Holi Trip: হোলিতে টানা ছুটির সুযোগ...! নিরিবিলি জায়গায় ঘুরতে যাওয়ার প্ল্যান! রইল পাহাড়-জঙ্গলের প্রাণ জুড়ানো পারফেক্ট ৭ স্পটের হদিশ
- Reported by:SUROJIT DEY
- Published by:Madhab Das
Last Updated:
Holi Trip: দোলের ছুটিতে দু-তিন দিনের জন্য কোথাও ঘুরে আসতে চান? পাহাড় আর সবুজে ঘেরা ডুয়ার্স হতে পারে আপনার সেরা গন্তব্য। আমরা খুঁজে বের করেছি ডুয়ার্সের এমন ৭টি শান্ত ও সুন্দর স্পট, যেখানে প্রকৃতির সান্নিধ্যে কাটবে আপনার সেরা মুহূর্তগুলো।
advertisement
1/8

চলতি বছর দোল উৎসব পড়েছে ৩ মার্চ মঙ্গলবার। রাজ্য সরকারের তরফে এই বছর ওই দিনটিতেই ছুটির দিন হিসাবে ঘোষণা করেছে। আর এর পরিপ্রেক্ষিতে যদি সোমবার কোনওরকম ম্যানেজ করা যায় তাহলে শনিবার থেকে মঙ্গলবার পর্যন্ত টানা ছুটি। স্বাভাবিকভাবেই টানা চার দিনের ছুটিতে অনেকেই রয়েছেন যারা বিভিন্ন জায়গায় ঘুরতে যাওয়ার প্ল্যান করছেন। তবে অনেকেই রয়েছেন যারা দোল অথবা হোলির ভিড় এড়িয়ে শান্তির খোঁজে একটু নিরিবিলি জায়গায় সময় কাটাতে চান। এইরকম যারা রয়েছেন তাদের জন্য আমরা আজকের এই প্রতিবেদনে ডুয়ার্সের সাতটি নিরিবিলি জায়গার ঠিকানা নিয়ে হাজির, যে সকল জায়গায় গেলে প্রাণ জুড়িয়ে যাবে গ্যারান্টি।
advertisement
2/8
চামুর্চি (চামুচি) ইকোপার্ক</strong>: ভুটান পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত চামুর্চি ইকোপার্ক ডুয়ার্সের এক শান্ত ও মনোরম পর্যটনকেন্দ্র। সবুজে মোড়া বিস্তীর্ণ প্রান্তর, দূরে নীল পাহাড়ের সারি আর নির্মল বাতাস মনকে মুহূর্তেই সতেজ করে তোলে। এখানে রাত্রিযাপনের সুব্যবস্থা রয়েছে। ভুটানের প্রাকৃতিক দৃশ্য, স্থানীয় সংস্কৃতি ও গ্রামীণ পরিবেশ মিলিয়ে এটি এক অনন্য অভিজ্ঞতা দেয়। যারা ভিড় এড়িয়ে প্রকৃতির কোলে কয়েকদিন কাটাতে চান, তাদের জন্য এটি আদর্শ ঠিকানা।" width="1500" height="1000" /> <strong>চামুর্চি (চামুচি) ইকোপার্ক</strong>: ভুটান পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত চামুর্চি ইকোপার্ক ডুয়ার্সের এক শান্ত ও মনোরম পর্যটনকেন্দ্র। সবুজে মোড়া বিস্তীর্ণ প্রান্তর, দূরে নীল পাহাড়ের সারি আর নির্মল বাতাস মনকে মুহূর্তেই সতেজ করে তোলে। এখানে রাত্রিযাপনের সুব্যবস্থা রয়েছে। ভুটানের প্রাকৃতিক দৃশ্য, স্থানীয় সংস্কৃতি ও গ্রামীণ পরিবেশ মিলিয়ে এটি এক অনন্য অভিজ্ঞতা দেয়। যারা ভিড় এড়িয়ে প্রকৃতির কোলে কয়েকদিন কাটাতে চান, তাদের জন্য এটি আদর্শ ঠিকানা।
advertisement
3/8
বক্সা জয়ন্তী ও বক্সা দুর্গ</strong>: বক্সা টাইগার রিজার্ভের অন্তর্গত বক্সা দুর্গ ইতিহাস ও অ্যাডভেঞ্চারের অনন্য সংমিশ্রণ। ৮৬৭ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত এই দুর্গে পৌঁছতে জঙ্গলের ভিতর দিয়ে ট্রেকিং করতে হয়, যা ভ্রমণকে রোমাঞ্চকর করে তোলে। জয়ন্তী নদীর পাথুরে তীর, পাহাড়ঘেরা নীরব পরিবেশ এবং বন্যপ্রাণের উপস্থিতি প্রকৃতিপ্রেমীদের মুগ্ধ করে। আলিপুরদুয়ার জংশন নিকটতম রেলস্টেশন। নির্জনে ইতিহাস আর প্রকৃতির স্বাদ নিতে চাইলে বক্সা জয়ন্তী অবশ্যই তালিকায় রাখুন।" width="1500" height="1000" /> <strong>বক্সা জয়ন্তী ও বক্সা দুর্গ</strong>: বক্সা টাইগার রিজার্ভের অন্তর্গত বক্সা দুর্গ ইতিহাস ও অ্যাডভেঞ্চারের অনন্য সংমিশ্রণ। ৮৬৭ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত এই দুর্গে পৌঁছতে জঙ্গলের ভিতর দিয়ে ট্রেকিং করতে হয়, যা ভ্রমণকে রোমাঞ্চকর করে তোলে। জয়ন্তী নদীর পাথুরে তীর, পাহাড়ঘেরা নীরব পরিবেশ এবং বন্যপ্রাণের উপস্থিতি প্রকৃতিপ্রেমীদের মুগ্ধ করে। আলিপুরদুয়ার জংশন নিকটতম রেলস্টেশন। নির্জনে ইতিহাস আর প্রকৃতির স্বাদ নিতে চাইলে বক্সা জয়ন্তী অবশ্যই তালিকায় রাখুন।
advertisement
4/8
গোরুমারা জাতীয় উদ্যান</strong>: উত্তরবঙ্গের অন্যতম জনপ্রিয় বনভূমি গোরুমারা জাতীয় উদ্যান ডুয়ার্সের অঞ্চলে অবস্থিত। ঘন বন, বিস্তীর্ণ তৃণভূমি ও জলঢাকা নদীর সান্নিধ্য এই অরণ্যকে করেছে জীববৈচিত্র্যে সমৃদ্ধ। এক শিংওয়ালা ভারতীয় গণ্ডারের জন্য এটি বিশেষভাবে পরিচিত। জিপ সাফারি ও ওয়াচ টাওয়ার থেকে বন্যপ্রাণ দেখার সুযোগ পর্যটকদের আকর্ষণ করে। মালবাজার নিকটতম রেলস্টেশন। প্রকৃতি, বন্যপ্রাণ ও নীরবতার এক অপূর্ব মেলবন্ধন উপভোগ করতে চাইলে গোরুমারা আদর্শ গন্তব্য।" width="1500" height="1000" /> <strong>গোরুমারা জাতীয় উদ্যান</strong>: উত্তরবঙ্গের অন্যতম জনপ্রিয় বনভূমি গোরুমারা জাতীয় উদ্যান ডুয়ার্সের অঞ্চলে অবস্থিত। ঘন বন, বিস্তীর্ণ তৃণভূমি ও জলঢাকা নদীর সান্নিধ্য এই অরণ্যকে করেছে জীববৈচিত্র্যে সমৃদ্ধ। এক শিংওয়ালা ভারতীয় গণ্ডারের জন্য এটি বিশেষভাবে পরিচিত। জিপ সাফারি ও ওয়াচ টাওয়ার থেকে বন্যপ্রাণ দেখার সুযোগ পর্যটকদের আকর্ষণ করে। মালবাজার নিকটতম রেলস্টেশন। প্রকৃতি, বন্যপ্রাণ ও নীরবতার এক অপূর্ব মেলবন্ধন উপভোগ করতে চাইলে গোরুমারা আদর্শ গন্তব্য।
advertisement
5/8
সামসিং ও সুন্তালেখোলা</strong>: প্রায় ৩,০০০ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত সামসিং ছোট্ট পাহাড়ি গ্রাম, যা প্রকৃতিপ্রেমীদের কাছে অত্যন্ত প্রিয়। চা-বাগান, কমলালেবুর বাগান ও সবুজ বনভূমি ঘেরা এই অঞ্চল শান্ত ও নিরিবিলি পরিবেশের জন্য বিখ্যাত। কাছেই সুন্তালেখোলা, যেখানে মূর্তি নদীর উপর ঝুলন্ত সেতু পর্যটকদের বিশেষ আকর্ষণ। নেওরা ভ্যালি জাতীয় উদ্যানের নিকটবর্তী হওয়ায় এখানকার আবহাওয়া মনোরম। কয়েকদিন নির্জনে প্রকৃতির সান্নিধ্যে কাটাতে চাইলে এটি চমৎকার বিকল্প।" width="1500" height="1000" /> <strong>সামসিং ও সুন্তালেখোলা</strong>: প্রায় ৩,০০০ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত সামসিং ছোট্ট পাহাড়ি গ্রাম, যা প্রকৃতিপ্রেমীদের কাছে অত্যন্ত প্রিয়। চা-বাগান, কমলালেবুর বাগান ও সবুজ বনভূমি ঘেরা এই অঞ্চল শান্ত ও নিরিবিলি পরিবেশের জন্য বিখ্যাত। কাছেই সুন্তালেখোলা, যেখানে মূর্তি নদীর উপর ঝুলন্ত সেতু পর্যটকদের বিশেষ আকর্ষণ। নেওরা ভ্যালি জাতীয় উদ্যানের নিকটবর্তী হওয়ায় এখানকার আবহাওয়া মনোরম। কয়েকদিন নির্জনে প্রকৃতির সান্নিধ্যে কাটাতে চাইলে এটি চমৎকার বিকল্প।
advertisement
6/8
ঝালং, বিন্দু ও জলঢাকা</strong>: ভারত-ভুটান সীমান্ত সংলগ্ন ঝালং ও বিন্দু প্রকৃতির অপার সৌন্দর্যে ভরপুর। জলঢাকা নদীর কলকল ধ্বনি, পাহাড়ি রাস্তা, চা-বাগান ও ঘন বন মিলিয়ে এক মনোরম পরিবেশ সৃষ্টি করেছে। পাখিপ্রেমীদের জন্য এটি স্বর্গরাজ্য—কিংফিশার, ব্রাউন ডিপার, রেডস্টার্ট-সহ নানা প্রজাতির পাখি দেখা যায়। ভিড় তুলনামূলক কম এবং হোমস্টেগুলি সীমিত, ফলে নিরিবিলি পরিবেশ বজায় থাকে। মালবাজার নিকটতম রেলস্টেশন।" width="1500" height="1000" /> <strong>ঝালং, বিন্দু ও জলঢাকা</strong>: ভারত-ভুটান সীমান্ত সংলগ্ন ঝালং ও বিন্দু প্রকৃতির অপার সৌন্দর্যে ভরপুর। জলঢাকা নদীর কলকল ধ্বনি, পাহাড়ি রাস্তা, চা-বাগান ও ঘন বন মিলিয়ে এক মনোরম পরিবেশ সৃষ্টি করেছে। পাখিপ্রেমীদের জন্য এটি স্বর্গরাজ্য—কিংফিশার, ব্রাউন ডিপার, রেডস্টার্ট-সহ নানা প্রজাতির পাখি দেখা যায়। ভিড় তুলনামূলক কম এবং হোমস্টেগুলি সীমিত, ফলে নিরিবিলি পরিবেশ বজায় থাকে। মালবাজার নিকটতম রেলস্টেশন।
advertisement
7/8
দক্ষিণ খয়েরবাড়ি</strong>: মাদারিহাটের কাছে অবস্থিত দক্ষিণ খয়েরবাড়ি উত্তরবঙ্গের প্রথম প্রাণী উদ্ধার কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। রয়েল বেঙ্গল টাইগার ও চিতাবাঘ-সহ উদ্ধারকৃত বন্যপ্রাণীদের পুনর্বাসনের জন্য এই কেন্দ্র গড়ে উঠেছে। ব্যাটারি চালিত গাড়িতে করে পর্যটকরা আধা-প্রাকৃতিক পরিবেশে প্রাণীদের দেখতে পারেন। ভিড় কম হওয়ায় শান্তভাবে ঘোরার সুযোগ মেলে। বন্যপ্রাণ সংরক্ষণ সম্পর্কে জানার পাশাপাশি নিরিবিলি পরিবেশ উপভোগ করতে চাইলে এটি উপযুক্ত স্থান।" width="1500" height="1000" /> <strong>দক্ষিণ খয়েরবাড়ি</strong>: মাদারিহাটের কাছে অবস্থিত দক্ষিণ খয়েরবাড়ি উত্তরবঙ্গের প্রথম প্রাণী উদ্ধার কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। রয়েল বেঙ্গল টাইগার ও চিতাবাঘ-সহ উদ্ধারকৃত বন্যপ্রাণীদের পুনর্বাসনের জন্য এই কেন্দ্র গড়ে উঠেছে। ব্যাটারি চালিত গাড়িতে করে পর্যটকরা আধা-প্রাকৃতিক পরিবেশে প্রাণীদের দেখতে পারেন। ভিড় কম হওয়ায় শান্তভাবে ঘোরার সুযোগ মেলে। বন্যপ্রাণ সংরক্ষণ সম্পর্কে জানার পাশাপাশি নিরিবিলি পরিবেশ উপভোগ করতে চাইলে এটি উপযুক্ত স্থান।
advertisement
8/8
প্যারেন</strong>: ঝালং যাওয়ার পথে অবস্থিত প্যারেন ডুয়ার্সের এক শান্ত সীমান্তগ্রাম। ভারত-ভুটান সীমান্তের শেষ জনপদ হওয়ায় এখানে পর্যটকের ভিড় খুব কম। পশ্চিমবঙ্গ বন দফতরের একটি কটেজ রয়েছে থাকার জন্য। চারদিকে ঘন জঙ্গল, জলঢাকা নদীর শব্দ আর পাখির ডাক ছাড়া আর কিছু নেই। শিলিগুড়ি থেকে প্রায় ১১২ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই গ্রাম প্রকৃত নির্জনতা খুঁজে পাওয়ার আদর্শ জায়গা।" width="1500" height="1000" /> <strong>প্যারেন</strong>: ঝালং যাওয়ার পথে অবস্থিত প্যারেন ডুয়ার্সের এক শান্ত সীমান্তগ্রাম। ভারত-ভুটান সীমান্তের শেষ জনপদ হওয়ায় এখানে পর্যটকের ভিড় খুব কম। পশ্চিমবঙ্গ বন দফতরের একটি কটেজ রয়েছে থাকার জন্য। চারদিকে ঘন জঙ্গল, জলঢাকা নদীর শব্দ আর পাখির ডাক ছাড়া আর কিছু নেই। শিলিগুড়ি থেকে প্রায় ১১২ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই গ্রাম প্রকৃত নির্জনতা খুঁজে পাওয়ার আদর্শ জায়গা।
বাংলা খবর/ছবি/লাইফস্টাইল/
Holi Trip: হোলিতে টানা ছুটির সুযোগ...! নিরিবিলি জায়গায় ঘুরতে যাওয়ার প্ল্যান! রইল পাহাড়-জঙ্গলের প্রাণ জুড়ানো পারফেক্ট ৭ স্পটের হদিশ