জেলার বিস্তীর্ণ বনাঞ্চল ও চা বাগান ঘেরা এলাকায় মাঝেমধ্যেই বন্যপ্রাণীর হানা ঘটে, যা সাধারণ মানুষের মনে ভয় তৈরি করে। সেই বাস্তবতাকে মাথায় রেখে এবার ভোটের দিন নিরাপত্তায় কোনও খামতি রাখতে চাইছে না প্রশাসন। বন দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, জঙ্গল সংলগ্ন প্রায় ৩০টি ভোটকেন্দ্রকে চিহ্নিত করা হয়েছে। ভোটের দিন সকাল থেকেই এই কেন্দ্রগুলিতে বিশেষ নজরদারি চালানো হবে। শুধু ভোটকেন্দ্রের ভিতরেই নয়, আশেপাশের এলাকাতেও নিয়মিত টহল দেবেন বনকর্মীরা।
advertisement
বিশেষ করে গরুমারা জাতীয় উদ্যান সংলগ্ন এলাকা, ঝুলন্তী বনবস্তি এবং চাপরামারি লাগোয়া অঞ্চলে বাড়তি সতর্কতা নেওয়া হয়েছে। অতীতে এইসব এলাকায় বন্যপ্রাণীর আক্রমণের একাধিক ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গিয়েছে।
বন দফতরের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়েছে, কোনও ভোটার জঙ্গলের পথ দিয়ে আসার সময় সমস্যায় পড়লে তাঁদের নিরাপদে ভোটকেন্দ্রে পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব নেবেন বনকর্মীরাই। ফলে দূরবর্তী বনবস্তির বাসিন্দারাও নির্ভয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
গরুমারা ডিভিশনের ডিএফও দ্বিজ প্রতিম সেন জানান, “ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সবরকম প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। বন দফতর, প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনের যৌথ উদ্যোগে এই ব্যবস্থা কার্যকর করা হবে।” মানুষ ও বন্যপ্রাণ— দুইয়ের মাঝেই সমন্বয় রেখে গণতন্ত্রের উৎসবকে নির্বিঘ্ন করতে এই উদ্যোগে বনবস্তির ভোটারদের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে।





