TRENDING:

Accident: ​মরণফাঁদ পুলকারে ৪ খুদে! বর্ধমানে ‘দাবাং’ ট্রাফিক ওসির তৎপরতায় বড় দুর্ঘটনা এড়াল

Last Updated:

Accident: ব্যস্ত সময় রাস্তায় ছুটছে একের পর এক গাড়ি তখন বর্ধমান শহরের জিটি রোড দিয়ে ঝড়ের গতিতে ছুটছে একটি খুদেদের পুলকার,নেশায় চুর গাড়ির চালক। রক্ষা করলেন দাবাং ট্রাফিক ওসি।

impactshort
ইমপ্যাক্ট শর্টসলেটেস্ট খবরের জন্য
advertisement
বর্ধমান, সায়নী সরকার: মরণফাঁদ হয়ে ছুটছিল স্কুল গাড়ি, দেবদূতের মত ৪ খুদেকে যমের মুখ থেকে ফেরালেন ‘দাবাং’ ট্রাফিক ওসি! ব্যস্ত সময় রাস্তায় ছুটছে একের পর এক গাড়ি তখন বর্ধমান শহরের জিটি রোড দিয়ে ঝড়ের গতিতে ছুটছে একটি খুদেদের পুলকার, নেশায় চুর গাড়ির চালক। সন্দেহ হওয়ায় ধাওয়া করে আটকানো হয় গাড়িটি।
ঘটনার ছবি
ঘটনার ছবি
advertisement

চুড়ান্ত মদ্যপ অবস্থায় বেপরোয়াভাবে গাড়ি চালিয়ে প্লে-স্কুলের ছাত্রদের জীবন নিয়ে ছেলেখেলা, চালককে আটক করে ছাত্রদের নিজের উদ্যোগে বাড়ি পৌঁছে দিলেন বীরহাটা ট্রাফিক গার্ডের ওসি চিন্ময় বন্দ‍্যোপাধ‍্যায়। সারা বছরই বিরাটা ট্রাফিক গার্ডের ওসি চিন্ময় বন্দ‍্যোপাধ‍্যায়কে দেখা যায় নানান ভূমিকায়। কখনও মানবিক ভূমিকায়, কখনও ত্রাতা হয়ে দাঁড়ানো মানুষের পাশে আবার কখনও অপরাধ দেখলেই জিরো টলারেন্স নীতিতে দেখা যায় তাঁকে, ঠিক যেন দাবাং ওসি। এদিনও তাঁকে দেখা যায় দাবাং ভূমিকায়। বর্ধমান শহরের উল্লাস বাসস্ট্যান্ড এলাকার ঘটনা।

advertisement

আরও পড়ুনঃ সিআরপিএফ জওয়ানের মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ বাঁকুড়ার সিমলাপাল, রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শেষ বিদায়

জানা যায়, বর্ধমান শহরের জি টি রোড ধরে প্লে-স্কুলের ছাত্রদের নিয়ে রংরুটে বেপরোয়াভাবে পুলকার চালাচ্ছিলেন চালক, সন্দেহ হওয়ায় ধাওয়া করে উল্লাস বাসস্ট্যান্ড এলাকায় পুলকারটিকে আটকে চালককে জিজ্ঞাসা বাদ শুরু করতেই দেখা যায় চালক মদ্যপ অবস্থায় রয়েছেন, পুলকারটিতে তখন ৪ জন ছাত্র-ছাত্রী ও একজন মহিলা অ্যাটেন্ডেন্ট ছিলেন। সকলের নিরাপত্তার কথা ভেবে এরপরই চালককে আটক করে একই পুলকারে নিজেদের চালক দিয়ে তাদের বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হয় ট্রাফিক পুলিশের পক্ষ থেকে।

advertisement

View More

সেরা ভিডিও

আরও দেখুন
হতাশ হবেন না! বিশ্বভারতী না হলেও শান্তিনিকেতনের এই ৪ জায়গায় মিলবে বসন্ত উৎসবের স্বাদ
আরও দেখুন

ওসি চিন্ময় বন্দ‍্যোপাধ‍্যায় জানান, আমরা উল্লাসের দিকে রাউন্ড দিচ্ছিলাম বাইকে করে তখন দেখতে পাই আলিশা বাস স্ট্যান্ড এর কাছে একটি মারুতি ভ্যান যেদিকে যাওয়ার কথা সেই রাস্তায় না গিয়ে উল্টো দিকে যাচ্ছে। তখন সন্দেহ হয় আমি সঙ্গে সঙ্গে কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে গাড়ি থেকে আটক করি। দেখি গাড়ির ভিতরে একজন ম্যাডাম চারটে বাচ্চা রয়েছে। ড্রাইভারকে লাইসেন্স দেখতে চাইলে তিনি বলে লাইসেন্স বাড়িতে রয়েছে। মোবাইলে অ্যাপসে লাইসেন্স দেখতে চাইলেও তিনি দেখাতে পারেননি। গাড়ির চালকের মুখ দিয়ে অ্যালকোহলের গন্ধ বেরোচ্ছিল তাই আমরা বাচ্চাগুলোকে গাড়ি থেকে নামিয়ে অ্যালকোহল টেস্ট করি। তাতে দেখা গেল ড্রাইভার মধ্যপ অবস্থায় আছে। আকন্ঠ মদ্যপান করে ছাত্র-ছাত্রীদের জীবনের তোয়াক্কা না করেই বেপরোয়াভাবে পুলকারটি চালাচ্ছিলেন চালক। চালককে বর্ধমান থানায় পাঠানো হয়েছে। একইসঙ্গে ছাত্র-ছাত্রীদের সুরক্ষার কথা মাথায় রেখে আমার আমাদের চালক দিয়ে তাঁদের বাড়ি পাঠানোর ব্যবস্থা করি।

advertisement

বাংলা খবর/ খবর/পশ্চিমবঙ্গ/পশ্চিম বর্ধমান/
Accident: ​মরণফাঁদ পুলকারে ৪ খুদে! বর্ধমানে ‘দাবাং’ ট্রাফিক ওসির তৎপরতায় বড় দুর্ঘটনা এড়াল
Open in App
হোম
খবর
ফটো
লোকাল