পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দকুমার, মহিষাদল, রামনগর এবং এগরা কেন্দ্র, এই চার কেন্দ্রেই কেবল প্রার্থী বদল হয় নি৷ এই চার কেন্দ্রে তৃণমূল প্রার্থী করেছে একুশের ভোটে যারা প্রার্থী ছিলেন তাদেরকেই। নন্দীগ্রামের জেলায় বড় বদল আনল তৃণমূল৷ চণ্ডীপুর থেকে একুশের ভোটে প্রার্থী হয়েছিলেন অভিনেতা সোহম চক্রবর্তী৷ এবার তাঁকে সরিয়ে চণ্ডীপুর থেকে উত্তম বারিককে প্রার্থী করল তৃণমূল৷ সোহমকে নদিয়ার করিমপুর থেকে প্রার্থী করা হয়েছে৷
advertisement
আরও পড়ুন: ‘২০২৬ এ ২২৬ এর বেশি আসন পেয়ে জিতব’! প্রার্থী তালিকা ঘোষণার আগেই জানিয়ে দিলেন মমতা, কমিশনকেও তোপ
পাঁশকুড়া পশ্চিম সিরাজ খাঁন। (ছিলেন-ফিরোজা বিবি)
পাঁশকুড়া পূর্ব–অসীম মাঝি। (ছিলেন-বিপ্লব রায় চৌধুরী
ময়না–চন্দন মণ্ডল।
নন্দকুমার– সুকুমার দে।
মহিষাদল–তিলক চক্রবর্তী।
হলদিয়া–তাপসী মণ্ডল
নন্দীগ্রাম–পবিত্র কর
কাঁথি উত্তর–দেবাশীষ ভূঁইয়া
কাঁথি দক্ষিণ–তরুণ জানা
কাঁথি দক্ষিণ—তরুণ জানা
চণ্ডিপুর–উত্তম বারিক। (ছিলেন-সোহম চক্রবর্তী)
ভগবানপুর– মানব পড়ুয়া
পটাশপুর–পীযূষ পন্ডা
এগরা—তরুণ মাইতি
রামনগর–অখিল গিরি
খেজুরি– রবীন মণ্ডল
প্রসঙ্গত, পূর্ব মেদিনীপুরের হাইভোল্টেজ লড়াই হতে চলেছে নন্দীগ্রামে৷ নন্দীগ্রামে শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে তৃণমূলের প্রার্থী হলেন পবিত্র কর৷ নন্দীগ্রামের ভূমিপুত্র এবং একদা শুভেন্দু ঘনিষ্ঠ পবিত্র মঙ্গলবার সকালেই যোগ দেন তৃণমূলে৷
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, দার্জিলিংয়ের তিনটি আসনে তৃণমূল লড়ছে না৷ ওই তিনটি আসনে লড়বে অনীত থাপার দল৷ তাদের সঙ্গে জোট করেছে তৃণমূল৷ ওই তিনটি আসন বাদ দিয়ে ২৯১টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছে শাসক দল৷
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, যে বিধায়করা টিকিট পাননি, তাঁদের অন্য ভাবে কাজে লাগাবে দল৷ ভবানীপুরে প্রার্থী হচ্ছেন মমতা৷ বেলেঘাটা কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হচ্ছেন কুণাল ঘোষ৷ পুরনো কেন্দ্র থেকেই টিকিট পাচ্ছেন মন্ত্রী জাভেদ আলি খান, ফিরহাদ হাকিম, জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক, বেচারাম মান্না, ইন্দ্রনীল সেন, অরূপ বিশ্বাস, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের মতো মন্ত্রীরা৷
