড়ির পুজোয়, ইংরেজের হাত ধরে 'ঘোষ'রা হন 'সরকার'
Next Article
advertisement
'আইন অনুযায়ী খতিয়ে দেখা হচ্ছে...' শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণের অনুরোধে বাংলাদেশকে প্রথম সরকারি প্রতিক্রিয়া জানাল ভারত!
শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণের অনুরোধে এই প্রথম প্রতিক্রিয়া! বাংলাদেশকে যা জানাল ভারত
  • ভারত নিশ্চিত করেছে যে তারা শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ অনুরোধ পেয়েছে এবং তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে.

  • ভারত জানিয়েছে, বিচারিক ও অভ্যন্তরীণ আইনি প্রক্রিয়ার আওতায় শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ অনুরোধ পর্যালোচনা হবে.

  • শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ড ঘোষণার পর বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতকে প্রত্যর্পণের অনুরোধ জানায়.

VIEW MORE
advertisement
advertisement