TRENDING:

West Medinipur Tourist Spot: সপ্তাহান্তের ছোট্ট অবসরে ইতিহাস ও প্রকৃতিতে ডুব দিতে আসুন কুরুমবেড়া দুর্গে

Last Updated:
West Medinipur Tourist Spot:তবুও শুধুমাত্র ঘোরার জায়গা হিসেবেই নয়, ইতিহাস জানার এক গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে আজও কুরুমবেড়া দুর্গের গুরুত্ব অপরিসীম। সপ্তাহান্তের ছুটিতে শহরের কোলাহল ছেড়ে গ্রামীণ পরিবেশে এসে ইতিহাসের ছোঁয়া পেতে চাইলে এই জায়গা হতে পারে আদর্শ গন্তব্য। 
advertisement
1/6
সপ্তাহান্তের ছোট্ট অবসরে ইতিহাস ও প্রকৃতিতে ডুব দিতে আসুন কুরুমবেড়া দুর্গে
ইতিহাস বয়ে চলে এক একটি প্রাচীন ইমারতের শরীর জুড়ে। পাথরের গায়ে খোদাই হয়ে থাকা প্রতিটি খাঁজ যেন সাক্ষ্য দেয় বহু শতাব্দী আগের সময়ের। প্রান্তিক গ্রামীণ এলাকার এমন বহু স্থাপত্য আজও দাঁড়িয়ে রয়েছে ইতিহাসের নীরব দলিল হয়ে। যারা ইতিহাস ভালোবাসেন, অতীতের গল্প ছুঁয়ে দেখতে চান, তাঁদের কাছে এই ধরনের জায়গা নিঃসন্দেহে বিশেষ আকর্ষণের। একদিনের ছুটিতে প্রিয়জনকে নিয়ে ঘুরে আসার পাশাপাশি ইতিহাসের নানা অজানা কাহিনি জানার সুযোগও এনে দেয় এইসব স্থান।(ছবি ও তথ্য: রঞ্জন চন্দ)
advertisement
2/6
মেদিনীপুর শহর থেকে বেশ কিছুটা দূরে, জঙ্গলমহল অধ্যুষিত পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার কেশিয়াড়ি ব্লকের গগনেশ্বর এলাকায় রয়েছে এমনই এক ঐতিহাসিক স্থাপত্য—কুরুমবেড়া দুর্গ। ল্যাটেরাইট পাথরের তৈরি এই প্রাচীন নিদর্শন আজ পর্যটকদের কাছে অন্যতম আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু। কেশিয়াড়ি বাজার থেকে কিছুটা দূরে গ্রামীণ পরিবেশের মধ্যেই মাথা তুলে দাঁড়িয়ে রয়েছে এই ইতিহাস ক্ষেত্র, যা দেখতে প্রতি বছর বহু পর্যটক এখানে ভিড় জমান।(ছবি ও তথ্য: রঞ্জন চন্দ)
advertisement
3/6
এই স্থাপত্যকে সাধারণভাবে দুর্গ হিসেবেই চিহ্নিত করা হলেও, এর প্রকৃত পরিচয় নিয়ে গবেষকদের মধ্যে রয়েছে মতভেদ। কারও মতে এটি ছিল একটি সেনা ছাউনি, আবার কেউ মনে করেন এটি কোনও ধর্মীয় স্থান বা দেবালয়। ঐতিহাসিকদের একাংশের ধারণা, এটি মূলত একটি পান্থশালা বা সরাইখানা ছিল, যেখানে দূরদূরান্ত থেকে আসা ব্যবসায়ী বা তীর্থযাত্রীরা বিশ্রাম নিতেন।(ছবি ও তথ্য: রঞ্জন চন্দ)
advertisement
4/6
দুর্গের ভেতরে প্রবেশ করলে চোখে পড়ে সম্পূর্ণ পাথরের তৈরি এক অনন্য স্থাপত্যশৈলী। পাথর কেটে কেটে নির্মিত দেওয়াল, চারিদিকে ঘেরা সুদৃঢ় প্রাচীর এবং তার মধ্যবর্তী অংশে থাকা তিনটি গম্বুজ আকৃতির কাঠামো এই স্থাপত্যকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলেছে। চারপাশে রয়েছে একাধিক খিলান ও কুঠুরি, যা প্রাচীন নির্মাণকৌশলের পরিচয় বহন করে।(ছবি ও তথ্য: রঞ্জন চন্দ)
advertisement
5/6
স্থানীয়দের মতে, পরবর্তীকালে মোগল ও মারাঠা আমলে এই স্থাপত্য সেনা নিবাস বা ছাউনি হিসেবে ব্যবহৃত হওয়ায় সাধারণ মানুষের কাছে এটি কুরুমবেড়া দুর্গ বা ফোর্ট নামে পরিচিতি পায়। যদিও সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এই ঐতিহাসিক নিদর্শনের বেশ কিছু অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, দুর্গের কিছু অংশ মাটির তলায় চাপা পড়ে রয়েছে।(ছবি ও তথ্য: রঞ্জন চন্দ)
advertisement
6/6
তবুও শুধুমাত্র ঘোরার জায়গা হিসেবেই নয়, ইতিহাস জানার এক গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে আজও কুরুমবেড়া দুর্গের গুরুত্ব অপরিসীম। সপ্তাহান্তের ছুটিতে শহরের কোলাহল ছেড়ে গ্রামীণ পরিবেশে এসে ইতিহাসের ছোঁয়া পেতে চাইলে এই জায়গা হতে পারে আদর্শ গন্তব্য। একদিকে যেমন অতীতের কাহিনি জানা যাবে, তেমনই অন্যদিকে প্রকৃতি ও গ্রামবাংলার শান্ত পরিবেশে মনও ভাল হয়ে উঠবে।গুগল লোকেশন: https://maps.app.goo.gl/nuHTvCp66CeSyv4GA(ছবি ও তথ্য: রঞ্জন চন্দ)
বাংলা খবর/ছবি/পশ্চিমবঙ্গ/
West Medinipur Tourist Spot: সপ্তাহান্তের ছোট্ট অবসরে ইতিহাস ও প্রকৃতিতে ডুব দিতে আসুন কুরুমবেড়া দুর্গে
Advertisement
Open in App
হোম
খবর
ফটো
লোকাল