Bangladesh News: রাজনীতি থেকে সন্ন্যাস নিচ্ছেন হাসিনা? কী হবে আওয়ামি লিগের ভবিষ্যৎ, ভোটের আগেই জোর জল্পনা বাংলাদেশে
- Published by:Satabdi Adhikary
- news18 bangla
Last Updated:
সামনেই বাংলাদেশে সাধারণ নির্বাচন৷ ২০২৪ সালের পরে প্রথম গণতান্ত্রিক নির্বাচন৷ তার আগেই বাংলাদেশের রাজনীতির অন্দরে ইতিউতি উঁকি মারছে হাজারো জল্পনা৷ তারমধ্যেই সবচেয়ে জোরাল শেখ হাসিনার ‘রাজনৈতিক সন্ন্যাস’৷
advertisement
1/8

ঢাকা: বর্তমানে এক অদ্ভুত অনিশ্চিত সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ৷ চব্বিশের জুলাই বিপ্লবের জেরে দেশ ছেড়েছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা৷ তাঁর বাংলাদেশ ত্যাগের পর থেকে দেশের প্রশাসনিক দায়িত্ব সামলাচ্ছে মুহম্মদ ইউনূসের নেতত্বাধীন অন্তর্বর্তী তত্ত্বাবধায়ক সরকার৷
advertisement
2/8
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অবশেষে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে বাংলাদেশের সাধারণ নির্বাচন৷ তাতে অবশ্য নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে শেখ হাসিনার দল আওয়ামি লিগকে৷ এমন যখন পরিস্থিতি, তখনই বাংলাদেশের সংবাদপত্র ‘উইকলি ব্লিটজে’ প্রকাশিত হল একটি তথ্য৷
advertisement
3/8
ওই পত্রিকার একটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, সম্ভবত, এবার সক্রিয় রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়াতে চলেছেন মুজিবর কন্যা শেখ হাসিনা৷ সেক্ষেত্রে, দলের সব দায়িত্ব ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়ের হাতে তুলে দেবেন তিনি৷ ওই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, বাংলাদেশের এমন গণতান্ত্রিক সঙ্কটের মুহূর্তে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হলে আওয়ামি লিগের অস্তিত্বই প্রশ্নের মুখে পড়ে যাবে৷
advertisement
4/8
ওই রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, এই সময় যদি হাসিনা সক্রিয় রাজনীতি ছাড়েন, তাহলে এটি সবচেয়ে খারাপ সময়ে নেওয়া সিদ্ধান্ত হিসাবে গণ্য হবে৷ বিশেষ করে যখন আওয়ামি লিগের একাধিক বরিষ্ঠ নেতা বিভিন্ন গর্হিত অপরাধমূলক অভিযোগের বিরুদ্ধে লড়াই করছে৷
advertisement
5/8
বিশেষজ্ঞেরা দাবি করেছেন, এমন সময় হাসিনা সক্রিয় রাজনীতি থেকে সরে গেলে তা আওয়ামি লিগের জন্য ‘আত্মঘাতী ’ সিদ্ধান্ত হিসাবে পরিগণিত হবে৷ ওই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, জয়ের তেমন রাজনৈতিক বোধ নেই, তাছাড়া. টানা বাংলা বলতেও পারেন না তিনি, আর মাঠে ময়দানে নেমে রাজনীতিও তিনি কোনওদিন করেননি৷ বাংলা ভাল না বলতে পেরে বাংলাদেশ পরিচালনা করা সম্ভব নয় বলে দাবি করা হয়েছে ওই প্রতিবেদনে৷ যদিও শেখ হাসিনার রাজনৈতিক অবসর নিয়ে কোনও মন্তব্য করেনি আওয়ামি লিগ৷
advertisement
6/8
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে, ২০০৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত হাসিনার ১৫ বছরের শাসনকালে, জয় রাজনীতি বা দল গঠনে কোনও আগ্রহ দেখাননি। তিনি সবসময় একটি ছোট কিন্তু প্রভাবশালী বৃত্তের মধ্যে থাকতেন, যে বৃত্তের বিরুদ্ধে ব্যাপক দুর্নীতি, আর্থিক কারসাজি এবং ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ রয়েছে।
advertisement
7/8
জয়ের নাম বেশ কয়েকটি বিতর্কিত মামলার সাথে যুক্ত হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশে পেপ্যাল পরিষেবার ব্যর্থতা (যেখানে তিনি এবং তাঁর সহযোগী জুনাইদ আহমেদ পলকের বিরুদ্ধে বিপুল ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল)৷ এছাড়া, ৫জি স্পেকট্রাম এবং অন্যান্য বড় প্রকল্পের মতো বিলিয়ন ডলারের চুক্তিতে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।
advertisement
8/8
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে, জয়ের বিরুদ্ধে অফশোর অ্যাকাউন্ট এবং শেল কোম্পানিতে কোটি কোটি ডলার জমানোর অভিযোগ রয়েছে। বাংলাদেশ রিজার্ভ ব্যাঙ্কে চুরি, মাদক এবং সোনা চোরাচালানের মতো কেলেঙ্কারিতে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে জয়ের বিরুদ্ধে। যদিও এইসব কাজ তাঁর সহযোগীদের দ্বারা পরিচালিত হয়েছিল বলে অভিযোগ৷