Brain Rot Symptoms and Remedy: ঘন ঘন ভুলে যাচ্ছেন? কোনওকিছুতেই মন নেই? হয়তো 'মস্তিষ্কে পচন' ধরেছে! কী এই রোগ? বাঁচার উপায় কী? কী কী খেলে সমস্যা মিটবে? পড়ুন
- Published by:Rukmini Mazumder
- news18 bangla
Last Updated:
অনেকসময়েই হয়তো মনে হয় বুদ্ধিটা ভোঁতা হয়ে গিয়েছে! আগের মতো আর কোনওকিছুতেই মন দিতে পারেন না! সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা কমেছে! এর নেপধ্যে হয়তো রয়েছে 'ব্রেন রট'! আপনার মস্তিষ্কে হয়তো পচন ধরেছে! কী এই 'ব্রেন রট'? কীভাবে এর আত থেকে মুক্তি পাবেন? সুস্থ থাকতে জেনে নিন
advertisement
1/9

কখনও এমন মনে হয়েছে যে, বুদ্ধি কমে যাচ্ছে? সবকিছুই যেন ভুলে যাচ্ছেন? কোনও কিছুতেই মন বসাতে পারছেন না? সিদ্ধান্ত নিতে সমস্যা হচ্ছে? এমনটা কেন হচ্ছে? এর নেপথ্যে রয়েছে একাধিক ব্যাখা! তবে কেউ কেউ একে বলে ‘ব্রেইন রট', আক্ষরিক ভাবে যার অর্থ মস্তিষ্কে পচন ধরেছে!
advertisement
2/9
চিকিৎসা বিজ্ঞানে যদিও এই শব্দের কোনও অস্তিত্ব নেই,- তবে আচুনিক সমাজে এই শব্দটি যথেষ্ট প্রচলিত। তবে ২০২৪ সালে অক্সফোর্ড ইউনিার্সিটি প্রেস 'ব্রেন রট' শব্দবন্ধটিকে ‘ওয়ার্ড অফ দ্য ইয়ার’-এর তকমা দিয়েছে। রোজের রুটিনে সামান্য কিছি অদল-বদল করলে আপনি মস্তিষ্কে পচন ধরা রোধ করতে পারেন--
advertisement
3/9
'ব্রেইন রট' কী? এটি একটি প্রচলিত কথা যা মানসিক ও জ্ঞানগত অবনতি বোঝায়। ইদানীং নানা বুদ্ধিহীন ও ভোঁতা বিষয়বস্তুতে ভরে উঠেছে সমাজমাধ্যম। দিনভর সেইসবে ডুবে থাকার ফলে মানুষের বোধ-বুদ্ধি এবং মেধা কমে যাচ্ছে। চিন্তাশক্তি ধীর হয়ে আসছে। মানুষ ভাবতে ভুলে যাচ্ছেন। কমছে বুদ্ধির ধার, চিন্তার ক্ষমতা। মস্তিষ্কের এই অবনতিকেই বলা হচ্ছে ব্রেইন রট।
advertisement
4/9
ব্রেইন রট-এর উপসর্গ কী কী?ব্রেইন রট- হলে মানুষ কোনও বিষয়ে মনোসংযোগ করতে পারবেন না। স্মরণশক্তি কমে যাবে। মানসিক ক্লান্তি ছেঁকে ধরবে। কোনও কাজেই আলাদা করে আনন্দ বা অনুপ্রেরণা পাবেন না। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গিয়েছে,যে সমস্ত অভ্যাস ব্রেইন রটের কারণ, তার থেকে পরবর্তীতে ডিমেনশিয়াও হতে পারে। ব্রেন রট রুখতে কী কী করবেন?
advertisement
5/9
স্ক্রিন টাইম কমাতে হবে-- সারাক্ষণ মোবাইল স্ক্রোল করে গেলে বা টিভি দেখলে মানসিক ক্লান্তিবোধ বেড়ে যায়। কমতে থাকে মনোসংযোগের ক্ষমতাও । কাজেই সজক্রিন টাইম বেঁধে দিন। দিনে বড়জোড় ২-৩ ঘণ্টা। এর বেশি নয়। বদলে বই পড়ুন, শরীর চর্চায় মন দিন, খেলাধুলো করুন।
advertisement
6/9
মস্তিষ্ক সক্রিয় রাখা-- মস্তিষ্ক হল পেশির মতো। নিয়মিত সঞ্চালন না করলে নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ে। বুদ্ধি বাড়াতে বা বুদ্ধির ধার বজায় রাখতে এমন কাজ করুন, যা মস্তিষ্ককে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলবে। যেমন ধাঁধার সমাধান করা, দাবা খেলা, নতুন কোনও দক্ষতা রপ্ত করা, বই পড়া।
advertisement
7/9
এক্সারসাইজ করুন-- নিয়মিত শরীরচর্চা মস্তিষ্কে রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করে, তাতে মস্তিষ্ক প্রয়োজনীয় অক্সিজেন এবং পুষ্টির জোগান পায়। তাই প্রতিদিন অন্তত আধ ঘণ্টার জন্য এক্সারসাইজ করার নিদান দেয় বিশেষজ্ঞরা।
advertisement
8/9
ডায়েট-- প্রখর হওয়ার জন্য মস্তিষ্কেরও খাবার প্রয়োজন। ব্রেইনকে পর্যাপ্ত পুষ্টি দিতে পাতে রাখুনশাকপাতা যেমন পালং শাক। স্বাস্থ্যকর স্নেহপদার্থ যেমন বাদাম এবং দানা শস্য। ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড সমৃদ্ধ খাবার, অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ ফল।
advertisement
9/9
বিশ্রাম এবং ঘুম-- সঠিক ঘুম এবং বিশ্রাম ছাড়া মস্তিষ্ক কাজ করতে পারে না। স্পষ্ট চিন্তা ভাবনার ক্ষমতা কমে যায়। অন্তত ৭-৮ ঘণ্টা ঘুমানোর চেষ্টা করুন। ঘুমোতে যাওয়ার অন্তত এক ঘন্টা আগে থেকে টিভি, মোবাইল, ল্যাপটপ দূরে সরিয়ে রাখুন।
বাংলা খবর/ছবি/লাইফস্টাইল/
Brain Rot Symptoms and Remedy: ঘন ঘন ভুলে যাচ্ছেন? কোনওকিছুতেই মন নেই? হয়তো 'মস্তিষ্কে পচন' ধরেছে! কী এই রোগ? বাঁচার উপায় কী? কী কী খেলে সমস্যা মিটবে? পড়ুন