একসময় ভোট মানেই ছিল দেওয়াল লিখন, পোস্টারে ছেয়ে যাওয়া পাড়া-প্রতিবেশ, আর মাইকিং করে প্রচার। অলিগলি থেকে বড় রাস্তা—সবখানেই চোখে পড়ত রঙিন রাজনৈতিক বার্তা। এই প্রচারের মাধ্যমেই সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে যুব সমাজকে ভোটমুখী করার চেষ্টা চলত জোরদারভাবে। তবে সময়ের সঙ্গে বদলেছে প্রচারের ধরণ। ডিজিটাল যুগে এখন ভোটের লড়াই অনেকটাই সরে এসেছে সোশ্যাল মিডিয়ার পর্দায়। বিশেষ করে যুব সমাজকে টার্গেট করেই রাজনৈতিক দলগুলি এখন ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, ইউটিউবের মতো প্ল্যাটফর্মকে হাতিয়ার করছে।
advertisement
এই প্রসঙ্গে দার্জিলিং জেলা সোশ্যাল মিডিয়া ফ্যাম কমিউনিটির সভাপতি তথা তৃণমূল ছাত্র পরিষদের জেলা সাধারণ সম্পাদক চন্দন সাহা জানান, বর্তমানে একাধিক ফেসবুক পেজের মাধ্যমে বিভিন্ন এলাকার প্রার্থীদের প্রচার জোরদার করা হচ্ছে। তাঁর দাবি, সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমেই বড় অংশের ভোটারদের কাছে পৌঁছনো সম্ভব, কারণ অধিকাংশ যুব সমাজ এখন এই প্ল্যাটফর্মে সক্রিয়। পাশাপাশি এআই-নির্ভর ভিডিও, ডিজিটাল পোস্টার ও আকর্ষণীয় কনটেন্ট ব্যবহার করে ভোটারদের আকৃষ্ট করার চেষ্টা চলছে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
সব মিলিয়ে, প্রচারের চেনা ছবি বদলে এখন ডিজিটাল নির্ভরতার দিকেই ঝুঁকছে রাজনীতির ময়দান। দেওয়াল লিখন বা পোস্টারের জায়গা দখল করছে ভার্চুয়াল ক্যাম্পেইন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পরিবর্তনই ভবিষ্যতের নির্বাচনী প্রচারের রূপরেখা তৈরি করছে, যেখানে যুব ভোটারদের মন জয় করাই হয়ে উঠছে মূল চাবিকাঠি।





