Vitamin E Toxicity: 'বুড়িয়ে' যাওয়া রুখতে ভিটামিন-ই ক্যাপসুল নেন? সঠিক নিয়ম জানেন তো? না মানলে সর্বনাশ, দফারফা হবে ত্বক-চুলের
- Published by:Rukmini Mazumder
- news18 bangla
Last Updated:
ত্বক ও চুলের নানা সমস্যার সমাধান করতে পারে ভিটামিন-ই। ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখতে, চোখের তলায় কালি তুলতে ইদানীং অনেকেই ভিটামিন-ই ক্যাপসুল ব্যবহার করছেন। শুষ্ক ত্বকের সমস্যা থেকে মুক্তি পেতেও ফেস মাস্কের সঙ্গে ভিটামিন-ই ক্যাপসুল মিশিয়ে মুখে মাখা যায়।
advertisement
1/7

ত্বক ও চুলের নানা সমস্যার সমাধান করতে পারে ভিটামিন-ই। ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখতে, চোখের তলায় কালি তুলতে ইদানীং অনেকেই ভিটামিন-ই ক্যাপসুল ব্যবহার করছেন। শুষ্ক ত্বকের সমস্যা থেকে মুক্তি পেতেও ফেস মাস্কের সঙ্গে ভিটামিন-ই ক্যাপসুল মিশিয়ে মুখে মাখা যায়।
advertisement
2/7
অনেকেই ভিটামিন-ই ক্যাপসুল ভেঙে তার নির্যাসটি ত্বকে মাখেন। এক্ষেত্রে অনেকের উপকার যেমন হয়, তেমনি এও মাথায় রাখতে হবে, অনেকের ক্ষেত্রেই ভিটামিন-ই কাজে দেয় না। উলটে হিতে বিপরীত হয়। ভিটামিন ই-র মধ্যে আলফা টোকোফেরল নামক একটি অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট থাকে যা ত্বককে সূর্যের অতিবেগনি রশ্মি থেকে রক্ষা করে। কিন্তু ভিটামিন-ই ক্যাপসুলের নির্যাস যদি সরাসরি ত্বকে মাখতে শুরু করেন, তা হলে নানা রকম পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।
advertisement
3/7
ত্বকে সরাসরি ভিটামিন-ই ক্যাপসুল ব্যবহার না করে, কোনও প্যাক বানিয়ে তাঁর সঙ্গে ভিটামিন ই ক্যাপসুলের নির্যাস মিশিয়ে ব্যবহার করতে পারেন। দই, মধু, হলুদের মিশ্রণের সঙ্গে ভিটামিন ই ক্যাপসুল মিশিয়ে ব্যবহার করুন। ব্রণ বা ত্বকের অন্যান্য দাগছোপ কমাতে পাকা পেঁপের সঙ্গে মধু, লেবুর রস এবং ভিটামিন ই ক্যাপসুলের নির্যাস মিশিয়ে মুখে লাগান
advertisement
4/7
ভিটামিন-ই টক্সিসিটি কী? যখন শরীরে প্রয়োজনের তুলনায় বেশি পরিমাণ ভিটামিন-ই জমা হয়, তখন তাকে বলে ভিটামিন-ই টক্সিসিটি। যাঁদের ত্বক খুব স্পর্শকাতর, তাঁদের ভিটামিন ই ক্যাপসুল ব্যবহারের আগে ত্বক চিকিৎসকের পরামর্শ নিতেই হবে। সোরিয়াসিস বা কনট্যাক্ট ডার্মাটাইটিস নামে ত্বকের রোগে যাঁরা ভুগছেন, তাঁরা সরাসরি ত্বকে ভিটামিন ই ক্যাপসুল বা ভিটামিন ই তেল লাগালে হিতে বিপরীত হতে পারে। ত্বকের জ্বালাযন্ত্রণা, প্রদাহ বেড়ে যেতে পারে।
advertisement
5/7
রোজ কতটা ভিটামিন-ই নিরাপদ? বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতিদিন ১৫ মিলিগ্রাম ভিটামিন-ই খাওয়া যায়। কোন কোন খাবারে পাওয়া যায় ভিটামিন-ই? তেলের মধ্যে সয়াবিন তেল, সানফ্লাওয়ার তেল, উইট জার্ম অয়েল, কর্ন অয়েল। বাদাম ও বীজের মধ্যে সূর্যমুখীর বীজ, কাঠবাদাম, পিনাট বাটার। ফলের মধ্যে কিউই, আম, টোম্যাটো। সবজির মধ্যে পালং শাক, ব্রকোলি।
advertisement
6/7
ভিটামিন ই-র পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া-- বেশি ভিটামিন ই খেলে শরীরে রক্ত তরল হয়ে যায়, রক্ত জমাট বাঁধে না। এর ফলে, কোথাও কেটে গেলে বা সার্জারি হলে রক্ত জমাট বাঁধতে চায় না।
advertisement
7/7
শরীরে অত্যধিক ভিটামিন ই নানারকম ওষুধের সঙ্গে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া করে। ৩০০ মিলিগ্রাম বা তার বেশি ভিটামিন ই ব্লাড থিনার অ্যাসপিরিন ও ওয়ারফিরিন-এর কার্যকারিতায় বাধাপ্রধাদ করে। ব্রেস্ট ক্যানসারের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয় ট্যামোক্সিফেন ও ইম্যিউনোসাপরেসেন্ট সাইক্লোস্পোরিন। এই দুই ওষুধের কার্যকারিতায় বাধাসৃষ্টি করে অত্যাধিক ভিটামিন ই। অত্যধিক ভিটামিন ই-র ফলে মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হয়, ফলে হ্যামারেজিক স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ে।
বাংলা খবর/ছবি/লাইফস্টাইল/
Vitamin E Toxicity: 'বুড়িয়ে' যাওয়া রুখতে ভিটামিন-ই ক্যাপসুল নেন? সঠিক নিয়ম জানেন তো? না মানলে সর্বনাশ, দফারফা হবে ত্বক-চুলের