TRENDING:

Jangalkanya Setu: দেড় কিলোমিটারের 'ম্যাজিক'! জঙ্গলকন্যা সেতু যেভাবে বদলে দিল দুই রাজ্যের লক্ষ লক্ষ মানুষের ভাগ্য

Last Updated:

West Medinipur Jangalkanya Setu: বর্ষায় সুবর্ণরেখার জলস্তর বাড়লেও সেতুর উচ্চতাকে ছুঁতে পারে না জল। ফলে সারা বছর, দিনে-রাতে ২৪ ঘণ্টাই যান চলাচল স্বাভাবিক থাকে। এই সেতু দিয়ে সহজেই পৌঁছনো যায় ওড়িশার ময়ূরভঞ্জ জেলায়।

impactshort
ইমপ্যাক্ট শর্টসলেটেস্ট খবরের জন্য
advertisement
কেশিয়াড়ি, পশ্চিম মেদিনীপুর, রঞ্জন চন্দ: নদীর উপর দিয়ে প্রায় দেড় কিলোমিটার দীর্ঘ এক সেতু—যা শুধু দু’টি জেলাকেই নয়, যুক্ত করেছে দু’টি রাজ্যকে। পশ্চিমবঙ্গের জঙ্গলমহলে উন্নয়নের এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে পরিচিত এই সেতুই জঙ্গলকন্যা সেতু, যা ভসরা সেতু নামেও পরিচিত। সুবর্ণরেখা নদীর উপর নির্মিত এই দীর্ঘ সেতু পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার কেশিয়াড়ি ব্লক এবং ঝাড়গ্রাম জেলার নয়াগ্রাম ব্লকের মধ্যে যোগাযোগের সেতুবন্ধন গড়ে তুলেছে।
জঙ্গলকন্যা সেতু
জঙ্গলকন্যা সেতু
advertisement

২০১১ সালে রাজ্যে পালাবদলের পর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে জঙ্গলমহলের যোগাযোগ ব্যবস্থার মানোন্নয়নে একাধিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়। তারই অন্যতম ফল জঙ্গলকন্যা সেতু। ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে মুখ্যমন্ত্রীর হাত ধরে উদ্বোধন হয় এই সেতুর। গবেষকদের মতে, সুবর্ণরেখা নদী ঝাড়গ্রাম ও পশ্চিম মেদিনীপুর জেলাকে প্রাকৃতিকভাবে বিভাজিত করেছিল। বামফ্রন্ট আমলে প্রতিবছর নদীর উপর অস্থায়ী ফেয়ার ওয়েদার ব্রিজ তৈরি করতে হত, যার জন্য বিপুল অর্থ ব্যয় হত এবং বর্ষায় যোগাযোগ সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যেত।

advertisement

আরও পড়ুন: শূন্য থেকে শিখরে! তুলির টানেই ভাগ্য বদল ভগবানপুরের নবকুমারের, আজ যিনি সফল ব্যবসায়ীর পাশাপাশি অন্যদের অনুপ্রেরণা

২০১১ সালে ঝাড়গ্রামের খড়িকামাথানিতে মুখ্যমন্ত্রীর প্রথম প্রশাসনিক বৈঠকেই স্থায়ী সেতু নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পর্যাপ্ত অর্থ বরাদ্দের পর শুরু হয় নির্মাণকাজ। প্রায় দেড় কিলোমিটার দীর্ঘ, এক লেনের হলেও উভয়মুখী যান চলাচলের উপযোগী এই সেতু বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গের অন্যতম দীর্ঘ সেতু হিসেবে পরিচিত।

advertisement

View More

আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন

সেরা ভিডিও

আরও দেখুন
নতুন বছরে কর্মসংস্থানের দিশা! পুরুলিয়ায় হাতে গরম চাকরি, উৎকর্ষ বাংলার হাত ধরে স্বপ্নপূরণ
আরও দেখুন

বর্ষায় সুবর্ণরেখার জলস্তর বাড়লেও সেতুর উচ্চতাকে ছুঁতে পারে না জল। ফলে সারা বছর, দিনে-রাতে ২৪ ঘণ্টাই যান চলাচল স্বাভাবিক থাকে। এই সেতু দিয়ে সহজেই পৌঁছনো যায় ওড়িশার ময়ূরভঞ্জ জেলায়। এর ফলে চিকিৎসা, শিক্ষা, ব্যবসা-বাণিজ্য ও পর্যটনে এসেছে গতি। জঙ্গলমহলের আর্থসামাজিক উন্নয়নে জঙ্গলকন্যা সেতু আজ এক ঐতিহাসিক নিদর্শন।

advertisement

বাংলা খবর/ খবর/পশ্চিমবঙ্গ/
Jangalkanya Setu: দেড় কিলোমিটারের 'ম্যাজিক'! জঙ্গলকন্যা সেতু যেভাবে বদলে দিল দুই রাজ্যের লক্ষ লক্ষ মানুষের ভাগ্য
Advertisement
Open in App
হোম
খবর
ফটো
লোকাল