চৌপতি এলাকায় পৌঁছে বাম কর্মী-সমর্থকরা কেন্দ্রীয় ও রাজ্য বাজেটের প্রতিলিপি জ্বালিয়ে তীব্র প্রতিবাদ জানান। এই বিক্ষোভ কর্মসূচির জেরে জাতীয় সড়কে দীর্ঘক্ষণ যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়, ফলে ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ মানুষ ও নিত্যযাত্রীরা।
advertisement
এ দিনের আন্দোলনে উপস্থিত ছিলেন প্রাক্তন সিপিআইএম বিধায়ক মমতা রায়, সিপিআইএম ধূপগুড়ি এরিয়া কমিটির সম্পাদক জয়ন্ত মজুমদার, সিপিআইএম নেতা তুষার বসু-সহ অন্যান্য বাম নেতৃত্ব ও কর্মী-সমর্থকরা। বক্তৃতায় নেতৃবৃন্দ অভিযোগ করেন, কেন্দ্রীয় ও রাজ্য বাজেটে সাধারণ মানুষ, শ্রমজীবী, কৃষক ও বেকার যুবকদের স্বার্থ উপেক্ষিত হয়েছে। বাজেটের মাধ্যমে মূল্যবৃদ্ধি ও বেকারত্ব আরও বাড়বে বলেও দাবি করেন তাঁরা।
আরও পড়ুন: বলুন তো PNR শব্দের ফুল ফর্ম কী…? ৯৯%-ই জানেন না ‘কারেক্ট’ উত্তর! আপনি জানেন?
বিক্ষোভ শেষে ধূপগুড়ি বাস স্ট্যান্ড এলাকা থেকে আবার মিছিল করে পার্টি কার্যালয়ে ফিরে গিয়ে কর্মসূচির সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়। পুরো কর্মসূচি ঘিরে ধূপগুড়ি শহরে উত্তেজনার পরিবেশ সৃষ্টি হলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন ছিল। প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবারই পেশ হয়েছে রাজ্য বাজেট। বাজেটে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার-সহ আশাকর্মীদের ভাতার টাকা বাড়ানো হয়েছে। ঘোষণা হয়েছে বেকার যুবকদের জন্য যুব সাথী প্রকল্প। ১৫০০ টাকা করে দেওয়ার ঘোষণা করা হয়েছে রাজ্য বাজেটে। চলতি মাস থেকেই বলবৎ হতে চলেছে এই ঘোষণা এমনটাই জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী স্বয়ং। এরপরেই বিরোধীদের মধ্যে বাজেট নিয়ে নানা অসন্তোষ ও প্রতিবাদ শুরু হয়েছে বিভিন্ন জায়গায়।
