১৯৫১-এর জনপ্রতিনিধিত্ব আইনের ১৬০ ধারা। তা প্রয়োগ করে নির্বাচন কমিশন কোনও গাড়ি, জায়গা বা বাড়ি নির্বাচনের জন্য ব্যবহার করতে পারে। আইন মেনে যে কোনও যানবাহন অধিগ্রহণ করতে পারে নির্বাচন কমিশন ৷ সেকশন ১৬০ (২) আরপিও অ্যাক্ট অনুযায়ী অধিগ্রহণ করা হয় ৷ প্রথমে সরকারি ও বাণিজ্যিক গাড়ি ব্যবহার করা হয় ৷ পর্যাপ্ত না হলে ব্যক্তিগত গাড়ি নেওয়ার পথ খোঁজে প্রশাসন ৷ এ ক্ষেত্রে গাড়ির মালিককে নির্দিষ্ট প্রক্রিয়ায় নোটিস দেওয়া হয় ৷ নির্দিষ্ট পরিমাণ ভাড়াও দেওয়া হয় ৷ ডিস্ট্রিক্ট ম্যাজিস্ট্রেট বা জেলা নির্বাচন আধিকারিক লিখিত নির্দেশ পাঠান ৷ সেই অনুযায়ী গাড়ি অধিগ্রহণ করতে পারে কমিশন ৷ একইভাবে নির্বাচনী কাজে বাড়ি বা বাড়ির কোনও অংশও ভাড়ায় নিতে পারে কমিশন ৷
advertisement
নির্বাচন চলাকালীন কেন্দ্রীয় বাহিনী, পুলিশকর্মীদের যাওয়া-আসার ক্ষেত্রে, কোনও গাড়ি, জলযান বা ঘোড়া গাড়ি প্রয়োজন হয় বা হওয়ার সম্ভাবনা থাকে, তবে নির্বাচন কমিশন লিখিত আদেশের মাধ্যমে ক্ষেত্র অনুযায়ী যানবাহন, জলযান বা পশু অধিগ্রহণ করতে পারে। শর্ত হচ্ছে, ওই অধিগ্রহণের বিষয়ে মালিককে প্রয়োজনীয় অ্যাকুইজিশন দিতে হবে। তবে কোনও প্রার্থী বা তাঁর প্রতিনিধিরা কিংবা নির্বাচনের সঙ্গে যুক্ত কোনও যানবাহন, জলযান বা পশু নির্বাচনের ভোটগ্রহণ সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত অধিগ্রহণ করা যায় না। এই আইনে স্পষ্ট ভাবে বলা হয়েছে, এইগুলি অধিগ্রহণের আগে জমি বা গাড়ির মালিককে আগে থেকে নির্দেশিকা দিতে হবে। এবং যে সময়কালের জন্য় অধিগ্রহণ করা হবে বলে জানানো হবে তা যেন কোনওভাবে পরিবর্তন না হয়।
যদি আপনার গাড়ি নির্বাচনী ডিউটির জন্য চাওয়া হয়, কিন্তু আপনার দরকারি কাজ থাকে এবং গাড়ি দিতে আপনি নারাজ হন, তাহলে আপনি সরাসরি ডিইও বা নির্বাচন কমিশনের সিইও-র কাছে আবেদন করতে পারেন। আপনাকে সেক্ষেত্রে ব্যাখ্যা দিতে হবে যে কেন গাড়িটি দরকার আপনার।
নির্বাচন আয়োজন, পরিচালন করার দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের। কমিশনের নির্দেশিকা অনুযায়ী, নির্বাচনের কাজের জন্য সরকারি ও বাণিজ্যিক গাড়ি অর্থাৎ হলুদ নম্বর প্লেটের কমার্শিয়াল গাড়ি নেওয়া যেতে পারে। প্রাইভেট গাড়ি অর্থাৎ ব্যক্তিগত গাড়ি নেওয়া যায় না। তবে শহরের অবস্থার উপরে নির্ভর করে কমিশন শেষ অপশন হিসাবে কিছু প্রাইভেট গাড়ি নেওয়ার বিধান রেখেছে। এক্ষেত্রে এসইউভি গাড়িকেই প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে।
