৭৪ জন বাদ যাওয়া বিধায়কের তালিকায় রয়েছে তপন দাশগুপ্ত, জোৎস্না মান্ডি, তাজমুল হোসেন,, অসিত মজুমদার, মাণিক ভট্টাচার্য, জীবনকৃষ্ণ সাহা, পরেশ পাল, স্বর্ণকমল সাহা, বিকাশ রায়চৌধুরী, বিবেক গুপ্তর মতো নামও৷
এরমধ্যে, রাজনৈতিক জীবনের বেশিরভাগ সময়েই বেহালা পশ্চিম থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়৷ একুশেও করেছিলেন৷ কিন্তু, ২০২২ সালেই শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতারি৷ তারপর দীর্ঘ কারাবাস শেষে অবশেষে মুক্তি পেয়েছেন সম্প্রতি৷ ফিরে এসে বেহালা পশ্চিমের মানুষের সঙ্গে জনসংযোগ বাড়ানোর চেষ্টা করতেও দেখা গিয়েছিল তাঁকে৷ কিন্তু, তাঁর দল আর তাঁকে টিকিট দিল না৷ বেহালা পশ্চিম থেকে প্রার্থী করা হয়েছে রত্না চট্টোপাধ্যায়কে৷
advertisement
পার্থর মতোই দুর্নীতিতে নাম জড়ানোয় নাম কাটা গিয়েছে বড়ঞাঁর বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহার৷ যিনি বারবার পাঁচিল টপকে পালানোর জন্য রীতিমতো ‘প্রসিদ্ধ’৷ বড়ঞাঁয় এবার তৃণমূলের প্রার্থী প্রতিমা রজক৷ নাম কাটা গিয়েছে পলাশিপাড়ার বিধায়ক মাণিক ভট্টাচার্যেরও৷ সেখানে তৃণমূল প্রার্থী রুকবানুর রহমান৷
প্রেমিকা শ্রীময়ী চট্টরাজের সঙ্গে তাঁর হঠাৎ বিয়ে, তারপর হানিমুন নিয়ে কম চর্চা হয়নি উত্তরপাড়ার বিদায়ী বিধায়ক তথা অভিনেতা কাঞ্চন মল্লিককে নিয়ে৷ এমনকি, নিজের কেন্দ্রে তাঁর নামে ‘নিখোঁজ’ পোস্টারও পড়েছিল৷ সেই কাঞ্চনকে এবার আর উত্তরপাড়া বিধানসভা কেন্দ্রে প্রার্থী করেনি তৃণমূল৷ তার বদলে সেখানে প্রার্থী করা হয়েছে শ্রীরামপুরের সাংসদ আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছেলে শীর্ষাণ্য বন্দ্যোপাধ্যায়কে৷
তৃণমূল সূত্রে জানা গিয়েছে, ১৫ বিধায়কের আসন বদল করা হয়েছে এই বারের তালিকায়৷ সেখানে নাম রয়েছে অভিনেতা সোহম চক্রবর্তীরও৷ তবে ১৩৫ জনকে তাদের নিজের আসনেই দেওয়া হয়েছে৷ প্রসঙ্গত,
