
বিশাল কুমিরের মুখে মুহূর্তেই গায়েব আস্ত মুরগি! ভাইরাল এই ভিডিও দেখে শিউরে উঠছেন সবাই।
পাথরপ্রতিমার জগদ্দল নদীতে বিশাল কুমির গিলে খাচ্ছে মুরগিকে। এই ভিডিও ইতিমধ্যে ভাইরাল হয়েছে। যার জেরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। কুমিরটি পাড়ের একেবারে কাছে চলে এসেছিল। পাথরপ্রতিমার ছোট রাক্ষস খালি এলাকার জগদ্দল নদীতে বিশাল আকৃতির এক কুমিরের দেখা মিলেছে। নদীর পাড়ে মুরগি ধরে খাওয়ার একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ইতিমধ্যে ভাইরাল হওয়ার পর থেকেই এলাকায় চরম আতঙ্ক ছড়িয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, গত কয়েকদিন ধরে নদীর বিভিন্ন ঘাটে কুমিরটি ঘোরাফেরা করছে এবং খাবারের খোঁজে নদীর ধারে উঠে আসছে। ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, একটি মুরগিকে আচমকা টেনে নিয়ে জলে ডুবিয়ে দেয় কুমিরটি। কমিটিকে মাথা উঁচু করে যেভাবে খাচ্ছে, যা দেখতে নদীর ধারে মানুষের জড়ো হতে দেখা যায়।
সবেমাত্র আবহাওয়া পরিবর্তন হয়ে শীতকে বিদায় দিয়ে গরমের পালা আর কয়েক দিনের মধ্যে বঙ্গে প্রবেশ করবে তীব্র গরম আর এই গরমে থেকে কৃষকেরা ক্ষতির হাত থেকে বাঁচার উপায় জানালেন কৃষিবিজ্ঞানী। যদিও এখন গরমের প্রভাব সেভাবে না বলল আর কয়েক দিনের মধ্যে তীব্র গরমে নাজেহাল বঙ্গবাসী আর এই তীব্র গরমের জেরে কৃষি কাজের ক্ষেত্রেও অনেকটাই অসুবিধা সম্মুখীন হচ্ছে কৃষকেরা। গরমের কারণে মাঠে নিজেদের ফসলকে রক্ষা করার ক্ষেত্রে কি কি উপায়ে অবলম্বন করা যায় সেই পরামর্শ দিল কৃষি বৈজ্ঞানিক।
৫০ টাকার পর আসছে ৪০ টাকার বিরিয়ানি। এই ঘোষণাতেই কাশীনগরে সাধারণ মানুষজনের মধ্যে সাড়া পড়ে গিয়েছে। বিরিয়ানি কিনতে ভিড় জমাচ্ছেন আট থেকে আশি সকলেই।
নতুন এক পোকার উপদ্রবে চরম ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন মৌমাছি প্রতিপালকরা। কিভাবে তারা এই পোকার হাত থেকে বাঁচবেন। জানালেন নিমপীঠ কৃষিবিজ্ঞান কেন্দ্রের কৃষি বিশেষজ্ঞ। আফ্রিকার সাহারা অঞ্চলে এই পোকা প্রথম দেখা গেলেও বিগত দুই দশক ধরে আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়া ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশে এর উপস্থিতি ও ক্ষয়-ক্ষতি দেখা যাচ্ছে। এদেশে প্রথম এই পোকার উৎপাত পরিলক্ষিত হয়। প্রথম দিকে ইউরোপিয়ান মৌমাছির কলোনিতে এই পোকার আক্রমণ চোখে পড়লেও গত বছর থেকে ভারতীয় মৌমাছিতেও এই পোকার আক্রমণ দেখা যাচ্ছে। দুই ২৪ পরগণা, সহ দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সমস্ত জেলায় এর উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। মূলত মে-জুন থেকে আগস্ট-সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এর আক্রমণ সর্বাধিক। এই পোকার আক্রমণে কোন কোন জায়গায় মৌপালকদের ১০০ শতাংশ পর্যন্ত কলোনি নষ্ট হয়ে গেছে।
South 24 Parganas News: বারুইপুর মানে একটা কথাই সবার আগেই মনে আছে তা হলো বারুইপুরের পেয়ারা। আর এই বারুইপুরে পেয়ারা কয়েকদিন আগে জিআই তকমা ছিনিয়ে নিয়েছে। পেয়ারা পশ্চিমবঙ্গের তথা সমগ্র ভারতের একটি গুরুত্বপূর্ণ ফল।
ই-মালখানার পর ডায়মন্ড হারবার পুলিশ জেলার রবীন্দ্রনগর থানায় এবার চালু হল স্মার্ট ইনভেস্টিগেশন রুম। এরপর ধাপে ধাপে আরও অন্যান্য থানায় এই রুম চালু হবে। প্রযুক্তি নির্ভরতা বাড়িয়ে আরও স্বচ্ছ ও নিখুঁত তদন্ত চালিয়ে যেতে এই রুম কাজে দেবে। ডায়মন্ডহারবার পুলিশের জেলা জুড়ে এই বিশাল কর্মযজ্ঞ শুরু হয়েছে। অপরদিকে জেলা পুলিশের অষ্টম এবং নবম থানা হিসেবে পূজালি এবং নোদাখালী থানা শুরু করেছে পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল মালখানা পরিষেবা। এই উদ্যোগের শুভ উদ্বোধন করেছেন ডায়মন্ড হারবার পুলিশ জেলার পুলিশ সুপার বিশপ সরকার।
বারইপুর মানে একটা কথাই সবার আগেই মনে আছে তা হলো বারুইপুরের পেয়ারা। আর এই বারুইপুরে পেয়ারা কয়েকদিন আগে জিআই টকমা ছিনিয়ে নিয়েছে। পেয়ারা পশ্চিমবঙ্গের তথা সমগ্র ভারতের একটি গুরুত্বপূর্ণ ফল। যা প্রতিবছর পেয়ারার ব্যবসা করে প্রায় ৬ থেকে ৭ লক্ষ টাকা আয় করা সম্ভব এই ব্যবসা থেকে। তবে সব পেয়ারা নয় এর মধ্যে সব থেকে লাভজনক যারা জাত হলো তাইওয়ান গোলাপি পেয়ারা। যা এখন ভারতবর্ষ তথা দক্ষিণ চব্বিশ পরগণায় এই জাতের পেয়ারা খুব জনপ্রিয় তা অর্জন করেছে। দক্ষিণ ২৪ পরগনা তথা বারইপুর এবং ভারতবর্ষে কৃষকদের জন্য আয়ের একটি উৎস হয়ে উঠেছে। এই তাইওয়ান গোলাপি পেয়ারা চাষে।
Kakdwip News: পোস্টার বিতর্কে কাকদ্বীপ বিধানসভায় শোরগোল। পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের বিধায়কের।
জয়নগরের মোয়া বিশ্ব খ্যাত। আর এই মোয়া তৈরির মূল উপাদান হলো খেজুর গাছের নলেন গুড়। আর এই গুড়ের আঁতুড় ঘর বলে পরিচিত জয়নগর থানার বহড়ুতে সরকারি উদ্যোগে শিউলি দের নিয়ে হয়ে গেল সচেতনতা শিবির।রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর উদ্যোগে জয়নগরের মোয়া শিল্প কে বাঁচাতে সরকারি উদ্যোগে আর কয়েক দিনের মধ্যে মোয়া হাব চালু হয়ে যাবে জয়নগরে। আর এবার এই এলাকার শিউলিদের নিয়ে সরকারি উদ্যোগে এক ছাতার তলায় নিয়ে এসে সমবায় ভিত্তিক কাজ করানোর উদ্দেশে এগিয়ে এল দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা সমবায় ইউনিয়ন উদ্যোগে ক্ষুদ্ধ ও মাঝারি শিল্প দফতরের সহযোগিতা।
সারাবছর ধান চাষ না করে মথুরাপুরে জমিতে ডাল জাতীয় শস্য চাষের পরামর্শ দিচ্ছে কৃষি দফতর। কৃষি অফিসের পক্ষ থেকে সেজন্য বিভিন্ন অঞ্চলে কৃষক সম্মেলন করা হচ্ছে। সেখানে এই কথা জানানো হচ্ছে। আসলে এই এলাকায় সারাবছর ধান চাষ হয়। বছরে তিনবার ধান চাষ না করে একবার ডালজাতীয় শস্য চাষ করলে মাটির উর্বরতা বাড়বে বলে জানিয়েছেন অ্যাসিস্ট্যান্ট কৃষি প্রযুক্তি সহায়ক অতনু দে। ডালজাতীয় শস্যের মূলে থাকে রাইবোজিয়াম। এই রাইবোজিয়াম হল একধরণের ব্যাকটেরিয়া। এরা মাটিতে নাইট্রোজেনের পরিমাণ বৃদ্ধি করে। ফলে এই শস্য চাষ করলে লাভ হবে মাটির। প্রয়োজনে রাইবোজিয়াম কিনে এনেও জমিতে দেওয়া যেতে পারে।
পাটকাঠি ও শেডনেটের ব্যবহারে বিপ্লব এসেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার পানচাষে। এর ফলে পানচাষে খরচ কমেছে। শেড নেট খুব ভাল কাজে লাগছে পান চাষীদের। দক্ষিণ ২৪ পরগনার নামখানা, সাগর, কাকদ্বীপ ও পাথরপ্রতিমার বিস্তীর্ণ এলাকায় পানচাষ হয়। এই পান চাষের জন্য পানপাতা ছায়া যুক্ত এলাকায় রাখতে হয়। সূর্যের তাপে পান পাতার স্বাদ পরিবর্তন হয়। ফলে ছায়া করে রাখতে হয়। এই পানবরজ ঘিরতে আগে বাঁশ ও কঞ্চি ছই, চটের বস্তা, খড় আরোও অন্যান্য সামগ্রী ব্যবহার করা হত। তবে বর্তমানে পাটকাঠি আসায় খুব সুবিধা হয়েছে কৃষকদের।
পিঠে তৈরির উৎসব ঘিরে খুশির জোয়ার মহেশতলায়। এই উৎসবে পিঠে তৈরি দেখানো হচ্ছে সেই সঙ্গে পিঠে তৈরির পর খেতেও দেওয়া হচ্ছে সাধারণ মানুষজনের। ফলে ব্যাপক সাড়া পড়েছে এলাকায়। নতুন, নতুন পিঠে তৈরি করা হচ্ছে যেমন, তেমনি রয়েছে বড়া ভাজা, নারকেল পিঠের মত জিভে জল আনা সাধারণ পিঠেও। মহেশতলার ১৭ নম্বর ওয়ার্ডে মহেশতলা ম্যারাথন ও ডাকঘর নিউ বিজয় স্পোর্টিং ক্লাবের কাছে অনুষ্ঠিত হচ্ছে এই পিঠে পুলি উৎসব।
৫০ টাকার পর আসছে ৪০ টাকার বিরিয়ানি। এই ঘোষণাতেই কাশীনগরে সাধারণ মানুষজনের মধ্যে সাড়া পড়ে গিয়েছে। বিরিয়ানি কিনতে ভিড় জমাচ্ছেন আট থেকে আশি সকলেই। ইতিমধ্যে মাত্র ৫০ টাকায় বিরিয়ানি দিয়ে সাড়া ফেলে দিয়েছে কৃষ মোমো সেন্টার। এই রেস্টুরেন্টের মালিক কৃষ্ণ হালদার জানিয়েছেন সমস্ত ধরণের মানুষের কাছে বিরিয়ানির স্বাদ পৌঁছে দিতে এই আয়োজন। এক সপ্তাহের মধ্যে ৪০ টাকার বিরিয়ানির প্যাকেজ আনতে চলেছেন তিনি। এখানে বিরিয়ানির সঙ্গে কোল্ড ড্রিংকস ফ্রি দেওয়া হচ্ছে। বিরিয়ানি ছাড়াও অন্য ফুড আইটেম রয়েছে সুলভ মূল্যে। কাশীনগর খাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের সামনে এই বিরিয়ানি মিলছে। এই খবর শুনেই দোকানে ভিড় জমাচ্ছেন সাধারণ মানুষজন।
পুরোনোর ভিড়ে নতুনের আকর্ষণ মন্দিরবাজারের দক্ষিণ বিষ্ণুপুরের শুরু হল ঐতিহ্যবাহী ভাঙা মেলা। এই মেলায় আলপিন থেকে শুরু করে আলমারি-দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় সামগ্রী থেকে শুরু করে দুষ্প্রাপ্য অ্যান্টিক জিনিসপত্র সবকিছুই পাওয়া যায়। এই মেলার টানে এ বছরও লক্ষ লক্ষ মানুষ এসেছেন। দক্ষিণ বিষ্ণুপুরের এই মেলা স্থানীয়দের কাছে 'ভাঙা মেলা' নামেই বেশি পরিচিত। খাবার ছাড়া প্রায় সবকিছুই এখানে পুরোনো বা ব্যবহৃত জিনিস হওয়ায় এই মেলার আলাদা পরিচিতি রয়েছে। তবে এবছর নতুন জিনিসপত্রের দোকানও দেওয়া হয়েছে।