টিনের চাল ফুটো বৃষ্টি নামলেই ঘরের ভেতরে জল ঢুকে পড়ে। সেই জল পড়াকেও তিনি ভোলেবাবার আশীর্বাদ বলে অভিহিত করেন। দরজাও ভাঙা। সেই ছোট্ট খুপড়ি ঘরেই স্ত্রী ও ছেলে-মেয়েকে নিয়ে থাকেন কৌশিক, যিনি পেশায় একজন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক। একজন বিধায়কের এমন সাধারণ জীবনযাপন অনেকের কাছেই বিস্ময়ের। তবে এই অভাবের মধ্যেও রয়েছে দৃঢ়তা ও আদর্শের গল্প। কৌশিকের স্ত্রী সোনি রায় স্পষ্ট জানিয়েছেন, “ভাঙা ঘরেই আমরা সুখে আছি। কিন্তু কোনওদিন দুর্নীতির পথে হাঁটব না।”
advertisement
তাঁর কথায় উঠে আসে এক ধরনের আত্মসম্মান ও বিশ্বাস—যা আজকের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বিরল বলেই মনে করছেন অনেকেই।পরিবারের দাবি, রাজনীতিতে থেকেও নীতির সঙ্গে আপস করেননি কৌশিক। তাই আর্থিক স্বচ্ছলতা না থাকলেও আত্মসম্মান অটুট রয়েছে। তাঁদের মতে, এই লড়াই শুধুমাত্র ভোটের নয় এটি নীতি বনাম অনীতির লড়াই, ধর্ম বনাম অধর্মের লড়াই। এই ছবি ইতিমধ্যেই এলাকায় চর্চার বিষয় হয়ে উঠেছে। কেউ এটিকে সরলতা ও সততার প্রতীক হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ প্রশ্ন তুলছেন একজন জনপ্রতিনিধিরই এমন অবস্থা ? সাধারণ মানুষের উন্নয়ন কি হবে? ভোটের ময়দানে ফল যা-ই হোক, কৌশিক রায়ের এই জীবনযাপন যে এক অন্যরকম বার্তা দিচ্ছে তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই!