স্থানীয় বাসিন্দারা তার গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ দেখান, এমনকি গাড়ি ভাঙচুর করার চেষ্টাও করা হয়, শুধু তাই নয় পথ অবরোধের চেষ্টাও করা হয় বলে অভিযোগ। শুধু দিলীপ ঘোষই নন, তার সঙ্গে থাকা বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের বিরুদ্ধেও ক্ষোভ উগরে দেন এলাকাবাসীরা। বিক্ষোভের মাঝে শোনা যায় ‘জয় বাংলা’ ও ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগান, ফলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
advertisement
এলাকাবাসীদের অভিযোগ, রেলের নোটিশ নিয়ে যখন গোটা এলাকা আতঙ্কে ছিল, তখন একদিনও বিজেপি নেতা-কর্মীদের দেখা যায়নি। এমনকি দিলীপ ঘোষও সেখানে উপস্থিত হননি বলে দাবি তাদের। সেই কারণেই হঠাৎ ভোটের সময় তার আগমনকে কেন্দ্র করে ক্ষোভ আরও বেড়ে যায়। এই ঘটনাকে ঘিরে ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের পুরীগেট এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং পরিস্থিতি সামাল দিতে চাপে পড়ে প্রশাসন।
প্রসঙ্গত, এর আগে ২০১৬ সালে এই এলাকা থেকে জিতে বিধায়ক হন দিলীপ ঘোষ। পরে ২০২১ সালে এখান থেকেই ভোটে দাঁড়িয়ে জেতেন হিরণ চট্টোপাধ্যায়। এবার আবার নিজের পুরনো আসনে টিকিট পেয়ে জিততে মরিয়া বিজেপি। এর মধ্যেই বিক্ষোভের মুখে পড়তে হল দিলীপকে। দিলীপের বিরুদ্ধে তৃণমূলের প্রার্থী হয়েছেন প্রদীপ সরকার।
