যশোদার পরীক্ষাকেন্দ্র ছিল কেশপুর গার্লস হাইস্কুল। সোমবার সকালে আনন্দপুর থেকে কেশপুরের দিকে যাওয়ার সময় আনন্দপুর থানার অন্তর্গত পাচরা এলাকায় একটি পিকআপ ভ্যানকে ওভারটেক করতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পড়ে যায় তাঁদের বাইক। আচমকা এই দুর্ঘটনায় রাস্তার উপর ছিটকে পড়েন বাবা-মেয়ে দু’জনেই। স্থানীয়দের সহযোগিতায় তাঁদের দ্রুত উদ্ধার করে প্রথমে কেশপুর গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
advertisement
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, যশোদার ডান পা ভেঙে গিয়েছে। অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। চিকিৎসকদের মতে, দ্রুত অস্ত্রোপচার প্রয়োজন। এই অবস্থায় এবছর আর মাধ্যমিক পরীক্ষায় অংশ নেওয়া তাঁর পক্ষে সম্ভব নয় বলেই মনে করা হচ্ছে। ফলে এক বছরের প্রস্তুতি, স্বপ্ন আর পরিশ্রম—সবই যেন মুহূর্তে থমকে গেল।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
পুলিশ সূত্রে জানানো হয়েছে, দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অন্যদিকে মধ্যশিক্ষা পর্ষদের জেলা মনিটরিং কমিটির আহ্বায়ক সুভাষ হাজরা বলেন, “ঘটনাটি অত্যন্ত মর্মান্তিক। যশোদার শারীরিক অবস্থা যা, তাতে এই মুহূর্তে তার পক্ষে পরীক্ষা দেওয়া সম্ভব নয়।” একদিকে পরীক্ষার চাপ, অন্যদিকে ভেঙ্গে যাওয়া পা নিয়ে অনিশ্চয়তা—আজ যশোদার কাছে মাধ্যমিক নয়, সবচেয়ে বড় পরীক্ষা এখন সুস্থ হয়ে ওঠা। তাঁর দ্রুত আরোগ্য কামনা করছেন পরিবার, শিক্ষক ও সহপাঠীরা।






