TRENDING:

West Medinipur News:বার বার নিজের পরিচয় দিতে চাইলেও কেউ শুনল না,'চোর' সন্দেহে গণপিটুনি ইঞ্জিনিয়ারকে, মৃত্যু বছর ৩৩-এর সৌম্যদীপের

Last Updated:

রাতে বাড়ি থেকে কাজে যাচ্চিলেন বছর ৩৩-এর সৌম্যদীপ। খড়্গপুরে তাঁকে চোর সন্দেহে আটক করে একদল লোক। শুরু হয় গণপিটুনি। বার বার আর্ত চিৎকার করে সৌম্যদীপ নিজের পরিচয় জানানোর চেষ্টা করেন, কিন্তু কেউ কথা কানে তোলে না। ১০ দিন হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে অবশেষে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করলেন পেশায় ইঞ্জিনিয়ার সৌম্যদীপ

impactshort
ইমপ্যাক্ট শর্টসলেটেস্ট খবরের জন্য
advertisement
মেদিনীপুর: গুজব থেকে সন্দেহ, সেই থেকে গণপিটুনি, মৃত্যু হল এক মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারের। শনিবার মধ্যরাতে সৌম্যদীপের নিথর দেহ ফিরল তাঁর নিজের বাড়িতে! পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার কেশিয়াড়ী ব্লকের খাজরা গ্ৰাম পঞ্চায়েতের গিলাগেড়িয়া এলাকার বছর ৩৩-এর সৌম্যাদীপ চন্দ পেশায় মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার।
গণপিটুনি কেড়ে নিল বছর ৩৩-এর সৌম্যদীপের প্রাণ
গণপিটুনি কেড়ে নিল বছর ৩৩-এর সৌম্যদীপের প্রাণ
advertisement

গত ৮ ফেব্রুয়ারি রাতে খড়্গপুরে নাইট ডিউটিতে যাচ্ছিলেন সৌম্যদীপ। খড়্গপুর থানার অন্তর্গত আনারকলি এলাকায় ‘চোর’ সন্দেহে তাঁকে একদল লোক আটক করে। চলে বেধরক মারধর।অভিযোগ, সৌম্যদীপ বারবার নিজের পরিচয় দেওয়ার চেষ্টা করলেও উত্তেজিত জনতা তা কানে তোলেনি। চলে গণপিটুনি। গণপ্রহারে গুরুতর আহত সৌম্যদীপকে প্রথমে ভর্তি করা হয়েছিল খড়্গপুর মহকুমা হাসপাতালে। শারীরিক পরিস্থিতির ক্রমেই অবনতি হতে থাকলে তাঁকে দ্রুত ভর্তি করা হয় ভুবনেশ্বরের হাই টেক হাসপাতালে। সেখানেই প্রায় ১০ দিন আইসিউতে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়েন সৌম্যদীপ। কিন্তু শৈষ পর্যন্ত আর লযাই চালিয়ে যেতে পারেননি। শুক্রবার রাত ১০.৩৪ নাগাদ মৃত্যু হয় তাঁর। শনিবার রাতে ৩৩-এর সৌম্যদীপের নিথর দেহ আসে গ্রামের বাড়িতে। কান্নায় ভেঙে পড়ে গোটা পরিবার, প্রতিবেশীরা। যারা এই নৃশংসতার সঙ্গে জড়িত, যারা কেড়ে নিল সৌম্যদীপের প্রাণ, তাদের কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন যুবকের পরিবার।

advertisement

সেরা ভিডিও

আরও দেখুন
তারাপীঠ মন্দিরে এলে দেখা হবে না সন্ধ্যা আরতি!মন্দির কমিটির বড় সিদ্ধান্তে কিছুটা হতাশ হবেন
আরও দেখুন

সৌম্যদীপের অকাল মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। শনিবার রাতে দেহ গ্রামে পৌঁছালে কান্নার রোল ওঠে। একজন উচ্চশিক্ষিত তরুণকে এভাবে অমানবিক গণপিটুনির শিকার হতে হবে, তা মেনে নিতে পারছে না কেউ-ই। সৌম্যদীপের কাকা হরেকৃষ্ণ চন্দ ক্ষোভ উগরে দিয়ে বলেন, ‘সৌম্যদীপ ইঞ্জিনিয়ার ছিল, নিজের কাজে যাচ্ছিল। ও নিজের পরিচয় দিতে চাইলেও কেউ শোনেনি। আমরা এই জঘন্য অপরাধের সঙ্গে জড়িত প্রত্যেকের কঠোরতম শাস্তি চাই।’

advertisement

বাংলা খবর/ খবর/পশ্চিমবঙ্গ/
West Medinipur News:বার বার নিজের পরিচয় দিতে চাইলেও কেউ শুনল না,'চোর' সন্দেহে গণপিটুনি ইঞ্জিনিয়ারকে, মৃত্যু বছর ৩৩-এর সৌম্যদীপের
Open in App
হোম
খবর
ফটো
লোকাল