বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কে জড়িয়ে ছাপোশা গৃহবধূ যা করল জানলে অবাক হবেন! পুরুষ সঙ্গীকে নিয়েই নিজের বাড়িতেই চুরির চক্রান্ত করেও শেষ রক্ষা পেল না। শশুর শাশুড়ি- সহ পরিবারের সবার সঙ্গে সদ্ভাব ও সুন্দর সম্পর্ক বজায় বাড়ি বড় বউয়ের। আর বাড়ির বড় বউ এমন কাণ্ড ঘটাবে ভাবতেও পারেনি পরিবার-সহ প্রতিবেশীরা। ঘটনার প্রেক্ষাপট বাড়িতে একটি চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে। আর তার কিনারা করতে গিয়ে পুলিশের হাতে এল রীতিমত চাঞ্চল্যকর তথ্য। চুরির মাস্টারমাইন্ড আর কেউ না বাড়ির বড় বউই।
advertisement
সম্প্রতি নন্দকুমার থানায় একটি চুরির ঘটনার অভিযোগ জমা পড়ে। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নন্দকুমারের ধিতাইবসান এলাকার এক ব্যক্তির বাড়িতে নিশি কুটুম্বের খোয়া গিয়েছে সোনার ও রুপোর গহনা। পরিবারের অভিযোগ এই ঘটনায় ৬ লক্ষ টাকার গহনা খোয়া গিয়েছে। রাতের অন্ধকারে রীতিমত বাড়িতে ঢুকে আলমারির লকার ভাঙে চোর। আলমারির লকার থেকে সোনা ও রুপো মিলিয়ে প্রায় ছয় লক্ষ টাকার গহনা খোয়া যায়। পরের দিন সকালে বাড়ির বড় বউকে সঙ্গে নিয়ে শ্বশুর শাশুড়ি থানায় অভিযোগ জানায়।
নন্দকুমার থানা পুলিশ অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নামে। আর তদন্ত নেমে জানতে পারে এই ঘটনায় জড়িত রয়েছে স্বয়ং বাড়ির বড় বউ। সেই আগে থেকে সবকিছু পরিকল্পনা মাফিক বাড়ির দরজা খোলা রাখে। এমনকি আলমারির লকার ভাঙতে ও সাহায্য করে চোরটিকে। চুরির পর যাতে চোরটি বাড়ি থেকে নির্দ্বিধায় বেরিয়ে যেতে পারে তারও গন্তব্যস্থল করে বাড়ির বড় বউই। পুলিশ জানতে পারে বাড়ি বড় বউয়ের সঙ্গে সবং থানার এলাকার সন্তু সাউয়ের বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক রয়েছে। সন্তু সাউ ও বাড়ির বড় বউ দু’জনে মিলে এই কাজ করেছে।
এ বিষয়ে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার ভারপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার মিতুন কুমার দে বলেন, ‘কিছুদিন আগে নন্দকুমার থানায় এক শাশুড়ি ও বৌমা বাড়ি থেকে সোনা চুরির অভিযোগ করেন। তদন্তে নেমে আমরা জানতে পারি, ওই বৌমা বর্ণালী হাজরারই তাঁর বিশেষ পুরুষ বন্ধুকে নিয়ে পরিকল্পনামাফিক এই চুরির ঘটনাটি ঘটানো হয়েছে। দু’জনকেই গ্রেফতার করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত চলছে। টি আই প্যাডের পর উদ্ধার হওয়া গহনা পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়। ধৃত মহিলা ও পুরুষটি জেল হেফাজতে রয়েছে।’ বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কে জড়িয়ে পুরুষ বন্ধুকে সঙ্গী করে নিজের শাশুড়ির গহনা চুরি করেও শেষ রক্ষা হল না, বাড়ির বউয়ের।





