এই ঢেঁড়স গাছ আর পাঁচটা ঢেঁড়স গাছের থেকে একদম আলাদা। এর উচ্চতা প্রায় ১৫ ফুট এর কাছাকাছি। প্রায় দোতলা ছুঁইছুঁই ঢেঁড়স গাছ। বোলপুরের ভুবনডাঙা এলাকায় এই বিস্ময়কর ঢেঁড়স গাছকে ঘিরে তৈরি হয়েছে ব্যাপক উত্তেজনা। এই নজিরবিহীন গাছটির মালিক পেশায় বোলপুর আদালতের আইনজীবী মোহাম্মদ জামিরুল হক। তাঁর বাগানেই বিশেষ প্রজাতির এই ঢেঁড়স গাছটি চাষ করা হয়েছে। গাছটির সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হল, এর গোড়া থেকে একেবারে শীর্ষ পর্যন্ত সর্বত্র ঢেঁড়স ধরে রয়েছে। ফলে এটি এক বিরল উচ্চ ফলনশীল জাত হিসেবে নজর কেড়েছে। গাছটিতে অস্বাভাবিক মাত্রায় ফলন হচ্ছে এবং দীর্ঘ সময় ধরেই এতে নতুন করে ঢেঁড়স উৎপাদন অব্যাহত রয়েছে। এত বিপুল ফলনের কারণে শুধু পরিবারের চাহিদা পূরণই নয়, আশপাশের বহু মানুষকেও এই গাছের ঢেঁড়স দেওয়া হয়েছে, তবুও ফলন শেষ হচ্ছে না।
advertisement
বিশাল আকৃতি এবং অস্বাভাবিক ফলনের জন্য প্রতিদিন বহু মানুষ ভিড় জমাচ্ছেন এই গাছ দেখতে। জানা গিয়েছে, বর্ষার শেষের দিকে বিশেষ প্রজাতির বীজ থেকে গাছটি রোপণ করা হয়েছিল এবং ধীরে ধীরে এই উচ্চতায় পৌঁছায়। এই বিরল বৈশিষ্ট্যের ঢেঁড়স গাছ কৃষিক্ষেত্রে নতুন দৃষ্টান্ত তৈরি করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। এই গাছের মালিক পেশায় বোলপুর আদালতের আইনজীবী মহম্মদ জামিরুল হক জানান, এই উচ্চ ফলনশীল ও দীর্ঘাকৃতি ঢেঁড়স গাছটি নিয়ে গবেষণা করা হলে ভবিষ্যতে কৃষকদের জন্য নতুন সম্ভাবনার পথ তৈরি হতে পারে।